টিকার জন্য বিশ্বব্যাংক থেকে ৫০ কোটি ডলার চায় বাংলাদেশ
jugantor
টিকার জন্য বিশ্বব্যাংক থেকে ৫০ কোটি ডলার চায় বাংলাদেশ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৫ অক্টোবর ২০২০, ১৩:২৯:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

টিকার জন্য বিশ্বব্যাংক থেকে ৫০ কোটি ডলার চায় বাংলাদেশ

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণের জন্য বিশ্বব্যাংকের কাছে ৫০ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ।

বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিকসভায় এ সহায়তা চান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। শনিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

২২ অক্টোবর সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে এক ভার্চুয়াল সভায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টভিগ শ্যাফার।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোভিড-১৯ রিকভারি অ্যান্ড রেসপন্স প্রকল্পের আওতায় দেশে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ধকল সামলানোর জন্য ৫০ কোটি ডলার থেকে জরুরি ভিত্তিতে ২৫ কোটি ডলার অবমুক্ত করার জন্য বাংলাদেশ পক্ষ থেকে বিশ্বব্যাংককে অনুরোধ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, করোনভাইরাস মহামারীর কারণে দেশের ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমবাজার, আর্থিক ও সামাজিক খাতের রক্ষণাবেক্ষণে বিশ্বব্যাংক সমর্থিত প্রোগ্রামেটিক জবস ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিটের (ডিপিসি) অধীনে চলতি অর্থবছরে ২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তার তৃতীয় কিস্তি দ্রুত ছাড় করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বাংলাদেশ পক্ষ ঋণ প্রদানকারী সংস্থাকে অনুরোধ করেছে।

কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলায় বিশ্বব্যাংকের বিভিন্ন দ্রুত ও সময়োপযোগী প্রয়াসের প্রশংসা করে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে। তিনি আইডিএ ১৯-এর আওতায় বাংলাদেশকে আও বেশি বরাদ্দ দেয়ার জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানান।


টিকার জন্য বিশ্বব্যাংক থেকে ৫০ কোটি ডলার চায় বাংলাদেশ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৫ অক্টোবর ২০২০, ০১:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
টিকার জন্য বিশ্বব্যাংক থেকে ৫০ কোটি ডলার চায় বাংলাদেশ
প্রতীকী ছবি

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণের জন্য বিশ্বব্যাংকের কাছে ৫০ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ।

বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিকসভায় এ সহায়তা চান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। শনিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

২২ অক্টোবর সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে এক ভার্চুয়াল সভায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টভিগ শ্যাফার।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোভিড-১৯ রিকভারি অ্যান্ড রেসপন্স প্রকল্পের আওতায় দেশে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ধকল সামলানোর জন্য ৫০ কোটি ডলার থেকে জরুরি ভিত্তিতে ২৫ কোটি ডলার অবমুক্ত করার জন্য বাংলাদেশ পক্ষ থেকে বিশ্বব্যাংককে অনুরোধ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, করোনভাইরাস মহামারীর কারণে দেশের ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমবাজার, আর্থিক ও সামাজিক খাতের রক্ষণাবেক্ষণে বিশ্বব্যাংক সমর্থিত প্রোগ্রামেটিক জবস ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিটের (ডিপিসি) অধীনে চলতি অর্থবছরে ২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তার তৃতীয় কিস্তি দ্রুত ছাড় করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বাংলাদেশ পক্ষ ঋণ প্রদানকারী সংস্থাকে অনুরোধ করেছে।

কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলায় বিশ্বব্যাংকের বিভিন্ন দ্রুত ও সময়োপযোগী প্রয়াসের প্রশংসা করে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে। তিনি আইডিএ ১৯-এর আওতায় বাংলাদেশকে আও বেশি বরাদ্দ দেয়ার জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানান।


 

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস