আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে গেল ঈদের নতুন পোশাক

  ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি ১৬ মে ২০২০, ০০:১৫:২৭ | অনলাইন সংস্করণ

শিশুরা করোনা বোঝে না, ঈদ বোঝে। ঈদের আনন্দ বোঝে। আর ঈদ মানেই নতুন পোশাক। করোনা দুর্যোগে ঘরবন্দী শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে যখন মানবেতর জীবন যাপন করছে, তখন শিশুদের নতুন পোশাক দেয়ার কথা ভাবতেই পারছে না এসব শ্রমজীবী মানুষ।

তাদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে নতুন পোশাক বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিলেন মালদ্বীপ প্রবাসী জীবন রহমান মহন। বৃহস্পতিবার দুপুরে মোকারিমপুর ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ২২০টি পরিবারের শিশুদের মাঝে তিনি এই নতুন পোশাক বিতরণ করেন।

নতুন পোশাক পেয়ে শিশু এবং শিশুর পিতা-মাতাদের মাঝেও হাসির ঝিলিক দেখা গেছে। মুক্তমনা ফেসবুক অ্যাক্টিভেস্ট হিসেবে পরিচিত জীবন রহমান মহন মালদ্বীপ প্রবাসী। তিনি ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপনগর গ্রামের মৃত আতিয়ার রহমানের পুত্র।

জীবন রহমান মহন বিদেশ থাকলেও গোলাপনগর ব্লাড ব্যাংক এবং হ্যালো মোকারিমপুর নামে দুটি সমাজসেবা মূলক সংগঠনের মাধ্যমে সুবিধা বঞ্চিত অসহায় মানুষদের কল্যাণে কাজ করে থাকেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি ২২০টি পরিবারের শিশুদের মাঝে নতুন পোশাক বিতরণ করেন।

এ কাজে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেন হ্যালো মোকারিমপুর এবং ব্লাড ব্যাংকের তরুণ কর্মীরা।

হ্যালো মোকারিমপুরের সদস্য রুবেল খান রওনক ইসলাম জানিয়েছেন, মালদ্বীপ প্রবাসী জীবন রহমান মহনের আর্থিক সহযোগিতা, দিক নির্দেশনায় ২২০টি পরিবারের শিশুদের জন্য ঈদের নতুন পোশাক কেনা হয়। ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডেন হ্যালো মোকারিমপুরের সদস্যরা তারা অসহায় এবং সুবিধাবঞ্চিতদের তালিকা তৈরি করেছে। সে অনুযায়ী শিশু ছেলে মেয়েদের ঈদের পোশাক হিসেবে নতুন জামা, ফতুয়া, জিন্স প্যান্ট, শার্ট, ফ্রগ ইত্যাদি ক্রয় করে ভ্যানে করে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হয়। ব্যতিক্রমী এ পোশাক বিতরণে মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে।

জীবন রহমান মহন শিশুদের নতুন পোশাক বিতরণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, আজ আমার লাইফের শ্রেষ্ঠ আনন্দময় দিন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রায় ২২০ জন অসহায় ছোট-বড়দের মাঝে ঈদের পোশাক বিতরণ করতে পেরেছি। ঈদের নতুন পোশাক পেয়ে যে হাসি তাদের মুখে দেখেছি সে হাসিতে আমি বিমোহিত। এই হাসির মূল্য কোটি টাকা দিলেও কেন যাবেনা। আজ আমি সত্য।

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও
 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত