ফেসবুকের কল্যাণে বরগুনা হাসপাতালে ‘হাই ফ্লো নেজাল ক্যানোলা’
jugantor
ফেসবুকের কল্যাণে বরগুনা হাসপাতালে ‘হাই ফ্লো নেজাল ক্যানোলা’

  বরগুনা প্রতিনিধি  

০৫ জুলাই ২০২০, ২২:৪৬:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আবেদনের কল্যাণে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে করোনা রোগীদের সেবায় ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে কেনা দুটি ‘হাই ফ্লো নেজাল ক্যানোলা’ মেশিন বসানো হয়েছে। স্থানীয় জনগণের আর্থিক সহায়তায় রোববার এ মেশিন হস্তান্তর করা হয়।

বরগুনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবদুল আলী হিমু, জেলা পরিবেশ আন্দোলনের সেক্রেটারি সাংবাদিক মুশফিক আরিফ, ওয়াশ এসডিজি নাগরিক কমিটির সহ-সভাপতি সাংবাদিক মনির হোসেন কামালের উদ্যোগে ‘আমাদের জন্য আমরা’ স্লোগানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এ অর্থ দান করেন।

সকালে বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থানীয় সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ এবং সিভিল সার্জন ডা. মো. হুমায়ুন শাহিন খানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মেশিন দুটি হস্তান্তর করা হয়।

করোনা ওয়ার্ডের একমাত্র মেডিসিন স্পেশালিস্ট ডা. কামরুল আজাদ বলেন, বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে একটি হাই ফ্লো নেজাল ক্যানোলা মেশিন রয়েছে যা রোগীর সংখ্যার তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। জটিল করোনা রোগীদের যখন সাধারণ অক্সিজেন সিলিন্ডারে কাজ হয় না। যেহেতু এ হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন মেনিফোল্ড সিস্টেম আছে সেহেতু ‘হাই ফ্লো নেজাল ক্যানোলা’ মেশিন ক্রিটিক্যাল করোনা রোগীদের জন্য অনেকটাই সাপোর্ট দেবে।’

তিনি বলেন, ‘সাধারণ সিলিন্ডারের মাধ্যমে প্রতি মিনিটে সাধারণত ১৫ লিটারের বেশি অক্সিজেন দেয়া যায় না। এ কারণে রোগীর অবস্থা খারাপ হয়ে গেলে তখন আইসিইউ প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই মেশিনের মাধ্যমে একজন রোগীর জন্য প্রতি মিনিটে ৭০ থেকে ৮০ লিটার পর্যন্ত অক্সিজেন সরবরাহ করা যায়। তাছাড়া আইসিইউ কিংবা ভেন্টিলেটর পদ্ধতিতে যেমন হাইলি স্কিল্ড ম্যানপাওয়ার লাগে, এই মেশিন ব্যবহারে তার প্রয়োজন হয় না। যে কোনো চিকিৎসক, নার্স বা টেকনোলজিস্ট এটা একবার দেখেই ব্যবহার করতে পারেন।’

বরগুনার জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি হাসপাতালেই এ মেশিন পৌঁছানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে সারা দেশে তা পৌঁছতে হয়ত কিছুটা সময় লাগবে। এ সব মেশিন ক্রয়ের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা দেয়া হবে জানিয়ে এ উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

ফেসবুকের কল্যাণে বরগুনা হাসপাতালে ‘হাই ফ্লো নেজাল ক্যানোলা’

 বরগুনা প্রতিনিধি 
০৫ জুলাই ২০২০, ১০:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আবেদনের কল্যাণে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে করোনা রোগীদের সেবায় ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে কেনা দুটি ‘হাই ফ্লো নেজাল ক্যানোলা’ মেশিন বসানো হয়েছে। স্থানীয় জনগণের আর্থিক সহায়তায় রোববার এ মেশিন হস্তান্তর করা হয়। 

বরগুনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবদুল আলী হিমু, জেলা পরিবেশ আন্দোলনের সেক্রেটারি সাংবাদিক মুশফিক আরিফ, ওয়াশ এসডিজি নাগরিক কমিটির সহ-সভাপতি সাংবাদিক মনির হোসেন কামালের উদ্যোগে ‘আমাদের জন্য আমরা’ স্লোগানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এ অর্থ দান করেন।

সকালে বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থানীয় সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ এবং সিভিল সার্জন ডা. মো. হুমায়ুন শাহিন খানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মেশিন দুটি হস্তান্তর করা হয়।

করোনা ওয়ার্ডের একমাত্র মেডিসিন স্পেশালিস্ট ডা. কামরুল আজাদ বলেন, বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে একটি হাই ফ্লো নেজাল ক্যানোলা মেশিন রয়েছে যা রোগীর সংখ্যার তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। জটিল করোনা রোগীদের যখন সাধারণ অক্সিজেন সিলিন্ডারে কাজ হয় না। যেহেতু এ হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন মেনিফোল্ড সিস্টেম আছে সেহেতু ‘হাই ফ্লো নেজাল ক্যানোলা’ মেশিন ক্রিটিক্যাল করোনা রোগীদের জন্য অনেকটাই সাপোর্ট দেবে।’

তিনি বলেন, ‘সাধারণ সিলিন্ডারের মাধ্যমে প্রতি মিনিটে সাধারণত ১৫ লিটারের বেশি অক্সিজেন দেয়া যায় না। এ কারণে রোগীর অবস্থা খারাপ হয়ে গেলে তখন আইসিইউ প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই মেশিনের মাধ্যমে একজন রোগীর জন্য প্রতি মিনিটে ৭০ থেকে ৮০ লিটার পর্যন্ত অক্সিজেন সরবরাহ করা যায়। তাছাড়া আইসিইউ কিংবা ভেন্টিলেটর পদ্ধতিতে যেমন হাইলি স্কিল্ড ম্যানপাওয়ার লাগে, এই মেশিন ব্যবহারে তার প্রয়োজন হয় না। যে কোনো চিকিৎসক, নার্স বা টেকনোলজিস্ট এটা একবার দেখেই ব্যবহার করতে পারেন।’ 

বরগুনার জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি হাসপাতালেই এ মেশিন পৌঁছানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে সারা দেশে তা পৌঁছতে হয়ত কিছুটা সময় লাগবে। এ সব মেশিন ক্রয়ের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা দেয়া হবে জানিয়ে এ উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস