দুদফা রিমান্ড শেষে কারাগারে ডা. সাবরিনা
jugantor
দুদফা রিমান্ড শেষে কারাগারে ডা. সাবরিনা

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২০ জুলাই ২০২০, ১৪:৪৮:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

দুদফা রিমান্ড শেষে কারাগারে ডা. সাবরিনা
ফাইল ছবি

করোনা টেস্ট প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার জেকেজি হেলকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা এ চৌধুরীকে দুদফা রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন দ্বিতীয় দফায় দুইদিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
এ সময় সাবরিনার পক্ষে আব্দুস সালামসহ কয়েকজন আইনজীবী তার জামিন আবেদন করেন। আর তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাবরিনাকে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক লিয়াকত আলী।
শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে, গত ১৩ জুলাই প্রথম দফায় তিন দিন ও ১৭ জুলাই দ্বিতীয় দফায় দু’দিন মোট পাঁচ দিনের রিমান্ডে ছিলেন ডা. সাবরিনা।
গত ১২ জুলাই দুপুর ১টার দিকে ডা. সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে নেয় তেজগাঁও পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে টেস্ট প্রতারণায় সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ডা. সাবরিনা একজন সরকারি চিকিৎসক হয়েও নিজেকে জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান পরিচয় দিতেন। অনুমতি না থাকলেও বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ, সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করিয়েও টাকা নেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে জেকেজি'র বিরুদ্ধে। অনিয়মের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ায় ডা. সাবরিনাকে বরখাস্ত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সাবরিনার স্বামী প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী আরিফুল হক চৌধুরীও গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন।

দুদফা রিমান্ড শেষে কারাগারে ডা. সাবরিনা

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২০ জুলাই ২০২০, ০২:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দুদফা রিমান্ড শেষে কারাগারে ডা. সাবরিনা
ফাইল ছবি

করোনা টেস্ট প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার জেকেজি হেলকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা এ চৌধুরীকে দুদফা রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন দ্বিতীয় দফায় দুইদিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
এ সময় সাবরিনার পক্ষে আব্দুস সালামসহ কয়েকজন আইনজীবী তার জামিন আবেদন করেন। আর তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাবরিনাকে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক লিয়াকত আলী।
শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে, গত ১৩ জুলাই প্রথম দফায় তিন দিন ও ১৭ জুলাই দ্বিতীয় দফায় দু’দিন মোট পাঁচ দিনের রিমান্ডে ছিলেন ডা. সাবরিনা।
গত ১২ জুলাই দুপুর ১টার দিকে ডা. সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে নেয় তেজগাঁও পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে টেস্ট প্রতারণায় সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ডা. সাবরিনা একজন সরকারি চিকিৎসক হয়েও নিজেকে জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান পরিচয় দিতেন। অনুমতি না থাকলেও বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ, সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করিয়েও টাকা নেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে জেকেজি'র বিরুদ্ধে। অনিয়মের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ায় ডা. সাবরিনাকে বরখাস্ত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সাবরিনার স্বামী প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী আরিফুল হক চৌধুরীও গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : করোনা টেস্ট প্রতারণায় জেকেজি