শ্রীমঙ্গলে আরও ৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত 
jugantor
শ্রীমঙ্গলে আরও ৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত 

  শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি  

২৪ মে ২০২০, ০১:১২:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে করোনাভাইরাসে নতুন করে আরও চারজন আক্রান্ত হয়েছেন।এ নিয়ে উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১০ জনে।

শনিবার সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে স্থাপিত পিসিআর ল্যাবের পরীক্ষা থেকে তাদের করোনা শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তবে এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত ফুলছড়া চা বাগানের এক শ্রমিকের মেয়ে কলেজছাত্রীর পরবর্তীতে দুইবার নমুনা পরীক্ষার পর বর্তামানে ফলাফল নেগেটিভ এসেছে।

আক্রান্ত চারজন হলেন- উপজেলার আশিদ্রোন ইউনিয়নের দক্ষিণ টিকরিয়া গ্রামের রঞ্জিত দেবনাথের ছেলে রাহুল দেবনাথ (২৫)। তিনি শহরের কলেজ রোডের একটি ফার্মেসিতে চাকরি করেন।

আক্রান্ত আরেজন হলেন, একই গ্রামের মনোরঞ্জন দেবনাথের ছেলে মন্তুস দেবনাথ (৪০)। তিনি শহরের নতুন বাজার শাহপরান চালের আড়তের ম্যানেজার বলে জানা যায়।

অপর আক্রান্ত ব্যক্তি হলেন, শহরের মাস্টারপাড়া এলাকার সুব্রত মন্ডল (৩০), তিনি শহরের ভানুগাছ সড়কে মেঘনা তেল ডিপোতে চাকরি করেন।

এছাড়া আক্রান্ত আরেকজন হলেন, শহরের আছদ্দর আলী রোডের বাসিন্দা পৌরসভার ৮ নাম্বার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি ও মক্কা মার্কেটের ব্যবসায়ী আনা মিয়া (৫২)।

তাদের করোনা উপসর্গ দেখা দিলে খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে গত ১৯ মে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে সিলেট ল্যাবে পাঠানো হয়। শনিবার রাতে তাদের রিপোর্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে পৌঁছে, এতে ওই চারজনের করোনা পজিটিভ এসে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে রাতেই আমরা আক্রান্তদের বাড়ি, কলেজ ও গদার বাজার সংলগ্ন সোনা মিয়া রোডের দুইটি ফার্মেসী লকডাউন ঘোষণা করি এবং সবার পরিবারকে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিয়ে এসেছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী যুগান্তরকে জানান,আক্রান্তদের পরিবারসহ আশপাশের কয়েকজন ব্যক্তিকে হোম কোয়ারিন্টিনে থাকতে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে সিলেট পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য,এ নিয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১০ জনে দাঁড়াল। তবে একজন চা শ্রমিকের মেয়ে কলেজ ছাত্রী এরিমধ্যে করোনা মুক্ত ছাড়পত্র পেয়েছেন।

শ্রীমঙ্গলে আরও ৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত 

 শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি 
২৪ মে ২০২০, ০১:১২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে করোনাভাইরাসে নতুন করে আরও চারজন আক্রান্ত হয়েছেন।এ নিয়ে উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১০ জনে। 

শনিবার সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে স্থাপিত পিসিআর ল্যাবের পরীক্ষা থেকে তাদের করোনা শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তবে এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত ফুলছড়া চা বাগানের এক শ্রমিকের মেয়ে কলেজছাত্রীর পরবর্তীতে দুইবার নমুনা পরীক্ষার পর বর্তামানে ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। 

আক্রান্ত চারজন হলেন- উপজেলার আশিদ্রোন ইউনিয়নের দক্ষিণ টিকরিয়া গ্রামের রঞ্জিত দেবনাথের ছেলে রাহুল দেবনাথ (২৫)। তিনি শহরের কলেজ রোডের একটি ফার্মেসিতে চাকরি করেন। 

আক্রান্ত আরেজন হলেন, একই গ্রামের মনোরঞ্জন দেবনাথের ছেলে মন্তুস দেবনাথ (৪০)। তিনি শহরের নতুন বাজার শাহপরান চালের আড়তের ম্যানেজার বলে জানা যায়। 

অপর আক্রান্ত ব্যক্তি হলেন, শহরের মাস্টারপাড়া এলাকার সুব্রত মন্ডল (৩০), তিনি শহরের ভানুগাছ সড়কে মেঘনা তেল ডিপোতে চাকরি করেন। 

এছাড়া আক্রান্ত আরেকজন হলেন, শহরের আছদ্দর আলী রোডের বাসিন্দা পৌরসভার ৮ নাম্বার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি ও মক্কা মার্কেটের ব্যবসায়ী আনা মিয়া (৫২)।

তাদের করোনা উপসর্গ দেখা দিলে খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে গত ১৯ মে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে সিলেট ল্যাবে পাঠানো হয়। শনিবার রাতে তাদের রিপোর্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে পৌঁছে, এতে ওই চারজনের করোনা পজিটিভ এসে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে রাতেই আমরা আক্রান্তদের বাড়ি, কলেজ ও গদার বাজার সংলগ্ন সোনা মিয়া রোডের দুইটি ফার্মেসী লকডাউন ঘোষণা করি এবং সবার পরিবারকে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিয়ে এসেছি। 

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী যুগান্তরকে জানান,আক্রান্তদের পরিবারসহ আশপাশের কয়েকজন ব্যক্তিকে হোম কোয়ারিন্টিনে থাকতে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে সিলেট পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য,এ নিয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১০ জনে দাঁড়াল। তবে একজন চা শ্রমিকের মেয়ে কলেজ ছাত্রী এরিমধ্যে করোনা মুক্ত ছাড়পত্র পেয়েছেন।