করোনা পরীক্ষা: ঢাকা মেডিকেলের পিসিআর মেশিন বিকলের শঙ্কা

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৩ মে ২০২০, ১৯:২৯:২৫ | অনলাইন সংস্করণ

ফাইল ছবি

করোনা রোগী শনাক্তে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পলিমার চেইন রিয়াকশন(পিসিআর) মেশিনে সমস্যা দেখা দিয়েছে।১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করতে গিয়েই মাঝে মাঝে মেশিন গরম হয়ে যাচ্ছে, সামান্য শব্দ হচ্ছে।

যে কোনো সময়েই মেশিনটি বিকল হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এটি নষ্ট হলে করোনা পরীক্ষার ক্ষেত্রে ঢামেকে যাতে কোনো বিপর্যয় না ঘটে, সেজন্য আরেকটি পিসিআর মেশিন স্থাপন জরুরি হয়ে পড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- অনেক আগে থেকেই ঢামেকের পিসিআর মেশিনে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়ে আসছে।

করোনার সংকটকালীন সময়ে জরুরি ভিত্তিতে গত ২ এপ্রিল এই হাসপাতালে কোবিড-১৯ টেস্ট শুরু হয়। সেই থেকে নিয়মিত দুবেলা পিসিআরে পরীক্ষা কার্যক্রাম চলছে।

গত ২ মে ঢামেকের বার্ন ইউনিট করোনা হাসপাতালে রূপান্তর করে রোগী ভর্তি শুরু হয়। সেই থেকে দিন দিন রোগী বাড়তে থাকায় মেশিনের উপর চাপও বাড়ছে।

ফলে ভর্তি রোগী ছাড়া বাইরের কোনো নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। দুবেলায় এই মেশিনের ধারণ ক্ষমতা ১৮৮ জন।

জানা গেছে- নির্ধারিত ডিউটির পর ঢামেকের চিকিৎসক-নার্সসহ অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের পরীক্ষা করে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। ভর্তি রোগীদের পাশাপাশি এ সব স্বাস্থ্যকর্মীদের নমুনাও এই মেশিনে পরীক্ষা করতে হয়।

বর্তমানে এই মেশিনে রোগী এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের পরীক্ষা করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। অপরদিকে ঢামেকের মত একটি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে অনেক বেশি প্রত্যাশা থাকলেও তা পূরণে বাঁধা অনেক আগের এই মেশিন।

ধারণ ক্ষমতা না থাকায় পরীক্ষা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন বাইরের রোগীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক বলেন, এটা কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল। হঠাৎ করে মেশিন নষ্ট হয়ে গেলে কি হবে? এখানে পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। তখন বিরাট একটা বিপর্যয় ঘটবে বলে মনে করছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. সুলতানা শাহানা বানু জানান, তিনি অনেক আগেই আরেকটি মেশিন চেয়ে আবেদন করেছেন। এখনো পান নি। তিনি বলছেন- দেরি নয়; জরুরি ভিত্তিতেই পিসিআর মেশিন দরকার।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বুধবার দুপুরে ঢামেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. খান আবুল কালাম আজাদ জানান, তিনি একটু আগেই স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে। মন্ত্রী বলেছেন- এখন যতগুলো মেশিন আছে, সবগুলোই ব্যবহার হচ্ছে। নতুন মেশিন আসবে। নতুন মেশিন আসলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমাদের যে মেশিনে কাজ চলছে, এর সঙ্গে নতুন আরেকটি মেশিন যুক্ত হবে। আমরা নতুন একটা পেয়ে যাবো ইনশাল্লাহ।

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও
আরও খবর
 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত