সোশ্যাল ট্রান্সমিশন ভীতিতে শোলাকিয়ায় হয়নি ঈদ জামাত
jugantor
সোশ্যাল ট্রান্সমিশন ভীতিতে শোলাকিয়ায় হয়নি ঈদ জামাত

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

০২ আগস্ট ২০২০, ১০:০৭:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনার সোশ্যাল ট্রান্সমিশন ভীতির কারণে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানসহ জেলার কোনো ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি। মসজিদে মসজিদে পালা করে এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে একই কারণে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠসহ সকল ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটি খোলা ঈদগাহ ময়দানে জামাত বন্ধ রাখার এ সিদ্ধান্ত নেয়।

জেলার কোনো ঈদগাহ মাঠ বা খোলা জায়গায় জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি বলেও জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী। তবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদগুলোতে পালাক্রমে জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, সবচেয়ে বড় জামাত হয়েছে ঐতিহাসিক শহীদী মসজিদ ও পাগলা মসজিদে। সকাল ৮টা ও ৯টায় এ দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

শহরের এ বড় দুটি জামাতে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও বিশিষ্টজনসহ বিপুল সংখ্যক মুসল্লি সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে অংশ গ্রহণ করেন।

এ দুটি বড় জামাতের মধ্যে ঐতিহাসিক শহীদী মসজিদে প্রথম জামাতে শায়খুল হাদিস মাওলানা শামসুল ইসলাম এবং দ্বিতীয় জামাতে শায়খুল হাদিস মাওলানা এমদাদ উল্লাহ ইমামতি করেন। ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা মো. আশরাফ আলী।

সোশ্যাল ট্রান্সমিশন ভীতিতে শোলাকিয়ায় হয়নি ঈদ জামাত

 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
০২ আগস্ট ২০২০, ১০:০৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনার সোশ্যাল ট্রান্সমিশন ভীতির কারণে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানসহ জেলার কোনো ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি। মসজিদে মসজিদে পালা করে এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।  

এর আগে একই কারণে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠসহ সকল ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি।   

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটি খোলা ঈদগাহ ময়দানে জামাত বন্ধ রাখার এ সিদ্ধান্ত নেয়।

জেলার কোনো ঈদগাহ মাঠ বা খোলা জায়গায় জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি বলেও জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী। তবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদগুলোতে পালাক্রমে জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, সবচেয়ে বড় জামাত হয়েছে ঐতিহাসিক শহীদী মসজিদ ও পাগলা মসজিদে। সকাল ৮টা ও ৯টায় এ দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়।    

শহরের এ বড় দুটি জামাতে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও বিশিষ্টজনসহ বিপুল সংখ্যক মুসল্লি সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে অংশ গ্রহণ করেন।

এ দুটি বড় জামাতের মধ্যে ঐতিহাসিক শহীদী মসজিদে প্রথম জামাতে শায়খুল হাদিস মাওলানা শামসুল ইসলাম এবং দ্বিতীয় জামাতে শায়খুল হাদিস মাওলানা এমদাদ উল্লাহ ইমামতি করেন। ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা মো. আশরাফ আলী।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস