দেশ ছাড়লেন ড. বিজন কুমার শীল
jugantor
দেশ ছাড়লেন ড. বিজন কুমার শীল

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৩২:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশ ছাড়লেন ড. বিজন কুমার শীল

খ্যাতিমান বিজ্ঞানী ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের করোনা কিট উদ্ভাবন দলের প্রধান বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল সিঙ্গাপুরে ফিরে গেছেন।

রোববার ভোরে সিঙ্গাপুরের একটি ফ্লাইটে বিজন কুমার শীল ঢাকা ছাড়েন বলে জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু। বাংলাদেশে জন্ম নেয়া এই বিজ্ঞানী সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব নিয়েছেন।

জানা গেছে, ভিসাসংক্রান্ত জটিলতার কারণে ড. বিজন কুমার শীল সিঙ্গাপুর ফিরে গেছেন।

সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব পাওয়া বিজন কুমার শীল ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন। তিনি গণবিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান হিসেবে পাঠদান করাচ্ছিলেন। এর মধ্যে বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণ শুরু হলে আগের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি অ্যান্টিজেন্ট ও অ্যান্টিবডি কিটের উদ্ভাবন করেন। দীর্ঘসূত্রতার পরও এটি এখনও সরকারের অনুমোদন পায়নি।
গত জুলাইয়ে বিজন কুমার শীলের ওয়ার্ক ভিসার মেয়াদ শেষ হয়। তার পর ওয়ার্ক ভিসার জন্য আবেদন করেও কোনো সাড়া পাননি। ফলে অনেকটা আশাহত হয়েই দেশ ছাড়লেন খ্যাতনামা এই বিজ্ঞানী।

প্রসঙ্গত, এর আগে ১৯৯৯ সালে ছাগলের মড়ক ঠেকানো ভ্যাকসিন, ২০০২ সালে ডেঙ্গু ও ২০০৩ সালে সার্চ ভাইরাসের র্যারপিড টেস্টের কিট উদ্ভাবন করে আলোচনায় আসেন বিজন কুমার শীল। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরুতে গণস্বাস্থ্য র্যা পিড কিট আবিষ্কারের ঘোষণা দেয়। এই কিট উদ্ভাবনে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন এই বিজ্ঞানী।

দেশ ছাড়লেন ড. বিজন কুমার শীল

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৩২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দেশ ছাড়লেন ড. বিজন কুমার শীল
ফাইল ছবি

খ্যাতিমান বিজ্ঞানী ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের করোনা কিট উদ্ভাবন দলের প্রধান বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল সিঙ্গাপুরে ফিরে গেছেন।
 
রোববার ভোরে সিঙ্গাপুরের একটি ফ্লাইটে বিজন কুমার শীল ঢাকা ছাড়েন বলে জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু। বাংলাদেশে জন্ম নেয়া এই বিজ্ঞানী সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব নিয়েছেন।

জানা গেছে, ভিসাসংক্রান্ত জটিলতার কারণে ড. বিজন কুমার শীল সিঙ্গাপুর ফিরে গেছেন।

সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব পাওয়া বিজন কুমার শীল ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন। তিনি গণবিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান হিসেবে পাঠদান করাচ্ছিলেন। এর মধ্যে বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণ শুরু হলে আগের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি অ্যান্টিজেন্ট ও অ্যান্টিবডি কিটের উদ্ভাবন করেন। দীর্ঘসূত্রতার পরও এটি এখনও সরকারের অনুমোদন পায়নি।
গত জুলাইয়ে বিজন কুমার শীলের ওয়ার্ক ভিসার মেয়াদ শেষ হয়। তার পর ওয়ার্ক ভিসার জন্য আবেদন করেও কোনো সাড়া পাননি। ফলে অনেকটা আশাহত হয়েই দেশ ছাড়লেন খ্যাতনামা এই বিজ্ঞানী।

প্রসঙ্গত, এর আগে ১৯৯৯ সালে ছাগলের মড়ক ঠেকানো ভ্যাকসিন, ২০০২ সালে ডেঙ্গু ও ২০০৩ সালে সার্চ ভাইরাসের র্যারপিড টেস্টের কিট উদ্ভাবন করে আলোচনায় আসেন বিজন কুমার শীল। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরুতে গণস্বাস্থ্য র্যা পিড কিট আবিষ্কারের ঘোষণা দেয়। এই কিট উদ্ভাবনে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন এই বিজ্ঞানী। 
 

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস