অবশেষে কর্মস্থলে যাচ্ছেন সেই ১২ চিকিৎসক
jugantor
অবশেষে কর্মস্থলে যাচ্ছেন সেই ১২ চিকিৎসক

  বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৩ জুলাই ২০২০, ২১:১৭:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

অবশেষে সেই চিকিৎসকরা নিজ নিজ কর্মস্থলে রোগী দেখেছেন। বৃহস্পতিবার অফিস সময় পর্যন্ত তারা রোগী দেখেছেন। গ্রামের মানুষ বাড়ির কাছে চিকিৎসক পেয়ে খুশি হয়েছেন। তারা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সারা দেশের ন্যায় বাউফল উপজেলায় ৩টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ মোট ১২টি স্বাস্থ্য ও ইউনিয়ন কল্যাণ কেন্দ্রে এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগ দেন। কিন্তু বাউফলে ১২ জন চিকিৎসক যোগদানের পর একদিনের জন্য ওই সব স্বাস্থ্য ও ইউনিয়ন কল্যাণ কেন্দ্রে যাননি। এর ফলে গ্রামের সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন। 

যুগান্তরের অনলাইনে মঙ্গলবার ‘যোগদানের পর একদিনও কর্মস্থলে যাননি ২৯তম বিসিএসের ১২ চিকিৎসক’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর টনক নড়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার দফতর থেকে ওই সব চিকিৎসককে কর্মস্থলে অফিস করার জন্য কঠোর নির্দেশ দেয়ার পর বৃহস্পতিবার থেকে তারা কর্মস্থলে অফিস করেছেন। বাড়ির কাছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে এমবিবিএস চিকিৎসক এসেছে শুনে বিপুলসংখ্যক মানুষ চিকিৎসা সুবিধা নিতে যান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. প্রশান্ত কুমার সাহা জানান, নতুন নিয়োগ পাওয়া ওই সব চিকিৎসকরা আগে থেকেই নিয়মিত অফিস করতেন।

অবশেষে কর্মস্থলে যাচ্ছেন সেই ১২ চিকিৎসক

 বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৩ জুলাই ২০২০, ০৯:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অবশেষে সেই চিকিৎসকরা নিজ নিজ কর্মস্থলে রোগী দেখেছেন। বৃহস্পতিবার অফিস সময় পর্যন্ত তারা রোগী দেখেছেন। গ্রামের মানুষ বাড়ির কাছে চিকিৎসক পেয়ে খুশি হয়েছেন। তারা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সারা দেশের ন্যায় বাউফল উপজেলায় ৩টি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ মোট ১২টি স্বাস্থ্য ও ইউনিয়ন কল্যাণ কেন্দ্রে এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগ দেন। কিন্তু বাউফলে ১২ জন চিকিৎসক যোগদানের পর একদিনের জন্য ওই সব স্বাস্থ্য ও ইউনিয়ন কল্যাণ কেন্দ্রে যাননি। এর ফলে গ্রামের সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন।

যুগান্তরের অনলাইনে মঙ্গলবার ‘যোগদানের পর একদিনও কর্মস্থলে যাননি ২৯তম বিসিএসের ১২ চিকিৎসক’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর টনক নড়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার দফতর থেকে ওই সব চিকিৎসককে কর্মস্থলে অফিস করার জন্য কঠোর নির্দেশ দেয়ার পর বৃহস্পতিবার থেকে তারা কর্মস্থলে অফিস করেছেন। বাড়ির কাছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে এমবিবিএস চিকিৎসক এসেছে শুনে বিপুলসংখ্যক মানুষ চিকিৎসা সুবিধা নিতে যান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. প্রশান্ত কুমার সাহা জানান, নতুন নিয়োগ পাওয়া ওই সব চিকিৎসকরা আগে থেকেই নিয়মিত অফিস করতেন।