রেড জোন: দ্বিতীয় দিনে কক্সবাজার শহরজুড়ে মানুষের ভিড়

  শফিউল্লাহ শফি, কক্সবাজার ০৭ জুন ২০২০, ২০:৪৬:১৫ | অনলাইন সংস্করণ

পর্যটন নগরী কক্সবাজারের পৌর এলাকাকে ’রেড জোন’ ঘোষণার পর দ্বিতীয় দিনের মতো লকডাউন অতিবাহিত হয়েছে। তবে প্রথম দিন শনিবার পুরো শহর জনমানবশূন্য দেখা গেলেও রোববার শহরজুড়ে মানুষের ভিড় দেখা গেছে।

জানা গেছে, কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সপ্তাহে রোববার ও বৃহস্পতিবার দুইদিন শহরের মুদির দোকান ও কাঁচাবাজার খোলা রয়েছে। যে কারণে রোববার সকাল থেকে মুদির দোকান ও কাঁচাবাজারে মানুষের ব্যাপক ভিড় হয়েছে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে বাজারে আসা ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেন জানান, সপ্তাহে দুইদিন বাজার খোলা রাখার কারণে কয়েকদিনের প্রয়োজনীয় মালামাল কিনে রাখতে হচ্ছে। কিন্তু বাজারে এসে দেখলাম মানুষের প্রচুর ভিড়।

তিনি আরও জানান, কাঁচাবাজার ও মুদির দোকান খোলা ছাড়া শহরের অলি-গলিতেও আর কোনো দোকান খোলা না থাকায় এবারের লকডাউন অনেকটা সফল হচ্ছে।

ব্যাংকার শাহাদৎ হোসেন জানান, শুক্রবার কক্সবাজার পৌর এলাকাকে রেড জোন ঘোষণার পর শনিবার সকাল থেকে পুরো এলাকা জনমানবশূন্য ছিল। কোথাও কোনো প্রকার জনসমাগম ছিল না। কিন্তু রোববার কাঁচাবাজার, ব্যাংক ও মুদির দোকান খোলা থাকায় মানুষের ভিড় বেড়েছে।

সূত্র মতে, বিগত দুই থেকে আড়াই মাস সরকারের লকডাউন কক্সবাজারে তেমন কার্যক্রম প্রভাব ফেলতে না পারায় প্রতিদিনই উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে করোনা সংক্রমণের রোগী। বর্তমানে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক হাজার। রোগীর ক্রমানুসারে কক্সবাজার সদর ও চকরিয়ায় করোনার প্রাদুর্ভাব বেশি। ফলে কক্সবাজার পৌরসভাসহ জেলার কয়েকটি এলাকাকে ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। শুক্রবার বিকাল থেকে চিহ্নিত এ সব এলাকায় আগামী ২০ জুন পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছেন জেলা প্রশাসক।

সূত্র মতে, ‘রেড জোন’ ঘোষিত এলাকা থেকে কেউ যেমন বাইরে যেতে পারবেন না, তেমন প্রবেশও করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও জেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

তিনি বলেন, ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলো সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনের তাগিদে রোববার মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে বাড়ির বের হয়েছে। তবে লোকজনকে যতটুকু সম্ভব সচেতন করার চেষ্টা চলছে।

কক্সবাজার জেলায় ৯৯১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ২৩ জন। ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পও রয়েছে ঝুঁকিতে। ইতিমধ্যে একজন রোহিঙ্গা মারা গেছেন, ৩০ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত