আক্রান্তের সংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়ে গেল ভারত

  যুগান্তর ডেস্ক ১৬ মে ২০২০, ০৫:২৬:১৪ | অনলাইন সংস্করণ

আক্রান্তের সংখ্যায় এবার করোনার আঁতুড়ঘর চীনকেও ছাড়িয়ে গেল ভারত। দেশটিতে এখন করোনা রোগীর সংখ্যা ৮৫ হাজার ৭৮৪ জন। চীনে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৮২ হাজার ৯৩৩ জন।

অর্থাৎ গত ২৫ মার্চ থেকে লকডাউনে চলা ভারতে এখন প্রতিবেশী দেশ চীন থেকে ২ হাজার ৮৫১জন বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত।

শুক্রবার ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দেয়া তথ্যানুযায়ী, আক্রান্তের সংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়ে ১১তম স্থানে চলে এসেছে ভারত। তবে মৃত্যুহারে চীন থেকে অনেক কম ভারতের। চীনে করোনায় মৃত্যুর হার ৫ দশমিক ৫ শতাংশ হলেও ভারতে তা ৩ দশমিক ২ শতাংশ। কারণ প্রাদুর্ভাবের প্রথমদিকে চীনে বেশি করোনা রোগী মারা গেছে।

আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডওমিটারসে দেয়া সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আরও ৩ হাজার ৭৮৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে ১০৪ জন। এ পর্যন্ত মোট মারা গেছে ২ হাজার ৭৫৩ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৩০ হাজার ২৩৪ জন। হাসাপাতালে ও হোম কোয়ারেন্টিনে অসুস্থ আছেন ৫২ হাজার ৭৯৭ জন।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম ওয়ান ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ৮৫ হাজারের বেশি আক্রান্তের মধ্যে সর্বাধিক মহারাষ্ট্র রাজ্যে। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজারের কাছাকাছি। মৃত্যু সংখ্যায়ও শীর্ষে রয়েছে রাজ্যটি, ১ হাজার ৯ জন। মহারাষ্ট্রের পর দিল্লি ও গুজরাটকে টপকে দ্বিতীয় অবস্থানে চলে এসেছে তামিলনাড়ু। সেখানে এক সবজির বাজার থেকেই ২ হাজার ৬০০ জন করোনায় সংক্রমিত হয়েছে। সব মিলিয়ে দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে মোট আক্রান্ত ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। গুজরাটে আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজা ৫৯১ জন এবং রাজধানী অঞ্চল দিল্লিতে ৮ হাজার ৪৭০ জন। রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ৪ হাজার ৫৩৪ জন ও ৪ হাজার ৪২৬ জন। এ দুই রাজ্যে মারা গেছে যথাক্রমে ২০৬ ও ২৫৩ জন।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪০০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে মারা গেছে ২১৫ জন।

এমন পরিস্থতিতে দেশটিতে রোববার টানা ৫৪ দিনের লকডাউন শেষ হবে। আবারও লকডাউনে যাবে কি না সোমবার সে সিদ্ধান্ত আসতে পারে কেন্দ্র থেকে।

লকডাউন আরও বাড়াবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে চতুর্থ দফার এই লকডাউনে বিধিনিষেধ আরও বেশি শিথিল করার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

যদিও ইতিমধ্যে মহারাষ্ট্র, আসাম, তেলেঙ্গানা ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য লকডাউন প্রত্যাহার না করে আগের মতোই চালিয়ে যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত