রমজানের অনুদানের চেক ৭২ দিন পর হস্তান্তর!
jugantor
রমজানের অনুদানের চেক ৭২ দিন পর হস্তান্তর!

  পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি  

০৫ আগস্ট ২০২০, ২৩:০৩:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

খুলনার পাইকগাছার কওমি মাদরাসার এতিম ও দুস্থ শিক্ষার্থীরা অবশেষে ৭২ দিন পর পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের অনুদানের চেক হাতে পেয়েছে। নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে এ চেক হস্তান্তর করেন।

প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ শামীম মুসফিক স্বাক্ষরিত পত্রে দেখা যায়, উপজেলার সাতটি কওমি মাদরাসার এতিম ও দুস্থ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার অনুদান বরাদ্দ হয়েছে। পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তা অনুদান হিসেবে প্রদান করেন। ১৭ মে তারিখের চিঠিতে অনতিবিলম্বে উক্ত টাকা বিতরণ করতে বলা হয়। ২৩ মে সদ্যবিদায়ী ইউএনও জুলিয়া সুকায়না স্বাক্ষর করে উক্ত টাকা উত্তোলন করেন।

কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠানকে এ ব্যাপারে না জানিয়ে সমস্ত টাকা তার কাছে রেখে দেন। এর মধ্যে রমজান গেল, ঈদুল ফিতর গেল- এমনিভাবে ২ মাস গেলেও টাকার কোনো হদিস মেলেনি। বিষয়টি জানার পর চাঁদখালী শামসুল উলুম কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক অয়েস উদ্দীন গত ২৮ জুলাই ইউএনও দফতরে টাকার জন্য আবেদন করেন।

নবাগত ইউএনও এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বিষয়টি নিয়ে ঈদের পরে সময় দেন এবং খোঁজখবর নিয়ে মঙ্গল ও বুধবার ৬টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছে চেক হস্তান্তর করেন।

এ ব্যাপারে সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক উত্তম কুমার কুণ্ডু বলেন, এ টাকার কথা তার মনে ছিল না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, যথাসময়ে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অনুদান প্রদান করলে ভালো হতো। আমি আবেদন পাওয়ার পর কওমি মাদ্রাসাগুলোকে সংবাদ দিয়ে চেক প্রদান করেছি।

রমজানের অনুদানের চেক ৭২ দিন পর হস্তান্তর!

 পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি 
০৫ আগস্ট ২০২০, ১১:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

খুলনার পাইকগাছার কওমি মাদরাসার এতিম ও দুস্থ শিক্ষার্থীরা অবশেষে ৭২ দিন পর পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের অনুদানের চেক হাতে পেয়েছে। নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে এ চেক হস্তান্তর করেন।

প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ শামীম মুসফিক স্বাক্ষরিত পত্রে দেখা যায়, উপজেলার সাতটি কওমি মাদরাসার এতিম ও দুস্থ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার অনুদান বরাদ্দ হয়েছে। পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তা অনুদান হিসেবে প্রদান করেন। ১৭ মে তারিখের চিঠিতে অনতিবিলম্বে উক্ত টাকা বিতরণ করতে বলা হয়। ২৩ মে সদ্যবিদায়ী ইউএনও জুলিয়া সুকায়না স্বাক্ষর করে উক্ত টাকা উত্তোলন করেন।

কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠানকে এ ব্যাপারে না জানিয়ে সমস্ত টাকা তার কাছে রেখে দেন। এর মধ্যে রমজান গেল, ঈদুল ফিতর গেল- এমনিভাবে ২ মাস গেলেও টাকার কোনো হদিস মেলেনি। বিষয়টি জানার পর চাঁদখালী শামসুল উলুম কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক অয়েস উদ্দীন গত ২৮ জুলাই ইউএনও দফতরে টাকার জন্য আবেদন করেন।

নবাগত ইউএনও এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বিষয়টি নিয়ে ঈদের পরে সময় দেন এবং খোঁজখবর নিয়ে মঙ্গল ও বুধবার ৬টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছে চেক হস্তান্তর করেন।

এ ব্যাপারে সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক উত্তম কুমার কুণ্ডু বলেন, এ টাকার কথা তার মনে ছিল না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, যথাসময়ে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অনুদান প্রদান করলে ভালো হতো। আমি আবেদন পাওয়ার পর কওমি মাদ্রাসাগুলোকে সংবাদ দিয়ে চেক প্রদান করেছি।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস