বুড়িগঙ্গায় লঞ্চের ধাক্কায় নৌকাডুবিতে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার
jugantor
বুড়িগঙ্গায় লঞ্চের ধাক্কায় নৌকাডুবিতে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার

  কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি  

০৭ জুলাই ২০২০, ২২:৪৫:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

বুড়িগঙ্গা নদীতে মিরাজ-৬ লঞ্চের ধাক্কায় খেয়া নৌকাডুবিতে নিখোঁজ হওয়া যুবক ইসমাইল হোসেনের ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল বাদামতলী ঘাট বরাবর মাঝ নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়াও এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে নৌপুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে এ সব তথ্য জানিয়েছেন সদরঘাট নৌথানার ওসি রেজাউল করিম। 

শনিবার দুপুরে ৬ যাত্রী নিয়ে একটি খেয়া নৌকা আগানগর ঘাট থেকে বাদামতলী ঘাটে যাওয়ার সময় মিরাজ-৬ লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে যায়। এ সময় ৫ যাত্রী তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ইসমাইল হোসেন (২৫) নামের এক যাত্রী নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় রোববার নিখোঁজ ইসমাইলের মামা মন্নাফ মিয়া বাদী হয়ে মিরাজ-৬ লঞ্চের চালক, মাস্টারসহ কয়েকজনকে আসামি করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তভার দেয়া হয়েছে সদরঘাট নৌথানাকে।

নিহত ইসমাইলের মামা মন্নাফ মিয়া জানান, তার ভাগনে কেরানীগঞ্জে বাসা নিয়ে থাকত। পুরান ঢাকার বংশালের একটি জেনারেটর দোকানে টেকনিশিয়ানের কাজ করত ইসমাইল।

সদরঘাট নৌথানার ওসি রেজাউল করিম জানান, ভাগনে নিখোঁজ হওয়ার পর মামা মন্নাফ অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ এনে মিরাজ-৬ লঞ্চের স্টাফসহ কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। মামলাটি নৌপুলিশের হাতে ন্যস্ত হওয়ার পর আসামিদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে সোমবার শরীয়তপুর জেলার সুরেশ্বর থেকে মিরাজ-৬ লঞ্চের চালক মাহমুদুল হোসেন (৫৫), মাস্টার বাবুল হোসেন (৪২) ও সুকানী ইসমাইল মিয়া (৪০) মিয়াকে গ্রেফতার  করতে সক্ষম নৌপুলিশ।

ওসি আরও জানান, ওই ঘটনার পরপরই আসামিরা ঢাকা থেকে পালিয়ে শরীয়তপুর চলে যায়। তাদের গ্রেফতারের পর ঢাকায় আনা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানিয়েছে- ‘অনিচ্ছাকৃতভাবে’ তাদের দ্বারা পরিচালিত লঞ্চটির ধাক্কায় নৌকাটি ডুবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। আদালতের মাধ্যমে আসামিদের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চের ধাক্কায় নৌকাডুবিতে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার

 কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি 
০৭ জুলাই ২০২০, ১০:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বুড়িগঙ্গা নদীতে মিরাজ-৬ লঞ্চের ধাক্কায় খেয়া নৌকাডুবিতে নিখোঁজ হওয়া যুবক ইসমাইল হোসেনের ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল বাদামতলী ঘাট বরাবর মাঝ নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়াও এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে নৌপুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে এ সব তথ্য জানিয়েছেন সদরঘাট নৌথানার ওসি রেজাউল করিম।

শনিবার দুপুরে ৬ যাত্রী নিয়ে একটি খেয়া নৌকা আগানগর ঘাট থেকে বাদামতলী ঘাটে যাওয়ার সময় মিরাজ-৬ লঞ্চের ধাক্কায় ডুবে যায়। এ সময় ৫ যাত্রী তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ইসমাইল হোসেন (২৫) নামের এক যাত্রী নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় রোববার নিখোঁজ ইসমাইলের মামা মন্নাফ মিয়া বাদী হয়ে মিরাজ-৬ লঞ্চের চালক, মাস্টারসহ কয়েকজনকে আসামি করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তভার দেয়া হয়েছে সদরঘাট নৌথানাকে।

নিহত ইসমাইলের মামা মন্নাফ মিয়া জানান, তার ভাগনে কেরানীগঞ্জে বাসা নিয়ে থাকত। পুরান ঢাকার বংশালের একটি জেনারেটর দোকানে টেকনিশিয়ানের কাজ করত ইসমাইল।

সদরঘাট নৌথানার ওসি রেজাউল করিম জানান, ভাগনে নিখোঁজ হওয়ার পর মামা মন্নাফ অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ এনে মিরাজ-৬ লঞ্চের স্টাফসহ কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। মামলাটি নৌপুলিশের হাতে ন্যস্ত হওয়ার পর আসামিদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে সোমবার শরীয়তপুর জেলার সুরেশ্বর থেকে মিরাজ-৬ লঞ্চের চালক মাহমুদুল হোসেন (৫৫), মাস্টার বাবুল হোসেন (৪২) ও সুকানী ইসমাইল মিয়া (৪০) মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম নৌপুলিশ।

ওসি আরও জানান, ওই ঘটনার পরপরই আসামিরা ঢাকা থেকে পালিয়ে শরীয়তপুর চলে যায়। তাদের গ্রেফতারের পর ঢাকায় আনা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানিয়েছে- ‘অনিচ্ছাকৃতভাবে’ তাদের দ্বারা পরিচালিত লঞ্চটির ধাক্কায় নৌকাটি ডুবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। আদালতের মাধ্যমে আসামিদের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।