দেশে করোনায় ১৩৯ দিনের মধ্যে সবচেয়ে কম মৃত্যু
jugantor
দেশে করোনায় ১৩৯ দিনের মধ্যে সবচেয়ে কম মৃত্যু

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৪ অক্টোবর ২০২০, ১৫:২৩:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশে করোনায় ১৩৯ দিনের মধ্যে সবচেয়ে কম মৃত্যু

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বুধবার গত ১৩৯ দিনের মধ্যে সবচেয়ে কম মৃত্যু হয়েছে। অতিসংক্রামক এই ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৬৮৪ জন।

বুধবার কোভিড-১৯ রোগ নিয়ে হালনাগাদ তথ্য জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য মিলেছে।

সেখানে বলা হয়, সকাল ৮টা পর্যন্ত শনাক্ত এক হাজার ৬৮৪ জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ৮২ হাজার ৯৫৯ জন হল।

আর গত এক দিনে মারা যাওয়া ১৬ জনকে নিয়ে দেশে এই ভাইরাসে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৫৯৩ জনে।

রোজার ঈদের পর গত ২৮ মে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৫ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর।

আর গত ১৯ অক্টোবর ১৭ জনের মৃত্যুর তথ্য দেয়া হয়েছিল।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও এক হাজার ৫৭৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ২ লাখ ৯৭ হাজার ৪৪৯ জন হয়েছে।

এদিকে ঢাকা শহরের প্রায় অর্ধেক মানুষের করোনা সংক্রমণ ঘটে গেছে। অ্যান্টিবডি পরীক্ষার ফলাফল বলছে, তিন মাস আগেই রাজধানীর ৪৫ শতাংশ মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

করোনাভাইরাসের জিন বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা অনুমান করছেন, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি দেশে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছিল।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) যৌথ গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভাইরাসের সংক্রমণ হলে তা প্রতিহত করার জন্য রক্তের শ্বেতকণিকা অ্যান্টিবডি তৈরি করে।

এর মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা জন্ম নেয়। অ্যান্টিবডি শনাক্তের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সংক্রমিত হয়েছিলেন কি না, তা জানা যায়।

দেশে করোনায় ১৩৯ দিনের মধ্যে সবচেয়ে কম মৃত্যু

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৪ অক্টোবর ২০২০, ০৩:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দেশে করোনায় ১৩৯ দিনের মধ্যে সবচেয়ে কম মৃত্যু
ফাইল ছবি

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বুধবার গত ১৩৯ দিনের মধ্যে সবচেয়ে কম মৃত্যু হয়েছে। অতিসংক্রামক এই ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৬৮৪ জন।

বুধবার কোভিড-১৯ রোগ নিয়ে হালনাগাদ তথ্য জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য মিলেছে।

সেখানে বলা হয়, সকাল ৮টা পর্যন্ত শনাক্ত এক হাজার ৬৮৪ জনকে নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ৮২ হাজার ৯৫৯ জন হল।

আর গত এক দিনে মারা যাওয়া ১৬ জনকে নিয়ে দেশে এই ভাইরাসে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৫৯৩ জনে।

রোজার ঈদের পর গত ২৮ মে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৫ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। 

আর গত ১৯ অক্টোবর ১৭ জনের মৃত্যুর তথ্য দেয়া হয়েছিল।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও এক হাজার ৫৭৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ২ লাখ ৯৭ হাজার ৪৪৯ জন হয়েছে।

এদিকে ঢাকা শহরের প্রায় অর্ধেক মানুষের করোনা সংক্রমণ ঘটে গেছে। অ্যান্টিবডি পরীক্ষার ফলাফল বলছে, তিন মাস আগেই রাজধানীর ৪৫ শতাংশ মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। 

করোনাভাইরাসের জিন বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা অনুমান করছেন, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি দেশে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছিল।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) যৌথ গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভাইরাসের সংক্রমণ হলে তা প্রতিহত করার জন্য রক্তের শ্বেতকণিকা অ্যান্টিবডি তৈরি করে। 

এর মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা জন্ম নেয়। অ্যান্টিবডি শনাক্তের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সংক্রমিত হয়েছিলেন কি না, তা জানা যায়।
 

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস