করোনায় মৃত সরকারি কর্মকর্তার স্ত্রীর লাশ ফেলে পালাল স্বজন-ইমাম-মুয়াজ্জিন
jugantor
করোনায় মৃত সরকারি কর্মকর্তার স্ত্রীর লাশ ফেলে পালাল স্বজন-ইমাম-মুয়াজ্জিন

  মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

০৭ জুন ২০২০, ২২:৪৬:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে করোনায় মৃত ব্যক্তির লাশ ফেলে পালিয়ে গেছে স্বজনরা। এতে লাশ দাফন বহন এবং জানাজা নিয়ে দেখা দেয় সংকট। মসজিদের খাটিয়া দিতে এবং জানাজা পড়াতে অপারগতা প্রকাশ করে স্থানীয় মসজিদের ইমাম সাহেবও পালিয়ে গেলেন।

এমন নির্মমতার খবর আসে স্থানীয় সংসদ সদস্য ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএর কাছে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে প্রেরণ করেন এ উপজেলায় করোনায় এবং উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের দাফনকারী যুবলীগের টিমকে। পরে সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে অবশেষে জানাজা লাশ দাফন-কাফন করেন এমপির পাঠানো যুবলীগের টিম।

শনিবার গভীর রাতে উপজেলার কামারচর এলাকায় এমন নির্মম ঘটনা ঘটে। আর এ বিষয়টি রোববার সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক ভাইরাল হয় ঘটনাটি।

জানা যায়, কামাল্লা ইউনিয়নের কামারচর গ্রামের এক প্রভাবশালী সরকারি কর্মকর্তার স্ত্রী করোনা পজিটিভ নিয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান। পরে তার এক স্বজন ঢাকা থেকে লাশ বহনকারী একটি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে বিকালে তার বাবার বাড়ি কামারচরে নিয়ে আসেন। কিন্তু সেই লাশ দাফন তো দূরের কথা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের খবর পেয়ে পালিয়ে যায় ওই নারীর স্বজনরা। আর সেই সঙ্গে পালিয়ে যায় মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন।

এ দিকে লাশ বহনের খাটিয়া না পেয়ে যুবলীগ নেতাকর্মীরা অ্যাম্বুলেন্সের স্ট্রেচারে করেই জানাজাসহ সব কাজ সম্পাদন করেন। পরে গভীর রাতে লাশ দাফন করা হয়।

উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন বলেন, সংসদ সদস্য ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএর মানবিক নির্দেশনায় আমরা করোনা আক্রান্ত এবং উপসর্গ নিয়ে মৃতদের দাফনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। এ ক্ষেত্রে অনেক সময় আমাদের কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়। যত চ্যালেঞ্জই হোক আমরা এ কাজ চালিয়ে যাব।

করোনায় মৃত সরকারি কর্মকর্তার স্ত্রীর লাশ ফেলে পালাল স্বজন-ইমাম-মুয়াজ্জিন

 মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
০৭ জুন ২০২০, ১০:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে করোনায় মৃত ব্যক্তির লাশ ফেলে পালিয়ে গেছে স্বজনরা। এতে লাশ দাফন বহন এবং জানাজা নিয়ে দেখা দেয় সংকট। মসজিদের খাটিয়া দিতে এবং জানাজা পড়াতে অপারগতা প্রকাশ করে স্থানীয় মসজিদের ইমাম সাহেবও পালিয়ে গেলেন।

এমন নির্মমতার খবর আসে স্থানীয় সংসদ সদস্য ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএর কাছে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে প্রেরণ করেন এ উপজেলায় করোনায় এবং উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের দাফনকারী যুবলীগের টিমকে। পরে সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে অবশেষে জানাজা লাশ দাফন-কাফন করেন এমপির পাঠানো যুবলীগের টিম।

শনিবার গভীর রাতে উপজেলার কামারচর এলাকায় এমন নির্মম ঘটনা ঘটে। আর এ বিষয়টি রোববার সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক ভাইরাল হয় ঘটনাটি।

জানা যায়, কামাল্লা ইউনিয়নের কামারচর গ্রামের এক প্রভাবশালী সরকারি কর্মকর্তার স্ত্রী করোনা পজিটিভ নিয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান। পরে তার এক স্বজন ঢাকা থেকে লাশ বহনকারী একটি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে বিকালে তার বাবার বাড়ি কামারচরে নিয়ে আসেন। কিন্তু সেই লাশ দাফন তো দূরের কথা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের খবর পেয়ে পালিয়ে যায় ওই নারীর স্বজনরা। আর সেই সঙ্গে পালিয়ে যায় মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন।

এ দিকে লাশ বহনের খাটিয়া না পেয়ে যুবলীগ নেতাকর্মীরা অ্যাম্বুলেন্সের স্ট্রেচারে করেই জানাজাসহ সব কাজ সম্পাদন করেন। পরে গভীর রাতে লাশ দাফন করা হয়।

উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন বলেন, সংসদ সদস্য ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএর মানবিক নির্দেশনায় আমরা করোনা আক্রান্ত এবং উপসর্গ নিয়ে মৃতদের দাফনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। এ ক্ষেত্রে অনেক সময় আমাদের কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়। যত চ্যালেঞ্জই হোক আমরা এ কাজ চালিয়ে যাব।