হবিগঞ্জে রেড জোনের অনেক স্থানেই মানছে না লকডাউন
jugantor
হবিগঞ্জে রেড জোনের অনেক স্থানেই মানছে না লকডাউন

  হবিগঞ্জ প্রতিনিধি  

২২ জুন ২০২০, ২২:৩৩:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জে বেশ কয়েকটি এলাকা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় করোনা রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এলাকাগুলো হচ্ছে- হবিগঞ্জ পৌরসভার ৬ ও ৯নং ওয়ার্ড, মাধবপুর পৌরসভা, চুনারুঘাট উপজেলার দেওরগাছ, উবাহাটা, রাণীগাঁও ইউনিয়ন ও চুনারুঘাট পৌরসভা এবং আজমিরীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন। এসব এলাকার অনেক স্থানেই লকডাউন মানছে না সাধারণ মানুষ। অনেকেই পরছেন না মাস্কও।

আবার কোনো কোনো এলাকায় স্থানীয়রা বাঁশ বেঁধে রাখলেও সুযোগ পেলেই তা খুলে ফেলা হচ্ছে। অপরদিকে প্রতিদিনই প্রশাসন অভিযান চালিয়ে জরিমানা করলেও তাতেও তেমন কাজ হচ্ছে না।

সরেজমিন দেখা যায়, শহরের ৬নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ শ্যামলী এলাকায় প্রবেশমুখ সাধুর সমাধী এবং সিনেমাহল রোডে বাঁশ বেধে লকডাউন করা হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন সময় এসব বাঁশ পথচারীরা খুলে ফেলে দেয়। এরপর আবার তা বাঁধা হয়। এছাড়া এ ওয়ার্ডসহ ৯নং ওয়ার্ডের এলাকাগুলোতে মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে। অবাধে চলছে যানবাহনও।

জেলা প্রশাসন রোববার বিকেলে শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সরকারি নির্দেশ অমান্য করা, মুখে মাস্ক না পড়ার কারণে ৯ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ৭৮ হাজার টাকা জরিমানা করে। প্রতিদিনই এমন জরিমানা করা হচ্ছে। কিন্তু তাতেও তেমন কাজ হচ্ছে না। অভিযানের খবর পেলেই পালানোর ধুম পড়ে। অভিযানকারী দল এক দোকানে প্রবেশ করলে খবর পেয়ে অন্য ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেন।

জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলের দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে শহরে রাত ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে রেড জোন এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারী করা হচ্ছে। প্রতিদিনই জরিমানা করা হচ্ছে। প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

এরপরও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এভাবে জরিমানা করে হয়তো কিছুটা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। তবে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে হলে অবশ্যই মানুষকে নিজে থেকে সচেতন হতে হবে। এত প্রচারণা, জরিমানার পরও মানুষ সচেতন হচ্ছেন না।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, জেলায় এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪১৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৬৬ জন। আর করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫ জন। সম্প্রতি প্রতিদিনই আক্রান্ত বাড়ছে। শুধু গত ৩ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ১৩৭ জন।

হবিগঞ্জে রেড জোনের অনেক স্থানেই মানছে না লকডাউন

 হবিগঞ্জ প্রতিনিধি 
২২ জুন ২০২০, ১০:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জে বেশ কয়েকটি এলাকা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় করোনা রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এলাকাগুলো হচ্ছে- হবিগঞ্জ পৌরসভার ৬ ও ৯নং ওয়ার্ড, মাধবপুর পৌরসভা, চুনারুঘাট উপজেলার দেওরগাছ, উবাহাটা, রাণীগাঁও ইউনিয়ন ও চুনারুঘাট পৌরসভা এবং আজমিরীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন। এসব এলাকার অনেক স্থানেই লকডাউন মানছে না সাধারণ মানুষ। অনেকেই পরছেন না মাস্কও।

আবার কোনো কোনো এলাকায় স্থানীয়রা বাঁশ বেঁধে রাখলেও সুযোগ পেলেই তা খুলে ফেলা হচ্ছে। অপরদিকে প্রতিদিনই প্রশাসন অভিযান চালিয়ে জরিমানা করলেও তাতেও তেমন কাজ হচ্ছে না।

সরেজমিন দেখা যায়, শহরের ৬নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ শ্যামলী এলাকায় প্রবেশমুখ সাধুর সমাধী এবং সিনেমাহল রোডে বাঁশ বেধে লকডাউন করা হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন সময় এসব বাঁশ পথচারীরা খুলে ফেলে দেয়। এরপর আবার তা বাঁধা হয়। এছাড়া এ ওয়ার্ডসহ ৯নং ওয়ার্ডের এলাকাগুলোতে মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে। অবাধে চলছে যানবাহনও।

জেলা প্রশাসন রোববার বিকেলে শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সরকারি নির্দেশ অমান্য করা, মুখে মাস্ক না পড়ার কারণে ৯ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ৭৮ হাজার টাকা জরিমানা করে। প্রতিদিনই এমন জরিমানা করা হচ্ছে। কিন্তু তাতেও তেমন কাজ হচ্ছে না। অভিযানের খবর পেলেই পালানোর ধুম পড়ে। অভিযানকারী দল এক দোকানে প্রবেশ করলে খবর পেয়ে অন্য ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেন।

জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলের দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে শহরে রাত ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে রেড জোন এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারী করা হচ্ছে। প্রতিদিনই জরিমানা করা হচ্ছে। প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

এরপরও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এভাবে জরিমানা করে হয়তো কিছুটা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। তবে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে হলে অবশ্যই মানুষকে নিজে থেকে সচেতন হতে হবে। এত প্রচারণা, জরিমানার পরও মানুষ সচেতন হচ্ছেন না।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, জেলায় এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪১৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৬৬ জন। আর করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫ জন। সম্প্রতি প্রতিদিনই আক্রান্ত বাড়ছে। শুধু গত ৩ দিনেই আক্রান্ত হয়েছেন ১৩৭ জন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস