তিন কোভিড হাসপাতালে করোনার চিকিৎসা কার্যক্রম বাতিল
jugantor
তিন কোভিড হাসপাতালে করোনার চিকিৎসা কার্যক্রম বাতিল

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৭:৪০:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর তিন কোভিড ডেডিকেডেট হাসপাতালের কার্যক্রম বাতিলকরা হয়েছে। ওই হাসপাতালগুলোতে এখন থেকে নন কভিড রোগীদের চিকিৎসা কার্যক্রম চলবে।

বাবু বাজারে অবস্থিত ঢাকা মহানগর হাসপাতাল, মিরপুরের লালকুঠি হাসপাতাল ও কুড়িল এলাকার বসুন্ধরা কভিড হাসপাতালকে নন কভিড হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ওই হাসপাতালগুলোতে নন কভিড চিকিৎসা কার্যক্রম চালুর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণায়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব ড. বিলকিস বেগম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটির সংক্রমণে সর্বমোট চার হাজার ৮৫৯ জন মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার বিকালে কোভিড-১৯ মহামারী নিয়ে হালনাগাদ তথ্য জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমন খবর পাওয়া গেছে।

এতে বলা হয়েছে, গত একদিনে ১৩ হাজার ৬৭৩ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৫৯৩ জন। এতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৪৪ হাজার ২৬৪ জনে।

এ সময়ে দুই হাজার ৪৪৩ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাদের নিয়ে ভাইরাসটিতে থেকে মোট সেরে উঠেছেন দুই লাখ ৫০ হাজার ৪৩১২ জন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে ৮ মার্চ, ২৬ আগস্ট তা তিন লাখ পেরিয়ে যায়। এর মধ্যে ২ জুলাই চার হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ৭ সেপ্টেম্বর সেই সংখ্যা সাড়ে চার হাজার ছাড়িয়ে যায়।

তিন কোভিড হাসপাতালে করোনার চিকিৎসা কার্যক্রম বাতিল

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর তিন কোভিড ডেডিকেডেট হাসপাতালের কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে। ওই হাসপাতালগুলোতে এখন থেকে নন কভিড রোগীদের চিকিৎসা কার্যক্রম চলবে।

বাবু বাজারে অবস্থিত ঢাকা মহানগর হাসপাতাল, মিরপুরের লালকুঠি হাসপাতাল ও কুড়িল এলাকার বসুন্ধরা কভিড হাসপাতালকে নন কভিড হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ওই হাসপাতালগুলোতে নন কভিড চিকিৎসা কার্যক্রম চালুর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণায়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব ড. বিলকিস বেগম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটির সংক্রমণে সর্বমোট চার হাজার ৮৫৯ জন মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার বিকালে কোভিড-১৯ মহামারী নিয়ে হালনাগাদ তথ্য জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমন খবর পাওয়া গেছে।

এতে বলা হয়েছে, গত একদিনে ১৩ হাজার ৬৭৩ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৫৯৩ জন। এতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৪৪ হাজার ২৬৪ জনে।

এ সময়ে দুই হাজার ৪৪৩ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাদের নিয়ে ভাইরাসটিতে থেকে মোট সেরে উঠেছেন দুই লাখ ৫০ হাজার ৪৩১২ জন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে ৮ মার্চ, ২৬ আগস্ট তা তিন লাখ পেরিয়ে যায়। এর মধ্যে ২ জুলাই চার হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ৭ সেপ্টেম্বর সেই সংখ্যা সাড়ে চার হাজার ছাড়িয়ে যায়। 

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস