সন্তান জন্ম দিতে বাবার বাড়ি গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন ডাক্তারের স্ত্রী
jugantor
সন্তান জন্ম দিতে বাবার বাড়ি গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন ডাক্তারের স্ত্রী

  মাগুরা প্রতিনিধি  

০৬ জুলাই ২০২০, ১৮:৫১:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মাগুরায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন নোয়াখালীর এক চিকিৎসকের স্ত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মৌসুমি আকতার। তিনি সন্তান প্রসবের জন্য শ্বশুরবাড়ি নোয়াখালী থেকে বাবার বাড়ি মাগুরা গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হন বলে জানা গেছে।

সোমবার ভোরে সাভারের এনাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৌসুমি আকতারের মৃত্যু হয়। তিনি মাগুরা সদর উপজেলা পরিষদের প্রকৌশল বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু তাহেরের মেয়ে ও নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ডাক্তার মাহাবুবুর রহমানের স্ত্রী।

পারিবারিক সূত্র জানায়, মৌসুমি আকতার সন্তানের জন্ম দিতে কয়েক মাস আগে মাগুরা শহরের দোয়ারপাড়ায় বাবার বাড়িতে আসেন। গত ১ জুলাই তারিখে বাবা প্রকৌশলী আবু তাহের এবং মৌসুমি দুজনই করোনা টেস্টে পজিটিভ বলে শনাক্ত হয়। কিন্তু ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মৌসুমি আকতারের শারীরিক অবস্থা নাজুক হওয়ায় ৩ জুলাই তাকে প্রথমে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে এবং পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ভর্তি করা হয়। সেখানেও অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন রাতে তাকে সাভারের এনাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে মারা যায় মৌসুমি আকতার।

নিহত মৌসুমির স্বামী মাহাবুবুর রহমান বলেন, আমাদের আড়াই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। দ্বিতীয় সন্তানের জন্যে স্ত্রী বাবার বাড়িতে এসেছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে, এখন মৃত স্ত্রীকে নিয়ে নোয়াখালীতে ফিরতে হচ্ছে। সেখানেই তাকে দাফন করা হবে।

মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. প্রদীপ কুমার সাহা জানান, এই নিয়ে মাগুরায় মোট ৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন। জেলায় মোট ১৬৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৫২ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

সন্তান জন্ম দিতে বাবার বাড়ি গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন ডাক্তারের স্ত্রী

 মাগুরা প্রতিনিধি 
০৬ জুলাই ২০২০, ০৬:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মাগুরায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন নোয়াখালীর এক চিকিৎসকের স্ত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মৌসুমি আকতার। তিনি সন্তান প্রসবের জন্য শ্বশুরবাড়ি নোয়াখালী থেকে বাবার বাড়ি মাগুরা গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হন বলে জানা গেছে।

সোমবার ভোরে সাভারের এনাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৌসুমি আকতারের মৃত্যু হয়। তিনি মাগুরা সদর উপজেলা পরিষদের প্রকৌশল বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবু তাহেরের মেয়ে ও নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ডাক্তার মাহাবুবুর রহমানের স্ত্রী।

পারিবারিক সূত্র জানায়, মৌসুমি আকতার সন্তানের জন্ম দিতে কয়েক মাস আগে মাগুরা শহরের দোয়ারপাড়ায় বাবার বাড়িতে আসেন। গত ১ জুলাই তারিখে বাবা প্রকৌশলী আবু তাহের এবং মৌসুমি দুজনই করোনা টেস্টে পজিটিভ বলে শনাক্ত হয়। কিন্তু ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মৌসুমি আকতারের শারীরিক অবস্থা নাজুক হওয়ায় ৩ জুলাই তাকে প্রথমে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে এবং পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ভর্তি করা হয়। সেখানেও অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন রাতে তাকে সাভারের এনাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে মারা যায় মৌসুমি আকতার।

নিহত মৌসুমির স্বামী মাহাবুবুর রহমান বলেন, আমাদের আড়াই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। দ্বিতীয় সন্তানের জন্যে স্ত্রী বাবার বাড়িতে এসেছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে, এখন মৃত স্ত্রীকে নিয়ে নোয়াখালীতে ফিরতে হচ্ছে। সেখানেই তাকে দাফন করা হবে।

মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. প্রদীপ কুমার সাহা জানান, এই নিয়ে মাগুরায় মোট ৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন। জেলায় মোট ১৬৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৫২ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০