বাড়ির ভেতরেই সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি, দক্ষিণ কোরিয়ার গবেষণা
jugantor
বাড়ির ভেতরেই সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি, দক্ষিণ কোরিয়ার গবেষণা

  অনলাইন ডেস্ক  

২৩ জুলাই ২০২০, ১০:৫৪:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

বাড়ির ভেতরেই সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি, দক্ষিণ কোরিয়ায় গবেষণা
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ায় এক গবেষণায় দেখা গেছে, সেখানে বাইরের চেয়ে ঘরের ভেতরেই বেশি মানুষ সংক্রমণের শিকার হচ্ছেন। 

দেশটির মহামারী বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ৫ হাজার ৭০৬ জন রোগীর ওপর এ গবেষণা পরিচালিত হয়। 

এতে দেখা যায়, ভাইরাসে সংক্রমিত ১০০ জনের মধ্যে মাত্র দু’জন বাড়ির বাইরের কিংবা পরিবারের বাইরে অন্য কারও মাধ্যমে সংক্রমণের শিকার হয়েছেন।

বয়সের বিচারে পরিবারের মধ্যে সংক্রমণের হার বেশি কিশোর এবং ৬০-৭০ বছর বয়সী সদস্যদের মধ্যে। 

এর কারণ হিসেবে কোরিয়া সেন্টারস ফর জিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের পরিচালক জিয়ং ইউন কায়ং জানিয়েছেন, পরিবারের মধ্যে এই বয়সের সদস্যরা সাধারণত শারীরিকভাবে একে অন্যের বেশি ঘনিষ্ঠ থাকেন বলে তাদের মধ্যে সংক্রমণের হার বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। 

তাছাড়া বয়স্কদের চেয়ে বেশি সংখ্যক শিশু উপসর্গহীন হওয়ায় এই বয়সীদের চিহ্নিত করাও কঠিন হচ্ছে বলে সমীক্ষায় বলা হয়েছে। 

২০ জানুয়ারি থেকে ২৭ মার্চের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাস ছড়ানোর সময় এ সমীক্ষা পরিচালিত হয়। 

এদিকে বিশ্বে করোনা রোগীর সংখ্যা দেড় কোটি ছাড়িয়ে গেছে। এরমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ৬ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থতার হারও বেশ ভালো। 

৯৪ ভাগ মানুষই করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন, যেখানে মৃত্যুহার মাত্র ৬ ভাগ। ইতোমধ্যে প্রায় ৯২ লাখ মানুষ করোনাভাইরাসকে জয় করেছেন।

বাড়ির ভেতরেই সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি, দক্ষিণ কোরিয়ার গবেষণা

 অনলাইন ডেস্ক 
২৩ জুলাই ২০২০, ১০:৫৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাড়ির ভেতরেই সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি, দক্ষিণ কোরিয়ায় গবেষণা
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ায় এক গবেষণায় দেখা গেছে, সেখানে বাইরের চেয়ে ঘরের ভেতরেই বেশি মানুষ সংক্রমণের শিকার হচ্ছেন।

দেশটির মহামারী বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ৫ হাজার ৭০৬ জন রোগীর ওপর এ গবেষণা পরিচালিত হয়।

এতে দেখা যায়, ভাইরাসে সংক্রমিত ১০০ জনের মধ্যে মাত্র দু’জন বাড়ির বাইরের কিংবা পরিবারের বাইরে অন্য কারও মাধ্যমে সংক্রমণের শিকার হয়েছেন।

বয়সের বিচারে পরিবারের মধ্যে সংক্রমণের হার বেশি কিশোর এবং ৬০-৭০ বছর বয়সী সদস্যদের মধ্যে।

এর কারণ হিসেবে কোরিয়া সেন্টারস ফর জিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের পরিচালক জিয়ং ইউন কায়ং জানিয়েছেন, পরিবারের মধ্যে এই বয়সের সদস্যরা সাধারণত শারীরিকভাবে একে অন্যের বেশি ঘনিষ্ঠ থাকেন বলে তাদের মধ্যে সংক্রমণের হার বেশি বলে মনে করা হচ্ছে।

তাছাড়া বয়স্কদের চেয়ে বেশি সংখ্যক শিশু উপসর্গহীন হওয়ায় এই বয়সীদের চিহ্নিত করাও কঠিন হচ্ছে বলে সমীক্ষায় বলা হয়েছে।

২০ জানুয়ারি থেকে ২৭ মার্চের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাস ছড়ানোর সময় এ সমীক্ষা পরিচালিত হয়।

এদিকে বিশ্বে করোনা রোগীর সংখ্যা দেড় কোটি ছাড়িয়ে গেছে। এরমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ৬ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থতার হারও বেশ ভালো।

৯৪ ভাগ মানুষই করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন, যেখানে মৃত্যুহার মাত্র ৬ ভাগ। ইতোমধ্যে প্রায় ৯২ লাখ মানুষ করোনাভাইরাসকে জয় করেছেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস