হুইল চেয়ারে অংশ নেয়া প্রতিবন্ধী আরিফের এসএসসি জয়
jugantor
হুইল চেয়ারে অংশ নেয়া প্রতিবন্ধী আরিফের এসএসসি জয়

  অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি  

০১ জুন ২০২০, ০০:০৮:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে হুইল চেয়ারে অংশ নেয়া অংশ নেয়া প্রতিবন্ধী সেই আরিফ হোসেন জিপিএ-৩.৫৬ পেয়েছেন।

যশোর শিক্ষাবোর্ডের আওতায় উপজেলার একতারপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। পরীক্ষা চলাকালে সময়ে প্রচণ্ড জ্বর-শ্বাসকষ্ট নিয়ে প্রতিবন্ধী আরিফ স্কুলের বারান্দায় হুইল চেয়ারে বসে পরীক্ষা দেয়।

পরীক্ষা চলাকালে যুগান্তরের অনলাইনে তার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হলে যশোর শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ প্রতিবন্ধী আরিফ হোসেনকে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থী হিসেবে বিবেচনায় নেয়।

প্রতিবন্ধী আরিফের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একতারপুর গ্রামের গরীব কৃষক আসমত আলী মুন্সির পুত্র মো. আরিফ হোসেন ৭ বছর বয়সে শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী হয়ে পড়ে। তার দুটি পা অকেজো হয়ে পড়ে। সে নিজে হাঁটাচলা করতে পারে না। তাকে হুইল চেয়ারে বসে চলাফেরা করতে হয়।

মো. আরিফ হোসেনের পিতা আসমত আলী যুগান্তরকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ওই সময়ে দৈনিক যুগান্তরে সংবাদ ও ভিডিও প্রকাশের পর আমার ছেলেটি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীর আওতায় আসে। আমার প্রতিবন্ধী ছেলেটি পরীক্ষায় পাস করেছে, এতে আমার পরিবার ভীষণ খুশি।

আরিফের মাতা নাছিমা খাতুন বলেন, পরীক্ষায় সময় তাকে ইজিবাইকযোগে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হতো। ইজিবাইক থেকে কোলে করে হুইল চেয়ারে বসানো হতো। আমার ছেলেটি পাস করেছে, তার জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।

একতারপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সচ্চিদানন্দ অধিকারী জানান, আমার বিদ্যালয় থেকে অংশ নেয়া বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন আরিফ হোসেন এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছে। এতে আমাদের বিদ্যালয়ের সব শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা খুশি।

হুইল চেয়ারে অংশ নেয়া প্রতিবন্ধী আরিফের এসএসসি জয়

 অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি 
০১ জুন ২০২০, ১২:০৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে হুইল চেয়ারে অংশ নেয়া অংশ নেয়া প্রতিবন্ধী সেই আরিফ হোসেন জিপিএ-৩.৫৬ পেয়েছেন।

যশোর শিক্ষাবোর্ডের আওতায় উপজেলার একতারপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। পরীক্ষা চলাকালে সময়ে প্রচণ্ড জ্বর-শ্বাসকষ্ট নিয়ে প্রতিবন্ধী আরিফ স্কুলের বারান্দায় হুইল চেয়ারে বসে পরীক্ষা দেয়।

পরীক্ষা চলাকালে যুগান্তরের অনলাইনে তার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হলে যশোর শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ প্রতিবন্ধী আরিফ হোসেনকে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থী হিসেবে বিবেচনায় নেয়।

প্রতিবন্ধী আরিফের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একতারপুর গ্রামের গরীব কৃষক আসমত আলী মুন্সির পুত্র মো. আরিফ হোসেন ৭ বছর বয়সে শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী হয়ে পড়ে। তার দুটি পা অকেজো হয়ে পড়ে। সে নিজে হাঁটাচলা করতে পারে না। তাকে হুইল চেয়ারে বসে চলাফেরা করতে হয়।

মো. আরিফ হোসেনের পিতা আসমত আলী যুগান্তরকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ওই সময়ে দৈনিক যুগান্তরে সংবাদ ও ভিডিও প্রকাশের পর আমার ছেলেটি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীর আওতায় আসে। আমার প্রতিবন্ধী ছেলেটি পরীক্ষায় পাস করেছে, এতে আমার পরিবার ভীষণ খুশি।

আরিফের মাতা নাছিমা খাতুন বলেন, পরীক্ষায় সময় তাকে ইজিবাইকযোগে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হতো। ইজিবাইক থেকে কোলে করে হুইল চেয়ারে বসানো হতো। আমার ছেলেটি পাস করেছে, তার জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।

একতারপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সচ্চিদানন্দ অধিকারী জানান, আমার বিদ্যালয় থেকে অংশ নেয়া বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন আরিফ হোসেন এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছে। এতে আমাদের বিদ্যালয়ের সব শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা খুশি।

 

ঘটনাপ্রবাহ : এসএসসি পরীক্ষা-২০২০