প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নগদ টাকায়ও ভাগ বসিয়েছেন নেতারা: রিজভী
jugantor
প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নগদ টাকায়ও ভাগ বসিয়েছেন নেতারা: রিজভী

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৭ মে ২০২০, ১১:৫৬:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

রিজভী
ছবি-যুগন্তর

দুস্থদের প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নগদ আড়াই হাজার টাকায়ও সরকারি দলের নেতারা ভাগ বসিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫০ লাখ লোককে ১২৫৭ কোটি টাকা দিচ্ছেন। এটা জনগণের টাকা। আমরা এখন খবর দেখছি সরকারের লোকেরা প্রতিজনের কাছ থেকে ৫০০ টাকা রেখে দুই হাজার টাকা করে দিচ্ছেন। আবার যারা তালিকা করছেন, তাদের নিজস্ব লোক আত্মীয়স্বজনদের নাম তালিকায় দিচ্ছেন। গরিব মানুষের নাম তালিকায় থাকে না। তালিকা এমনভাবে করেন, যেন প্রতিষ্ঠানের মালিকের নাম আছে কর্মচারীর নাম নেই। এটি কোনো কাজ হতে পারে? তা হলে দেশ কোন পরিস্থিতি বিরাজ করছে একবার চিন্তা করুন।

রোববার সকালে ময়মনসিংহের পাগলা থানার পাইথাল ইউনিয়নে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন। 

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. মোফাখখারুল ইসলাম রানার উদ্যোগে এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

রুহুল কবির রিজভী এ সময় বলেন, সারাদেশে দুর্ভিক্ষের ছায়া নেমে এসেছে। যারা দিন আনে দিন খায়, গরিব, অসহায়, কর্মহীন মানুষ তারা এখন অনেক কষ্টে আছেন। অথচ জনগণের টাকায় কেনা ত্রাণ চেয়ারম্যান-মেম্বার ও আওয়ামী লীগের নেতারা চুরি করছেন, আত্মসাৎ করছেন। কি অদ্ভুত ব্যাপার? মানুষ মরছে, হাহাকার করছে, কাজে যেতে পারছে না আর সরকারের লোকেরা ত্রাণ চুরি করছে।

প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নগদ অর্থ সহায়তার বিষয়ে তিনি বলেন, এটি তো জনগণের টাকা। সরকার কিংবা আওয়ামী লীগের টাকা নয়। মহাদুর্যোগের মধ্যেও গরিব অসহায় মানুষের টাকা আত্মসাৎ করা হলে তা হলে তারা কোথায় যাবে? তারা তো না খেয়ে মারা যাবে।

রিজভী বলেন, বাংলাদেশসহ ২১০ দেশে দুর্যোগ চলছে। চীনে জানুয়ারিতে করোনা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তখন থেকে আমাদের দেশে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া দরকার ছিল। বাংলাদেশ সরকার সেই পদক্ষেপ নেয়নি। অন্যান্য অনেক দেশ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়ায় তারা ভালো আছে। আর বাংলাদেশ পদক্ষেপ না নেয়ায় প্রতিদিন এক হাজারের বেশি লোক আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ জন লোক মারা যাচ্ছেন। সরকার করোনা নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।

তিনি বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা পকেটের টাকা দিয়ে সারাদেশে অসহায় গরিব মানুষকে ত্রাণ দিচ্ছেন। আমরা এমনিতেই বিপদে আছি। আমাদের রাস্তায় দেখলে গ্রেফতার করা হয়। গুম করে নিয়ে যায়। এই অবস্থার মধ্যেও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন– যতই বিপদ আসুক, অসহায় মানুষের পাশে থাকতে হবে। এ জন্য আমরা সারাদেশে সর্বদা মানুষের পাশে আছি এবং থাকব।

প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নগদ টাকায়ও ভাগ বসিয়েছেন নেতারা: রিজভী

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৭ মে ২০২০, ১১:৫৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রিজভী
ছবি-যুগন্তর

দুস্থদের প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নগদ আড়াই হাজার টাকায়ও সরকারি দলের নেতারা ভাগ বসিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫০ লাখ লোককে ১২৫৭ কোটি টাকা দিচ্ছেন। এটা জনগণের টাকা। আমরা এখন খবর দেখছি সরকারের লোকেরা প্রতিজনের কাছ থেকে ৫০০ টাকা রেখে দুই হাজার টাকা করে দিচ্ছেন। আবার যারা তালিকা করছেন, তাদের নিজস্ব লোক আত্মীয়স্বজনদের নাম তালিকায় দিচ্ছেন। গরিব মানুষের নাম তালিকায় থাকে না। তালিকা এমনভাবে করেন, যেন প্রতিষ্ঠানের মালিকের নাম আছে কর্মচারীর নাম নেই। এটি কোনো কাজ হতে পারে? তা হলে দেশ কোন পরিস্থিতি বিরাজ করছে একবার চিন্তা করুন।

রোববার সকালে ময়মনসিংহের পাগলা থানার পাইথাল ইউনিয়নে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. মোফাখখারুল ইসলাম রানার উদ্যোগে এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

রুহুল কবির রিজভী এ সময় বলেন, সারাদেশে দুর্ভিক্ষের ছায়া নেমে এসেছে। যারা দিন আনে দিন খায়, গরিব, অসহায়, কর্মহীন মানুষ তারা এখন অনেক কষ্টে আছেন। অথচ জনগণের টাকায় কেনা ত্রাণ চেয়ারম্যান-মেম্বার ও আওয়ামী লীগের নেতারা চুরি করছেন, আত্মসাৎ করছেন। কি অদ্ভুত ব্যাপার? মানুষ মরছে, হাহাকার করছে, কাজে যেতে পারছে না আর সরকারের লোকেরা ত্রাণ চুরি করছে।

প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নগদ অর্থ সহায়তার বিষয়ে তিনি বলেন, এটি তো জনগণের টাকা। সরকার কিংবা আওয়ামী লীগের টাকা নয়। মহাদুর্যোগের মধ্যেও গরিব অসহায় মানুষের টাকা আত্মসাৎ করা হলে তা হলে তারা কোথায় যাবে? তারা তো না খেয়ে মারা যাবে।

রিজভী বলেন, বাংলাদেশসহ ২১০ দেশে দুর্যোগ চলছে। চীনে জানুয়ারিতে করোনা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তখন থেকে আমাদের দেশে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া দরকার ছিল। বাংলাদেশ সরকার সেই পদক্ষেপ নেয়নি। অন্যান্য অনেক দেশ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়ায় তারা ভালো আছে। আর বাংলাদেশ পদক্ষেপ না নেয়ায় প্রতিদিন এক হাজারের বেশি লোক আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ জন লোক মারা যাচ্ছেন। সরকার করোনা নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।

তিনি বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা পকেটের টাকা দিয়ে সারাদেশে অসহায় গরিব মানুষকে ত্রাণ দিচ্ছেন। আমরা এমনিতেই বিপদে আছি। আমাদের রাস্তায় দেখলে গ্রেফতার করা হয়। গুম করে নিয়ে যায়। এই অবস্থার মধ্যেও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন– যতই বিপদ আসুক, অসহায় মানুষের পাশে থাকতে হবে। এ জন্য আমরা সারাদেশে সর্বদা মানুষের পাশে আছি এবং থাকব।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০