ঘূর্ণিঝড় আম্পান: সুন্দরবনে ঝুঁকিপূর্ণ ১০ বন অফিস বন্ধ
jugantor
ঘূর্ণিঝড় আম্পান: সুন্দরবনে ঝুঁকিপূর্ণ ১০ বন অফিস বন্ধ

  বাগেরহাট প্রতিনিধি  

১৯ মে ২০২০, ২২:১৭:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

সুন্দরবন

ধেয়ে আসা আম্পান নামের সুপার সাইক্লোনটিকে ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইড সুন্দরবন তার বুক পেতে দিয়ে এবার লোকালয়ের মানুষদের বহুলাংশে রক্ষা করতে চলেছে। সুন্দরবন বারবার তার বুক পেতে দিয়ে উপকূলের লাখ লাখ মানুষকে বাঁচিয়ে দিলেও এখনও এই ম্যানগ্রোভ বনের অনেক ফরেস্ট অফিস ঘূর্ণিঝড় সহনীয় নয়।

এ জন্য মঙ্গলবার সকালে সুন্দরবনের পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগের ঝুঁকিপূর্ণ ১০টি স্টেশন ও টহল ফাঁড়ি বন্ধ করে সব কর্মকর্তা-বনরক্ষীকে পার্শ্ববর্তী অফিসে সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।

একই সঙ্গে সুন্দরবনের সব কর্মকর্তা-বনরক্ষীকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছে বন বিভাগ।

এ সব ঝুঁকিপূর্ণ ১০টি স্টেশন ও টহল ফাঁড়ির মধ্যে রয়েছে কটকা, কচিকালী, শ্যালা, দুবলা, তাম্বুলবুনিয়া, কোকিলমুনি, হিরণ পয়েন্ট, পুষ্পকাটি, নুডাবেকী ও দোবাকী ফরেস্ট অফিস।

এ দিকে সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণসহ ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী রয়েছে ঝুঁকিতে। এ সব বন্যপ্রাণী রক্ষায় তৈরি করা হয়নি মাটির উঁচু টিলা বা কিল্লা। সুন্দরবনে মাটির টিলা না করায় সুন্দরবনে আঘাত হানা প্রতিটি ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাসের মারা পড়ে অনেক বন্যপ্রাণী।

সুন্দরবনের পূর্ব বনবিভাগের ডিএফও বেলায়েত হোসেন জানান, সুন্দরবনের পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগের ১০টি স্টেশন ও টহল ফাঁড়ির সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে পার্শ্ববর্তী বন অফিসে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুন্দরবনে অবস্থানরত সব কর্মচারীকে সর্তক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় আম্পান: সুন্দরবনে ঝুঁকিপূর্ণ ১০ বন অফিস বন্ধ

 বাগেরহাট প্রতিনিধি 
১৯ মে ২০২০, ১০:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সুন্দরবন
সুন্দরবন

ধেয়ে আসা আম্পান নামের সুপার সাইক্লোনটিকে ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইড সুন্দরবন তার বুক পেতে দিয়ে এবার লোকালয়ের মানুষদের বহুলাংশে রক্ষা করতে চলেছে। সুন্দরবন বারবার তার বুক পেতে দিয়ে উপকূলের লাখ লাখ মানুষকে বাঁচিয়ে দিলেও এখনও এই ম্যানগ্রোভ বনের অনেক ফরেস্ট অফিস ঘূর্ণিঝড় সহনীয় নয়।

এ জন্য মঙ্গলবার সকালে সুন্দরবনের পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগের ঝুঁকিপূর্ণ ১০টি স্টেশন ও টহল ফাঁড়ি বন্ধ করে সব কর্মকর্তা-বনরক্ষীকে পার্শ্ববর্তী অফিসে সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।

একই সঙ্গে সুন্দরবনের সব কর্মকর্তা-বনরক্ষীকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছে বন বিভাগ।

এ সব ঝুঁকিপূর্ণ ১০টি স্টেশন ও টহল ফাঁড়ির মধ্যে রয়েছে কটকা, কচিকালী, শ্যালা, দুবলা, তাম্বুলবুনিয়া, কোকিলমুনি, হিরণ পয়েন্ট, পুষ্পকাটি, নুডাবেকী ও দোবাকী ফরেস্ট অফিস। 

এ দিকে সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণসহ ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী রয়েছে ঝুঁকিতে। এ সব বন্যপ্রাণী রক্ষায় তৈরি করা হয়নি মাটির উঁচু টিলা বা কিল্লা। সুন্দরবনে মাটির টিলা না করায় সুন্দরবনে আঘাত হানা প্রতিটি ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাসের মারা পড়ে অনেক বন্যপ্রাণী।  

সুন্দরবনের পূর্ব বনবিভাগের ডিএফও বেলায়েত হোসেন জানান, সুন্দরবনের পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগের ১০টি স্টেশন ও টহল ফাঁড়ির সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে পার্শ্ববর্তী বন অফিসে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুন্দরবনে অবস্থানরত সব কর্মচারীকে সর্তক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস