হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের বিরিয়ানি খাওয়ালেন আ’লীগ নেতা
jugantor
হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের বিরিয়ানি খাওয়ালেন আ’লীগ নেতা

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি  

২৫ মে ২০২০, ২৩:৩৩:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে রোগীদের স্বজনদের মাঝে খাবার বিতরণ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা।

সোমবার দুপুরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ২০০ জনের মাঝে ‘বিরিয়ানি’ বিতরণ করেন তিনি।

জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক চৌধুরী আফজাল হোসেন নিসারের উদ্যোগে এই খাবার বিতরণ করা হয়। এর আগে রমজান মাসে হাসপাতালে আগত রোগীর স্বজনদের জন্য সেহরির ব্যবস্থাও করেন তিনি।

খাবার বিতরণের সময় জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক তানভীর চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এই ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক চৌধুরী আফজাল হোসেন নিসার বলেন, অন্তত ঈদের দিন রোগীর স্বজনরা যেন ভালো খাবার খেতে পারেন সেজন্য আমার এ প্রচেষ্টা। লকডাউনের কারণে দোকানপাট সবকিছু বন্ধ রয়েছে। ফলে ঈদের দিনও রোগীর স্বজনরা চাইলে হোটেল থেকে কিছু কিনে খেতে পারবেন না। সেজন্য আমি খাবারের ব্যবস্থা করেছি। এতে করে অন্তত একবেলা হলেও তারা ভালোভাবে খেতে পারবেন।

হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের বিরিয়ানি খাওয়ালেন আ’লীগ নেতা

 ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি 
২৫ মে ২০২০, ১১:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে রোগীদের স্বজনদের মাঝে খাবার বিতরণ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা।

সোমবার দুপুরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ২০০ জনের মাঝে ‘বিরিয়ানি’ বিতরণ করেন তিনি।

জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক চৌধুরী আফজাল হোসেন নিসারের উদ্যোগে এই খাবার বিতরণ করা হয়। এর আগে রমজান মাসে হাসপাতালে আগত রোগীর স্বজনদের জন্য সেহরির ব্যবস্থাও করেন তিনি।

খাবার বিতরণের সময় জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক তানভীর চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এই ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক চৌধুরী আফজাল হোসেন নিসার বলেন, অন্তত ঈদের দিন রোগীর স্বজনরা যেন ভালো খাবার খেতে পারেন সেজন্য আমার এ প্রচেষ্টা। লকডাউনের কারণে দোকানপাট সবকিছু বন্ধ রয়েছে। ফলে ঈদের দিনও রোগীর স্বজনরা চাইলে হোটেল থেকে কিছু কিনে খেতে পারবেন না। সেজন্য আমি খাবারের ব্যবস্থা করেছি। এতে করে অন্তত একবেলা হলেও তারা ভালোভাবে খেতে পারবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস