করোনা ও উপসর্গে বগুড়ায় ৬ জনের মৃত্যু
jugantor
করোনা ও উপসর্গে বগুড়ায় ৬ জনের মৃত্যু

  বগুড়া ব্যুরো  

১৩ আগস্ট ২০২০, ২৩:২৭:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ায় করোনায় আক্রান্ত দুইজন ও উপসর্গে চারজন মারা গেছেন। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল এবং টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ (টিএমসি) ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

টিএমসি ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের সহকারী নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহিম রুবেল জানান, বগুড়া শহরের নাটাইপাড়ার গৃহিণী আঞ্জুমান আরা (৬০) গত ৫ আগস্ট সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নমুনা দিয়ে করোনা শনাক্ত হন। বেশি অসুস্থ হলে গত ১০ আগস্ট রাত ২টা ৪০ মিনিটে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে মারা যান।

বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল সূত্র জানায়, শাজাহানপুর উপজেলার চুপিনগর গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৬৪) করোনা উপসর্গ নিয়ে গত ২৩ জুলাই হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে নমুনা পরীক্ষায় তিনি করোনা পজিটিভ হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে তিনি মারা যান।

সূত্রটি আরও জানায়, বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার নুনদহ গ্রামের আবদুল ওয়াহাব (৭৫) করোনা উপসর্গে আক্রান্ত হন। তাকে গত ১১ আগস্ট বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে মারা যান।

এদিকে করোনা উপসর্গ দেখা দিলে বগুড়ার শেরপুরের কাটুরিয়া গ্রামের গোলাম মোরশেদ (৭২) গত ১১ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি রাত ১২টার দিকে মারা গেছেন।

নওগাঁর বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামের আবু তালেব (৪০) করোনা উপসর্গ নিয়ে গত ১১ আগস্ট বেলা ২টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে আসেন। বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে মারা যান।

এছাড়া বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার রাঘোমাঝি গ্রামের মোরশেদা বেগমের (৫২) করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। তিনি ১০ আগস্ট বেলা ১২.২০ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে বুধবার সন্ধ্যা ৭.২০ মিনিটে মারা যান।

সূত্রগুলো জানায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে লাশগুলো প্রস্তুত ও জানাজা শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত তাদের নমুনার ফলাফল পাওয়া যায়নি।

করোনা ও উপসর্গে বগুড়ায় ৬ জনের মৃত্যু

 বগুড়া ব্যুরো 
১৩ আগস্ট ২০২০, ১১:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ায় করোনায় আক্রান্ত দুইজন ও উপসর্গে চারজন মারা গেছেন। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল এবং টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ (টিএমসি) ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

টিএমসি ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের সহকারী নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহিম রুবেল জানান, বগুড়া শহরের নাটাইপাড়ার গৃহিণী আঞ্জুমান আরা (৬০) গত ৫ আগস্ট সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নমুনা দিয়ে করোনা শনাক্ত হন। বেশি অসুস্থ হলে গত ১০ আগস্ট রাত ২টা ৪০ মিনিটে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে মারা যান।

বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল সূত্র জানায়, শাজাহানপুর উপজেলার চুপিনগর গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৬৪) করোনা উপসর্গ নিয়ে গত ২৩ জুলাই হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে নমুনা পরীক্ষায় তিনি করোনা পজিটিভ হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে তিনি মারা যান।

সূত্রটি আরও জানায়, বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার নুনদহ গ্রামের আবদুল ওয়াহাব (৭৫) করোনা উপসর্গে আক্রান্ত হন। তাকে গত ১১ আগস্ট বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে মারা যান।

এদিকে করোনা উপসর্গ দেখা দিলে বগুড়ার শেরপুরের কাটুরিয়া গ্রামের গোলাম মোরশেদ (৭২) গত ১১ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি রাত ১২টার দিকে মারা গেছেন।

নওগাঁর বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামের আবু তালেব (৪০) করোনা উপসর্গ নিয়ে গত ১১ আগস্ট বেলা ২টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে আসেন। বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে মারা যান।

এছাড়া বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার রাঘোমাঝি গ্রামের মোরশেদা বেগমের (৫২) করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। তিনি ১০ আগস্ট বেলা ১২.২০ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে বুধবার সন্ধ্যা ৭.২০ মিনিটে মারা যান।

সূত্রগুলো জানায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে লাশগুলো প্রস্তুত ও জানাজা শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত তাদের নমুনার ফলাফল পাওয়া যায়নি।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস