ওএমএস তালিকায় আ’লীগ নেতাসহ স্ত্রী-সন্তানের নাম: ব্যাখ্যা তলব
jugantor
ওএমএস তালিকায় আ’লীগ নেতাসহ স্ত্রী-সন্তানের নাম: ব্যাখ্যা তলব

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি  

১২ মে ২০২০, ২৩:১৬:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক মো. শাহ আলম (মাঝখানে)। ছবি: যুগান্তর

করোনা ভাইরাসে এই সময়ে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায় বিশেষ ওএমএস তালিকায় জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও ওএমএস ডিলার মো. শাহ আলমের স্ত্রী ও সন্তানের নাম রয়েছে। ওএমএস কমিটিও শাহ আলমের স্ত্রী-সন্তানসহ ১৩ জন স্বজনের অস্তিত্ব পেয়েছে।

এরই প্রেক্ষিতে জেলা ওএমএস কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান সোমবার ওএমএস ডিলার জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক মো. শাহ আলমের কাছে তার ডিলারশিপ কেন বাতিল করা হবে না, মর্মে ব্যাখ্যা তলব করেছেন। আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে এর সন্তোষজনক জবাব চাওয়া হয়।

এতে বলা হয় কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিস্থিতিতে পৌর এলাকার দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে কাউতলীর শহীদ লুৎফুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ওএমএস ডিলার হিসেবে আপনি (শাহ আলম) ১০ টাকা কেজির চাল বিক্রি করছেন। ১০নং ওয়ার্ডে ওএমএসের ভোক্তা তালিকায় আপনার স্ত্রী, মেয়ে, ভাইবোনসহ নিকট আত্মীয় স্বজনের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। যা ন্যায় সঙ্গত নয়।

এদিকে বিশেষ এই ওএমএস তালিকা থেকে সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যদের নাম বাদ দেয়া এবং তালিকা প্রণয়নে সতর্কতা অবলম্বন করার জন্যে পৌরসভার মেয়রকে চিঠি দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

সোমবার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, সামর্থ্যবানদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের প্রেক্ষিতে পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে দৈবচয়ন ভিত্তিতে ভোক্তা তালিকা যাচাই করেছে জেলা ওএমএস কমিটি। এতে প্রথম দফায় অন্তর্ভুক্ত ৬ হাজার ভোক্তার মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৯১ জন সামর্থ্যবান ব্যক্তি বা পরিবারের নাম পাওয়া গেছে। তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়া ছাড়াও বিদ্যমান তালিকা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে যাচাই-বাছাই করে সামর্থ্যবান ভোক্তাদের চিহ্নিত করতে এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রনীতব্য ৩ হাজার ৬০০ জন ভোক্তার তালিকা প্রণয়নে অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা মেয়রকে অনুরোধ করা হয়।

এই ব্যাপারে জেলা ওএমএস কমিটি সদস্য সচিব ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুবীর নাথ চৌধুরী জানান, বিষয়টি জেলা ওএমএস কমিটি খতিয়ে দেখছে। অনিয়ম করে রেহাই পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

ওএমএস তালিকায় আ’লীগ নেতাসহ স্ত্রী-সন্তানের নাম: ব্যাখ্যা তলব

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি 
১২ মে ২০২০, ১১:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক মো. শাহ আলম (মাঝখানে)। ছবি: যুগান্তর
প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক মো. শাহ আলম (মাঝখানে)। ছবি: যুগান্তর

করোনা ভাইরাসে এই সময়ে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকায় বিশেষ ওএমএস তালিকায় জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও ওএমএস ডিলার মো. শাহ আলমের স্ত্রী ও সন্তানের নাম রয়েছে। ওএমএস কমিটিও শাহ আলমের স্ত্রী-সন্তানসহ ১৩ জন স্বজনের অস্তিত্ব পেয়েছে।

এরই প্রেক্ষিতে জেলা ওএমএস কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান সোমবার ওএমএস ডিলার জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক মো. শাহ আলমের কাছে তার ডিলারশিপ কেন বাতিল করা হবে না, মর্মে ব্যাখ্যা তলব করেছেন। আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে এর সন্তোষজনক জবাব চাওয়া হয়। 

এতে বলা হয় কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিস্থিতিতে পৌর এলাকার দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে কাউতলীর শহীদ লুৎফুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ওএমএস ডিলার হিসেবে আপনি (শাহ আলম) ১০ টাকা কেজির চাল বিক্রি করছেন। ১০নং ওয়ার্ডে ওএমএসের ভোক্তা তালিকায় আপনার স্ত্রী, মেয়ে, ভাইবোনসহ নিকট আত্মীয় স্বজনের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। যা ন্যায় সঙ্গত নয়।

এদিকে বিশেষ এই ওএমএস তালিকা থেকে সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যদের নাম বাদ দেয়া এবং তালিকা প্রণয়নে সতর্কতা অবলম্বন করার জন্যে পৌরসভার মেয়রকে চিঠি দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

সোমবার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, সামর্থ্যবানদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের প্রেক্ষিতে পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে দৈবচয়ন ভিত্তিতে ভোক্তা তালিকা যাচাই করেছে জেলা ওএমএস কমিটি। এতে প্রথম দফায় অন্তর্ভুক্ত ৬ হাজার ভোক্তার মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৯১ জন সামর্থ্যবান ব্যক্তি বা পরিবারের নাম পাওয়া গেছে। তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়া ছাড়াও বিদ্যমান তালিকা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে যাচাই-বাছাই করে সামর্থ্যবান ভোক্তাদের চিহ্নিত করতে এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রনীতব্য ৩ হাজার ৬০০ জন ভোক্তার তালিকা প্রণয়নে অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা মেয়রকে অনুরোধ করা হয়।

এই ব্যাপারে জেলা ওএমএস কমিটি সদস্য সচিব ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুবীর নাথ চৌধুরী জানান, বিষয়টি জেলা ওএমএস কমিটি খতিয়ে দেখছে। অনিয়ম করে রেহাই পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস