রাজাপুরে ঘরে ঘরে জ্বর সর্দি কাশি, সবাই করোনা আতঙ্কে
jugantor
রাজাপুরে ঘরে ঘরে জ্বর সর্দি কাশি, সবাই করোনা আতঙ্কে

  রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি  

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:২১:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সর্দি কাশি

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে সব বয়সের মানুষের জ্বর, সর্দি, কাশি দেখা দিয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ছয়টি ইউনিয়নের কমিউনিটি ক্লিনিক গুলোতে উপচেপড়া ভিড় দেখা দিয়েছে।

চিকিৎসকরা সব রোগীকেই জ্বর, সর্দি ও কাশির ওষুধ বিতরণ করছেন। অথচ রোগীদের মনে রয়ে গেছে করোনা আতঙ্ক।

উপজেলার বড়ইয়ার ও সাতুরিয়া ইউনিয়নের আবদুল জব্বার, মোতালেব হোসেন ও জোহরা বেগম জানান, কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে যে ওষুধ সরবরাহ করছে তাতে তাদের রোগের কোনো উপশম হচ্ছে না। আমরা দুশ্চিন্তায় রয়েছি মহামারি করোনাভাইরাসে আমাদের মধ্যে কেউ আক্রান্ত হয়েছে কি না।

বুধবার বড়ইয়া ও সাতুরিয়া ইউনিয়নের কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে রোগীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। চিকিৎসকরা জানান, আমরা রোগী দেখে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ওষুধ সরবরাহ করছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. আবুল খায়ের মাহমুদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার কোনো ব্যবস্থা নেই।

তবে তিনি জানান, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে হঠাৎ করে উপজেলাব্যাপী ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি, কাশি দেখা দিয়েছে। প্রতিবছর এ সময় প্রায় লোকেরই জ্বর, সর্দি, কাশি হয়ে থাকে।

তিনি আরও জানান, এ সকল রোগীদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত রোগীও থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন।

রাজাপুরে ঘরে ঘরে জ্বর সর্দি কাশি, সবাই করোনা আতঙ্কে

 রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সর্দি কাশি
প্রতীকী ছবি

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে সব বয়সের মানুষের জ্বর, সর্দি, কাশি দেখা দিয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ছয়টি ইউনিয়নের কমিউনিটি ক্লিনিক গুলোতে উপচেপড়া ভিড় দেখা দিয়েছে।

চিকিৎসকরা সব রোগীকেই জ্বর, সর্দি ও কাশির ওষুধ বিতরণ করছেন। অথচ রোগীদের মনে রয়ে গেছে করোনা আতঙ্ক।

উপজেলার বড়ইয়ার ও সাতুরিয়া ইউনিয়নের আবদুল জব্বার, মোতালেব হোসেন ও জোহরা বেগম জানান, কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে যে ওষুধ সরবরাহ করছে তাতে তাদের রোগের কোনো উপশম হচ্ছে না। আমরা দুশ্চিন্তায় রয়েছি মহামারি করোনাভাইরাসে আমাদের মধ্যে কেউ আক্রান্ত হয়েছে কি না।

বুধবার বড়ইয়া ও সাতুরিয়া ইউনিয়নের কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে রোগীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। চিকিৎসকরা জানান, আমরা রোগী দেখে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ওষুধ সরবরাহ করছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. আবুল খায়ের মাহমুদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার কোনো ব্যবস্থা নেই।

তবে তিনি জানান, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে হঠাৎ করে উপজেলাব্যাপী ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি, কাশি দেখা দিয়েছে। প্রতিবছর এ সময় প্রায় লোকেরই জ্বর, সর্দি, কাশি হয়ে থাকে।

তিনি আরও জানান, এ সকল রোগীদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত রোগীও থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস