করোনা রোগী পৌনে ২ লাখ ছাড়াল
jugantor
করোনা রোগী পৌনে ২ লাখ ছাড়াল

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৯ জুলাই ২০২০, ১৫:১২:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা রোগী পৌনে ২ লাখ ছাড়াল

দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ৩৬০ জনের করোনা শনাক্ত হওয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার ৪৯৪ জনে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কোভিড-১৯ রোগ নিয়ে এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর এমন তথ্য জানিয়েছে।

অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক(প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, এ সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই বৈশ্বিক মহামারী দুই হাজার ২৩৮ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।

আর গত একদিনে ১৫ হাজার ৬৩২টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। যাদের মধ্যে তিন হাজার ৩৬০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

এখন পর্যন্ত ৯ লাখ চার হাজার ৭৮৪টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে জানিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৪০ শতাংশ।

গত একদিনে তিন হাজার ৭০৬ রোগী সেরে উঠেছেন বলেও জানিয়েছেন নাসিমা সুলতানা। তিনি বলেন, এ পযন্ত ৮৪ হাজার ৫৪৪ জন সুস্থ হয়েছেন। অর্থাৎ ৪৮ দশমিক ১৭ শতাংশ রোগী কোভিড-১৯ থেকে সেরে উঠেছেন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ৮ মার্চ, তা দেড় লাখ পেরিয়ে যায় গত ২ জুলাই। সেদিন ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ।

আর ১৮ মার্চ বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ৫ জুলাই তা দুই হাজার ছাড়িয়ে যায়।

এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।

গত বছরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। ক্রমে সেটা বৈশ্বিক মহামারীর রূপ নিয়ে ছড়িয়ে পড়ে। চীন দুই মাসের মধ্যে তাদের দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

ইউরোপের অনেক দেশেও তিন থেকে চার মাসের মধ্যে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এনেছে। সে তুলনায় এশিয়া ও আমেরিকা মহাদেশের বেশির ভাগ দেশে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি বেশি দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।

করোনা রোগী পৌনে ২ লাখ ছাড়াল

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৯ জুলাই ২০২০, ০৩:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
করোনা রোগী পৌনে ২ লাখ ছাড়াল
ছবি: সংগৃহীত

দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ৩৬০ জনের করোনা শনাক্ত হওয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৭৫ হাজার ৪৯৪ জনে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কোভিড-১৯ রোগ নিয়ে এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর এমন তথ্য জানিয়েছে।

অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক(প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, এ সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই বৈশ্বিক মহামারী দুই হাজার ২৩৮ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।

আর গত একদিনে ১৫ হাজার ৬৩২টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। যাদের মধ্যে তিন হাজার ৩৬০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। 

এখন পর্যন্ত ৯ লাখ চার হাজার ৭৮৪টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে জানিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৪০ শতাংশ।

গত একদিনে তিন হাজার ৭০৬ রোগী সেরে উঠেছেন বলেও জানিয়েছেন নাসিমা সুলতানা। তিনি বলেন, এ পযন্ত ৮৪ হাজার ৫৪৪ জন সুস্থ হয়েছেন। অর্থাৎ ৪৮ দশমিক ১৭ শতাংশ রোগী কোভিড-১৯ থেকে সেরে উঠেছেন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ৮ মার্চ, তা দেড় লাখ পেরিয়ে যায় গত ২ জুলাই। সেদিন ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ।

আর ১৮ মার্চ বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ৫ জুলাই তা দুই হাজার ছাড়িয়ে যায়।

এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।

গত বছরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। ক্রমে সেটা বৈশ্বিক মহামারীর রূপ নিয়ে ছড়িয়ে পড়ে। চীন দুই মাসের মধ্যে তাদের দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

ইউরোপের অনেক দেশেও তিন থেকে চার মাসের মধ্যে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এনেছে। সে তুলনায় এশিয়া ও আমেরিকা মহাদেশের বেশির ভাগ দেশে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি বেশি দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস