ভারতে বাসে দূরত্ববিধির বালাই নেই, বাড়ছে সংক্রমণ

  অনলাইন ডেস্ক ০২ জুন ২০২০, ০৯:১০:৪০ | অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতেও সোমবার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্তে চালু করা হয় বাস চলাচল। যত আসন তত যাত্রী, তবে কেউ দাঁড়াতে পারবেন না- এই বিধি মেনে ভারতের শহরগুলোতে বাস চলার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা আর মানা হয়নি।


এতে প্রচণ্ড স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছে দেশটি। বাংলাদেশেও সোমবার বাস চালুর প্রথম দিনে দেখা গেছে একই চিত্র। এখানে যাত্রী অর্ধেক নেয়ার কথা থাকলেও কোনো কোনো স্থানে যাত্রীও দ্বিগুণ, ভাড়াও দ্বিগুণ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।


ভারতে সরকারি বাসের সঙ্গে পথে নামার কথা ছিল বেসরকারি বাসেরও। কিন্তু এদিন কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণে অফিসের সময়ে বেসরকারি বাস প্রায় চোখে পড়েনি।


সরকারি বাস প্রথম দিনে যেসব বেরিয়েছে, অফিসের সময়ে সেগুলোতে যাত্রীরা দাঁড়িয়েই গেছেন। অফিসমুখো ভিড়ের দাপটে বাসের মধ্যে দূরত্ববিধি শিকেয় উঠেছে। আশঙ্কা বেড়েছে সংক্রমণের।


পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এ প্রসঙ্গে বলেন, এই সমস্যার ধীরে ধীরে সমাধান হবে। তবে মেট্রো ও লোকাল ট্রেন না চললে পুরো সমাধান হয়তো হবে না। সোমবার বৃহত্তর কলকাতায় ৩৬০টি সরকারি বাস চালিয়েছি। বুধবারের মধ্যে ৬০০টি বাস চালাব। ৮ জুনের মধ্যে ১২০০ বাস রাস্তায় নামাব। ১৭টি রুটের বেসরকারি বাসও এদিন রাস্তায় নেমেছে।


সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় কলকাতার ভিআইপি রোডের এক নম্বর গেট বাসস্ট্যান্ডে দেখা গেছে অফিসযাত্রীদের ভিড়। কিন্তু বাস নেই।


অফিসযাত্রীরা জানান, কেউ দাঁড়িয়ে আছেন এক ঘণ্টা, কেউ দাঁড়িয়ে রয়েছেন তারও বেশি সময় ধরে। তাদের অভিযোগ, একটি কী দুটি বাসের দেখা মিললেও সেগুলোতে আসন ভর্তি হয়ে যাওয়ায় বাস স্টপে দাঁড়াচ্ছে না।


ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল ১০টার পর। অফিসযাত্রীরা জানিয়ে দিলেন, এবার তারা রাস্তা অবরোধ করে বাস আটকাবেন। ১০টা ১০ মিনিটে বারাসত থেকে উল্টোডাঙাগামী বাস আসতেই ঝাঁপিয়ে পড়লেন অফিসযাত্রীরা।


কন্ডাক্টর বাধা দেয়ার চেষ্টা করলেন ঠিকই, কিন্তু সে তো নিতান্ত বালির বাঁধ। হুড়মুড় করে যাত্রীরা উঠে পড়লেন বাসে। অগত্যা! যাত্রীরা দাঁড়িয়ে থাকলেও বাস রওনা হলো উল্টোডাঙার দিকে।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: jugant[email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত