নোয়াখালীতে এবার বাড়ি বাড়ি লকডাউন!
jugantor
নোয়াখালীতে এবার বাড়ি বাড়ি লকডাউন!

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

২১ জুন ২০২০, ২২:১৪:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীতে এবার করোনা আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি লকডাউনের ঘোষণা আসছে। এ লকডাউন করা বাড়িগুলোর পাহারায় থাকবে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা। লক করা এ সব বাড়ি থেকে কেউ বেরোতে পারবে না এবং কাউকে বাড়িতে ঢুকতে দেয়া হবে না।

এ ব্যাপারে রোববার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে এক বেসরকারি টেলিভিশনের সঙ্গে কথা বলার সময় জানান, নোয়াখালী-৪ (সদর ও সুবর্ণচর) আসনের এমপি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী।

তিনি বলেন, বেগমগঞ্জ ও সদর লকডাউন শেষ হচ্ছে ২৩ জুন। তার পর থেকে আর এলাকাভিত্তিক লকডাউন না দিয়ে বাড়ি বাড়ি লকডাউনের সিদ্ধান্তটা নেয়া হয়েছে। লকডাউনে তিনি মাঠে ছিলেন কিন্তু দুই-একটা পত্রিকার বিরূপ সংবাদ পরিবেশনের কারণে তিনি ঘরে চলে যান। কিন্তু এর পর তার নেতাকর্মীরা একে একে মারা যাচ্ছে তাই তিনি ঘরে বসে থাকতে পারেন না।

দু'দিন আগে তিনি ফেসবুক লাইভে বলেছিলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ কে চালায়? এর আগাগোড়া নেই। তিনি সংসদীয় কমিটির সদস্য অথচ তিনি জানেন না কীভাবে চলছে এ বিভাগ।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এ অসহযোগিতা বা অনিয়মের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়নি তবে সময় এসেছে জানানো হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো আগা-গোড়া নেই বলেও এ এমপি উস্মা প্রকাশ করেন।

নোয়াখালীতে এবার বাড়ি বাড়ি লকডাউন!

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
২১ জুন ২০২০, ১০:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীতে এবার করোনা আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি লকডাউনের ঘোষণা আসছে। এ লকডাউন করা বাড়িগুলোর পাহারায় থাকবে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা। লক করা এ সব বাড়ি থেকে কেউ বেরোতে পারবে না এবং কাউকে বাড়িতে ঢুকতে দেয়া হবে না।

এ ব্যাপারে রোববার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে এক বেসরকারি টেলিভিশনের সঙ্গে কথা বলার সময় জানান, নোয়াখালী-৪ (সদর ও সুবর্ণচর) আসনের এমপি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী।

তিনি বলেন, বেগমগঞ্জ ও সদর লকডাউন শেষ হচ্ছে ২৩ জুন। তার পর থেকে আর এলাকাভিত্তিক লকডাউন না দিয়ে বাড়ি বাড়ি লকডাউনের সিদ্ধান্তটা নেয়া হয়েছে। লকডাউনে তিনি মাঠে ছিলেন কিন্তু দুই-একটা পত্রিকার বিরূপ সংবাদ পরিবেশনের কারণে তিনি ঘরে চলে যান। কিন্তু এর পর তার নেতাকর্মীরা একে একে মারা যাচ্ছে তাই তিনি ঘরে বসে থাকতে পারেন না।

দু'দিন আগে তিনি ফেসবুক লাইভে বলেছিলেন, স্বাস্থ্য বিভাগ কে চালায়? এর আগাগোড়া নেই। তিনি সংসদীয় কমিটির সদস্য অথচ তিনি জানেন না কীভাবে চলছে এ বিভাগ।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এ অসহযোগিতা বা অনিয়মের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়নি তবে সময় এসেছে জানানো হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো আগা-গোড়া নেই বলেও এ এমপি উস্মা প্রকাশ করেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস