কাছে আসেননি স্বজনরা, লাশ দাফন করল পুলিশ
jugantor
কাছে আসেননি স্বজনরা, লাশ দাফন করল পুলিশ

  কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১২ জুন ২০২০, ১২:৪৪:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা
ছবি-যুগান্তর

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বলুগ্রামে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া আফরোজা বেগম (৪০) নামে এক নারীর লাশের কাছে আসেননি আত্মীয়স্বজনরা। লাশ দাফনেও বাধা দিয়েছেন এলাকাবাসী। 

তবে কেউ লাশ দাফনে এগিয়ে না এলেও খবর পেয়ে এগিয়ে এসেছে পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কাশিয়ানী থানার এক দল পুলিশ ছুটে যায় ওই গ্রামে। এলাকাবাসীকে বুঝিয়ে কবর খনন শুরু করেন। 

পরে স্থানীয় মসজিদের এক ইমামকে ডেকে জানাজার পড়িয়ে স্থানীয় কবরস্থানে ওই নারীর লাশ দাফন করেন তারা। 

মৃত আফরোজা বেগম উপজেলার বলুগ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের মেয়ে। তার স্বামীর বাড়ি সাতক্ষীরায়।

কাশিয়ানী থানার এএসআই আসাদুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, মারা যাওয়া ওই নারী দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর বাড়ি সাতক্ষীরায় কিডনিজনিত রোগে ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বলুগ্রামে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসা হলে বিকালে তিনি মারা যান। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এমন সন্দেহে আত্মীয়স্বজনরা তার কাছে আসেননি এবং গ্রামবাসী লাশ দাফনে বাধা দেন। খবর পেয়ে আমরা ওই গ্রামে গিয়ে তার দাফন সম্পন্ন করি।

কাশিয়ানী থানার ওসি মো. আজিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমার যেসব পুলিশ সদস্য করোনা ভয়কে উপেক্ষা করে লাশ দাফনে ছুটে গিয়েছিলেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। পুলিশ যে জনগণের বন্ধু এটিই তার দৃষ্টান্ত।’

কাছে আসেননি স্বজনরা, লাশ দাফন করল পুলিশ

 কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১২ জুন ২০২০, ১২:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
করোনা
ছবি-যুগান্তর

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বলুগ্রামে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া আফরোজা বেগম (৪০) নামে এক নারীর লাশের কাছে আসেননি আত্মীয়স্বজনরা। লাশ দাফনেও বাধা দিয়েছেন এলাকাবাসী।

তবে কেউ লাশ দাফনে এগিয়ে না এলেও খবর পেয়ে এগিয়ে এসেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কাশিয়ানী থানার এক দল পুলিশ ছুটে যায় ওই গ্রামে। এলাকাবাসীকে বুঝিয়ে কবর খনন শুরু করেন।

পরে স্থানীয় মসজিদের এক ইমামকে ডেকে জানাজার পড়িয়ে স্থানীয় কবরস্থানে ওই নারীর লাশ দাফন করেন তারা।

মৃত আফরোজা বেগম উপজেলার বলুগ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের মেয়ে। তার স্বামীর বাড়ি সাতক্ষীরায়।

কাশিয়ানী থানার এএসআই আসাদুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, মারা যাওয়া ওই নারী দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর বাড়ি সাতক্ষীরায় কিডনিজনিত রোগে ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বলুগ্রামে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসা হলে বিকালে তিনি মারা যান। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এমন সন্দেহে আত্মীয়স্বজনরা তার কাছে আসেননি এবং গ্রামবাসী লাশ দাফনে বাধা দেন। খবর পেয়ে আমরা ওই গ্রামে গিয়ে তার দাফন সম্পন্ন করি।

কাশিয়ানী থানার ওসি মো. আজিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমার যেসব পুলিশ সদস্য করোনা ভয়কে উপেক্ষা করে লাশ দাফনে ছুটে গিয়েছিলেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। পুলিশ যে জনগণের বন্ধু এটিই তার দৃষ্টান্ত।’

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস