যশোরে সিজারে করোনা পজিটিভ নারীর সন্তান প্রসব
jugantor
যশোরে সিজারে করোনা পজিটিভ নারীর সন্তান প্রসব

  যশোর ব্যুরো  

১৩ মে ২০২০, ২৩:৫১:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের চৌগাছার করোনা পজিটিভ নারী জান্নাতী (২৮) সিজারিয়ান অপারেশনে সন্তান প্রসব করেছেন। অপারেশন করেন যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের গাইনি চিকিৎসক ডা. নিলুফার ইয়াসমিন এমিলি।

বুধবার দুপুরে যশোর শহরের জেনেসিস প্রাইভেট হাসপাতালে দ্বিতীয় কন্যা সন্তান জন্ম দেন।

জান্নাতী চৌগাছা উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নের বানুড়হুদা গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী। গত ২৫ এপ্রিল করোনা শনাক্তের পর তার বাড়িতেই তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছিল।

ডা. নিলুফার ইয়াসমিন সাংবাদিকদের বলেন, আমরা তো সবসময়ই সিজার করি। প্রথম করোনা পজিটিভ হওয়ায় একটু ভয় লেগেছে। একটু টেনশন নিয়ে করতে হয়েছে। করোনা পজিটিভ প্রসূতি হওয়ায় রিস্কি ছিল। সতর্ক থাকতে হয়েছে। প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। তবুও করতে তো হবেই। এটাতো আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। সব প্রস্তুতি ও প্রটেকশন নিয়েই সিজার সম্পন্ন হয়েছে। কোন সমস্যা হয়নি। মা ও বাচ্চা দুজনেই সুস্থ আছেন।

চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার বলেন, পরপর দুবার তার করোনা পরীক্ষা নেগেটিভ আসায় তাকে করোনামুক্ত ছাড়পত্র ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তির পর পরীক্ষায় আবারো করোনা পজিটিভ হন তিনি। পজিটিভ অবস্থায়ই বুধবার তার সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন হয়।

তিনি বলেন, প্রসূতি ও বাচ্চা উভয়েই সুস্থ আছেন।

জান্নাতীর স্বামী আলমগীর হোসেন বলেন, আমি সিজার অপারেশন করা ডাক্তারসহ সব ডাক্তারদের কাছে কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে চৌগাছা হাসপাতালের বড় ম্যাডাম (স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার) সব সময় আমাকে খোঁজ নিয়েছেন। সাহস দিয়েছেন। এমনকি ওষুধের ব্যবস্থাও করে দিয়েছেন। বিকাল ৪টায় তিনি জানান বাচ্চা ও মা উভয়েই সুস্থ আছেন। তার স্ত্রী এখন ঘুমাচ্ছেন।

যশোরে সিজারে করোনা পজিটিভ নারীর সন্তান প্রসব

 যশোর ব্যুরো 
১৩ মে ২০২০, ১১:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের চৌগাছার করোনা পজিটিভ নারী জান্নাতী (২৮) সিজারিয়ান অপারেশনে সন্তান প্রসব করেছেন। অপারেশন করেন যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের গাইনি চিকিৎসক ডা. নিলুফার ইয়াসমিন এমিলি। 

বুধবার দুপুরে যশোর শহরের জেনেসিস প্রাইভেট হাসপাতালে দ্বিতীয় কন্যা সন্তান জন্ম দেন।

জান্নাতী চৌগাছা উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নের বানুড়হুদা গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী। গত ২৫ এপ্রিল করোনা শনাক্তের পর তার বাড়িতেই তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছিল।

ডা. নিলুফার ইয়াসমিন সাংবাদিকদের বলেন, আমরা তো সবসময়ই সিজার করি। প্রথম করোনা পজিটিভ হওয়ায় একটু ভয় লেগেছে। একটু টেনশন নিয়ে করতে হয়েছে। করোনা পজিটিভ প্রসূতি হওয়ায় রিস্কি ছিল। সতর্ক থাকতে হয়েছে। প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। তবুও করতে তো হবেই। এটাতো আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। সব প্রস্তুতি ও প্রটেকশন নিয়েই সিজার সম্পন্ন হয়েছে। কোন সমস্যা হয়নি। মা ও বাচ্চা দুজনেই সুস্থ আছেন।

চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার  বলেন, পরপর দুবার তার করোনা পরীক্ষা নেগেটিভ আসায় তাকে করোনামুক্ত ছাড়পত্র ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তির পর পরীক্ষায় আবারো করোনা পজিটিভ হন তিনি। পজিটিভ অবস্থায়ই বুধবার তার সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন হয়।

তিনি বলেন, প্রসূতি ও বাচ্চা উভয়েই সুস্থ আছেন।

জান্নাতীর স্বামী আলমগীর হোসেন বলেন, আমি সিজার অপারেশন করা ডাক্তারসহ সব ডাক্তারদের কাছে কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে চৌগাছা হাসপাতালের বড় ম্যাডাম (স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার) সব সময় আমাকে খোঁজ নিয়েছেন। সাহস দিয়েছেন। এমনকি ওষুধের ব্যবস্থাও করে দিয়েছেন। বিকাল ৪টায় তিনি জানান বাচ্চা ও মা উভয়েই সুস্থ আছেন। তার স্ত্রী এখন ঘুমাচ্ছেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস