ভোলায় স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই ছাড়ল ওয়াটারবাস
jugantor
ভোলায় স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই ছাড়ল ওয়াটারবাস

  ভোলা প্রতিনিধি  

০১ জুন ২০২০, ০০:১৬:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে রোববার দুপুর ২টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া চেয়ার কোচ ওয়াটারবাস গ্রিন লাইন-২ সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার অভিযোগ উঠেছে। পাশের একটি সিট ফাঁকা রেখে যাত্রী বসানোর কথা থাকলেও এমন নীতি মানতে নারাজ ওই গ্রিন লাইন স্টাফরা।

বিআইডব্লিউটিএর সহকারী পরিচালক মো. কামরুজ্জামান জানান, বিষয়টির সত্যতা পেয়ে তারা ঢাকায় তাদের দফতরে লিখিতভাবে জানান। তবে গ্রিনলাইনে উঠতে ও নামতে যাত্রীদের তাপমাত্রা ডিজিটাল থার্মাল মিটারে পরীক্ষা করতে দেখা যায়।

অপরদিকে সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া অপর ওয়াটারবাস অ্যাডভাঞ্জারে নিয়মনীতি মেনে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়ে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা। ৭০০ যাত্রীর পরিবর্তে তারা ৩০৫ যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায়। তবে টিকেট কেটে যেতে না পেরে ঘাটেই অনেক যাত্রী বিক্ষোভ করেন। ক্ষোভ জানান অনেকেই। আবার কিছুদূর গিয়ে নদীতে থামিয়ে ট্রলারযোগে আসা যাত্রীদের অ্যাডভাঞ্জারে ওঠতে দেখা যায়।

এদিকে স্বাস্থ্যবিধি না মানার অভিযোগ উঠেছে বরিশাল ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটের লঞ্চ ও সিট্রাকের বিরুদ্ধেও। একই অবস্থা ছিল ভোলার ইলিশা ও লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরী ঘাট রুটের ফেরি চলাচলের ক্ষেত্রে।

গ্রিন লাইনের ভোলার দায়িত্বে থাকা রনি বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা জানান, তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ২০ ভাগ যাত্রী কম নিয়ে নৌযানটি ছেড়েছেন।

ভোলায় স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই ছাড়ল ওয়াটারবাস

 ভোলা প্রতিনিধি 
০১ জুন ২০২০, ১২:১৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে রোববার দুপুর ২টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া চেয়ার কোচ ওয়াটারবাস গ্রিন লাইন-২ সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার অভিযোগ উঠেছে। পাশের একটি সিট ফাঁকা রেখে যাত্রী বসানোর কথা থাকলেও এমন নীতি মানতে নারাজ ওই গ্রিন লাইন স্টাফরা।

বিআইডব্লিউটিএর সহকারী পরিচালক মো. কামরুজ্জামান জানান, বিষয়টির সত্যতা পেয়ে তারা ঢাকায় তাদের দফতরে লিখিতভাবে জানান। তবে গ্রিনলাইনে উঠতে ও নামতে যাত্রীদের তাপমাত্রা ডিজিটাল থার্মাল মিটারে পরীক্ষা করতে দেখা যায়।

অপরদিকে সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া অপর ওয়াটারবাস অ্যাডভাঞ্জারে নিয়মনীতি মেনে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়ে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা। ৭০০ যাত্রীর পরিবর্তে তারা ৩০৫ যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায়। তবে টিকেট কেটে যেতে না পেরে ঘাটেই অনেক যাত্রী বিক্ষোভ করেন। ক্ষোভ জানান অনেকেই। আবার কিছুদূর গিয়ে নদীতে থামিয়ে ট্রলারযোগে আসা যাত্রীদের অ্যাডভাঞ্জারে ওঠতে দেখা যায়।

এদিকে স্বাস্থ্যবিধি না মানার অভিযোগ উঠেছে বরিশাল ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটের লঞ্চ ও সিট্রাকের বিরুদ্ধেও। একই অবস্থা ছিল ভোলার ইলিশা ও লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরী ঘাট রুটের ফেরি চলাচলের ক্ষেত্রে।

গ্রিন লাইনের ভোলার দায়িত্বে থাকা রনি বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা জানান, তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ২০ ভাগ যাত্রী কম নিয়ে নৌযানটি ছেড়েছেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস