মৃত্যুর ৬ দিন পর নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ!
jugantor
মৃত্যুর ৬ দিন পর নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ!

  নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি  

০৩ জুলাই ২০২০, ২৩:০১:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

নওগাঁর নিয়ামতপুরে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার ৬ দিন পর একজনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা ‘পজিটিভ’ এসেছে। বৃহস্পতিবার রাতে নওগাঁ স্বাস্থ্য বিভাগের হাতে আসা রিপোর্টে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মৃত ওই ব্যক্তির নাম ইসাহাক আলী (৬২)। তিনি নিয়ামতপুর উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নের ঘুঘুডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। গত ২৭ জুন করোনার উপসর্গ জ্বর, সর্দি ও কাশি নিয়ে নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ইসাহাক মারা যাওয়ার পর তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ল্যাবরেটরি এন্ড মেডিসিন রিসার্চ সেন্টার ল্যাবে পাঠানো হয়। গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে নওগাঁ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে আসা প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, তিনি করোনা পজিটিভ ছিলেন।

নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. তোফাজ্জল হোসেন জানান, করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ওই ব্যক্তির বাড়ি আগে থেকেই লকডাউন ছিল। নিহতের পরিবারের সদস্যদের কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার রাতে আসা নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদনে মৃত ইসাহাক আলীর পরিবারের আরও দুইজনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিয়ামতপুর উপজেলায় গত ২ জুলাই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সর্বমোট ৬৬৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে রিপোর্ট এসেছে ৬৪৮ জনের। বৃহস্পতিবার পাওয়া রিপোর্টে নিয়ামতপুরে নতুন করে আরও ২ জন স্বাস্থ্য কর্মীসহ ৫ জনের দেহে কোভিড-১৯ পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৯ জনে।

ইতিমধ্যে ১৪ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন শুরু করেছেন। আর নতুন করে আক্রান্ত ৫ জনের মধ্যে ইসাহাক আলী নামে এক ব্যক্তি গত ২৭ জুন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যান, বাকি ৪ জন সুস্থ রয়েছেন বলে জানান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

মৃত্যুর ৬ দিন পর নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ!

 নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি 
০৩ জুলাই ২০২০, ১১:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নওগাঁর নিয়ামতপুরে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার ৬ দিন পর একজনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা ‘পজিটিভ’ এসেছে। বৃহস্পতিবার রাতে নওগাঁ স্বাস্থ্য বিভাগের হাতে আসা রিপোর্টে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মৃত ওই ব্যক্তির নাম ইসাহাক আলী (৬২)। তিনি নিয়ামতপুর উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নের ঘুঘুডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। গত ২৭ জুন করোনার উপসর্গ জ্বর, সর্দি ও কাশি নিয়ে নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ইসাহাক মারা যাওয়ার পর তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ল্যাবরেটরি এন্ড মেডিসিন রিসার্চ সেন্টার ল্যাবে পাঠানো হয়। গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে নওগাঁ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে আসা প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, তিনি করোনা পজিটিভ ছিলেন।

নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. তোফাজ্জল হোসেন জানান, করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ওই ব্যক্তির বাড়ি আগে থেকেই লকডাউন ছিল। নিহতের পরিবারের সদস্যদের কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার রাতে আসা নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদনে মৃত ইসাহাক আলীর পরিবারের আরও দুইজনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিয়ামতপুর উপজেলায় গত ২ জুলাই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সর্বমোট ৬৬৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে রিপোর্ট এসেছে ৬৪৮ জনের। বৃহস্পতিবার পাওয়া রিপোর্টে নিয়ামতপুরে নতুন করে আরও ২ জন স্বাস্থ্য কর্মীসহ ৫ জনের দেহে কোভিড-১৯ পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৯ জনে।

ইতিমধ্যে ১৪ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন শুরু করেছেন। আর নতুন করে আক্রান্ত ৫ জনের মধ্যে ইসাহাক আলী নামে এক ব্যক্তি গত ২৭ জুন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যান, বাকি ৪ জন সুস্থ রয়েছেন বলে জানান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস