শৈশবের দুরন্তপনা, ধানক্ষেতে ফুটবল!

  মো. রইছ উদ্দিন, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) ২১ মে ২০২০, ১৯:০৬:২০ | অনলাইন সংস্করণ

কোভিড-১৯ থাবায় খেলার মাঠগুলো ফাঁকা। বিদ্যালয়ের মাঠে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খেলাধুলা নেই। ফাঁকা মাঠে এবার জন্ম নিচ্ছে সবুজ ঘাস। ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ শিশু-কিশোরদের বাহিরে যাওয়া, বন্ধ স্কুল-কলেজ। মুক্ত মাঠে শিশুরা কবে যাবে, তাও অনিশ্চিত!

ঠিক সেই সময়ে দেখা মিলল বোকাইনগর ইউনিয়নের গড়পাড়া গ্রামে শিশুদের ধানক্ষেতে ফুটবল খেলা। পাকা ধান কাটার পর পরিত্যক্ত ধানক্ষেতে চলছে ‘শৈশবের দুরন্তপনা’।

কর্দমাক্ত পানিতে ফুটবল নিয়ে শিশুদের এ দৃশ্য দেখতেও চারদিকে দর্শকও হাজির হন। এমন দৃশ্য দেখা গেল বুধবার পড়ন্ত বিকালে। শিশুদের এ দুরন্তপনা দেখে সবাই হারিয়ে যায় শৈশবে।

উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কৃতী ফুটবলার মোয়াজ্জেম হোসেন এ প্রসঙ্গে বলেন, বন্দিদশা থেকে মুক্তি ডাক মনে হল শিশুদের এই ছুটাছুটি। এদের দুরন্তপনা দেখে আবার ফিরে যেতে ইচ্ছে হয় শৈশবে ফিরে যেতে।

খেলতে থাকা রফিক জানায়, বাড়িঘরে থাকতে থাকতে খুব খারাপ লাগছে। তাই একটু বের হয়েছি।

ওদেরও দল বিভক্ত রয়েছে। উত্তর আর দক্ষিণ। আছে দলনেতাও। উত্তরের আশরাফুল আর দক্ষিণের দেলোয়ার হোসেন হল দলনেতা।

এদিকে এ প্রতিনিধি ক্যামেরা বের করতেই শিশুরা ভয়ে ছুটতে থাকে বাড়ির দিকে। করোনাভাইরাসের কারণে বাহিরে বের হওয়া নিষেধ, করোনাভাইরাসের এ ভয় আর আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না। এলাকার লোকজন তাদের আশ্বস্ত করে আবারও খেলার মাঠে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। শিশুদের এ দুরন্তপনা অবশ্য দর্শক সারিতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা প্রত্যেকেই নিয়ে যায় তাদের শৈশবে।

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র আইনুল হকের প্রশ্ন, স্যার আমরা কবে স্কুলে যাব, বন্ধুদের নিয়ে খেলতে পারব!

যদিও এ প্রশ্নের উত্তর কারো জানা নেই। তবে নতুন সূর্যোদয়ে আসুক মুক্তির-এটাই সবার প্রত্যাশা।

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও
 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত