মেস ভাড়া ৫০ শতাংশ মওকুফের দাবি
jugantor
মেস ভাড়া ৫০ শতাংশ মওকুফের দাবি

  রাজশাহী ব্যুরো  

১৪ জুন ২০২০, ১৮:২৪:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

মেস ভাড়া ৫০ শতাংশ মওকুফের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) সংসদ। রোববার সংগঠনটি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশে করোনা মহামারীতে যখন মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে, নিজের জীবন দিয়ে লড়ছে তখন মরার উপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো শিক্ষার্থীদের উপর মেস ভাড়া চাপানো হচ্ছে। মেসে না থেকেও মাসে মাসে ভাড়া গুনতে হচ্ছে। করোনাকালীন ন্যূনতম ৫০ শতাংশ মওকুফ করতে হবে।

এ ছাড়া যদি অর্ধেক মেস ভাড়া প্রদান করতেও কারো সমস্যা হয়, সে ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোষাগার/ ছাত্রকল্যাণ তহবিল /এলামনাই ও শিক্ষকদের সহযোগিতার ফান্ড গঠন করে মেস ভাড়ার জন্য অর্থ সহযোগিতা দেয়ার আহ্বান জানান নেতারা।

রাবি শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি শাকিলা খাতুন যুগান্তরকে বলেন, লকডাউনে অর্থনৈতিকভাবে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অধিকাংশই মধ্যবিত্ত পরিবারের। অন্যদিকে কমসংখ্যক মেস মালিকই আছেন, যারা মেসের ভাড়ার টাকা দিয়ে সংসার চালান। এমতাবস্থায় শিক্ষার্থীদের বিবেচনায় নিয়ে শতকরা ৫০ ভাগ মেস ভাড়া নিলে দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব হবে। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

রাবি প্রক্টর প্রফেসর ড. লুৎফর যুগান্তরকে বলেন, যখন করোনার কারণে পুরো পৃথিবী ক্ষতিগ্রস্ত, ঠিক সে সময় শিক্ষার্থীরা মেসে চার-পাঁচ মাস না থেকেও পুরো ভাড়া নেয়াটা চরম অমানবিক। সুতরাং মেস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ জানাব, পূর্ণ ভাড়া যেন না নেয়া হয়। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অসহায় দরিদ্র শিক্ষার্থী সমস্যায় থাকলে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

মেস ভাড়া ৫০ শতাংশ মওকুফের দাবি

 রাজশাহী ব্যুরো 
১৪ জুন ২০২০, ০৬:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মেস ভাড়া ৫০ শতাংশ মওকুফের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) সংসদ। রোববার সংগঠনটি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশে করোনা মহামারীতে যখন মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে, নিজের জীবন দিয়ে লড়ছে তখন মরার উপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো শিক্ষার্থীদের উপর মেস ভাড়া চাপানো হচ্ছে। মেসে না থেকেও মাসে মাসে ভাড়া গুনতে হচ্ছে। করোনাকালীন ন্যূনতম ৫০ শতাংশ মওকুফ করতে হবে।

এ ছাড়া যদি অর্ধেক মেস ভাড়া প্রদান করতেও কারো সমস্যা হয়, সে ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোষাগার/ ছাত্রকল্যাণ তহবিল /এলামনাই ও শিক্ষকদের সহযোগিতার ফান্ড গঠন করে মেস ভাড়ার জন্য অর্থ সহযোগিতা দেয়ার আহ্বান জানান নেতারা।

রাবি শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি শাকিলা খাতুন যুগান্তরকে বলেন, লকডাউনে অর্থনৈতিকভাবে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অধিকাংশই মধ্যবিত্ত পরিবারের। অন্যদিকে কমসংখ্যক মেস মালিকই আছেন, যারা মেসের ভাড়ার টাকা দিয়ে সংসার চালান। এমতাবস্থায় শিক্ষার্থীদের বিবেচনায় নিয়ে শতকরা ৫০ ভাগ মেস ভাড়া নিলে দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব হবে। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

রাবি প্রক্টর প্রফেসর ড. লুৎফর যুগান্তরকে বলেন, যখন করোনার কারণে পুরো পৃথিবী ক্ষতিগ্রস্ত, ঠিক সে সময় শিক্ষার্থীরা মেসে চার-পাঁচ মাস না থেকেও পুরো ভাড়া নেয়াটা চরম অমানবিক। সুতরাং মেস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ জানাব, পূর্ণ ভাড়া যেন না নেয়া হয়। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অসহায় দরিদ্র শিক্ষার্থী সমস্যায় থাকলে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন