‘‌‌‌আগামী শীতে ফিরবে‌ স্বাভাবিক জীবন’
jugantor
‘‌‌‌আগামী শীতে ফিরবে‌ স্বাভাবিক জীবন’

  অনলাইন ডেস্ক  

১৫ নভেম্বর ২০২০, ২২:৪৫:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা

আগামী গ্রীষ্ম শেষে করোনার নতুন টিকার প্রভাব সুস্পষ্ট হতে শুরু করবে। সেই হিসেবে আগামী শীতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে বিশ্ব।

করোনার টিকা গ্রীষ্মে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় প্রভাব ফেলতে শুরু করবে এবং আগামী শীত নাগাদ বিশ্বে জনজীবন আবার স্বাভাবিক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জার্মানির বায়োএনটেকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর উগুর শাহিন।

গত সপ্তাহে ফাইজার ও বায়োএনটেক তাদের টিকার প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে তাদের টিকা পাওয়া ৯০ শতাংশ মানুষ করোনা প্রতিরোধ করতে সক্ষম। তাদের এই গবেষণায় প্রায় ৪৩ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছিল।

বিবিসির এক বিশেষ অনুষ্ঠানে উগুর শাহীন বলেন, ভ্যাকসিনটি নিলে তা একজনের থেকে অন্যজনে সংক্রমণের হার কমানো ছাড়াও একজনের শরীরে করোনার উপসর্গ তৈরি হওয়া থামিয়ে দেবে বলে আত্মবিশ্বাসী তিনি। সব ঠিক থাকলে এ বছরের শেষ নাগাদ ও আগামী বছরের শুরুতে ভ্যাকসিনের সরবরাহ শুরু হবে।

‘আমাদের লক্ষ্য আগামী এপ্রিলের মধ্যে সারা বিশ্বে ৩০ কোটি ডোজের বেশি টিকা ডেলিভারি দেওয়া। শুধুমাত্র সেক্ষেত্রেই হয়ত মহামারী নির্মূলে কাজ শুরুর মত পরিস্থিতি তৈরি হবে।’

‘তবে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে আগামী বছর শরৎ বা শীতের আগে অনেক বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া। শরতের আগেই সব টিকাদান প্রকল্পের কাজ শেষ করা।‘

শাহিন জানান, করোনার টিকা সংক্রমণের হার কমাবে বলে তিনি শতভাগ আস্থাশীল। টিকার একটি বড় প্রভাব হচ্ছে সংক্রমণের হার অর্ধেকে নামিয়ে আনা।

তুর্কি বংশোদ্ভূত জার্মান এই বিজ্ঞানী আরও বলেছেন, এ পর্যন্ত ভ্যাকসিনের বড় ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বলতে যা দেখা গেছে, তা হলো টিকা দেয়ার স্থানে হালকা ও মাঝারি মাত্রার ব্যথা। কিছু মানুষের সামান্য সময়ের জন্য হালকা ও মাঝারি মাত্রার জ্বর হতে দেখা গেছে। এর বাইরে আর কোনো গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

‘‌‌‌আগামী শীতে ফিরবে‌ স্বাভাবিক জীবন’

 অনলাইন ডেস্ক 
১৫ নভেম্বর ২০২০, ১০:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
করোনা
ফাইল ছবি

আগামী গ্রীষ্ম শেষে করোনার নতুন টিকার প্রভাব সুস্পষ্ট হতে শুরু করবে। সেই হিসেবে আগামী শীতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে বিশ্ব। 

করোনার টিকা গ্রীষ্মে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় প্রভাব ফেলতে শুরু করবে এবং আগামী শীত নাগাদ বিশ্বে জনজীবন আবার স্বাভাবিক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জার্মানির বায়োএনটেকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর উগুর শাহিন।

গত সপ্তাহে ফাইজার ও বায়োএনটেক তাদের টিকার প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে তাদের টিকা পাওয়া ৯০ শতাংশ মানুষ করোনা প্রতিরোধ করতে সক্ষম। তাদের এই গবেষণায় প্রায় ৪৩ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছিল।

বিবিসির এক বিশেষ অনুষ্ঠানে উগুর শাহীন বলেন, ভ্যাকসিনটি নিলে তা একজনের থেকে অন্যজনে সংক্রমণের হার কমানো ছাড়াও একজনের শরীরে করোনার উপসর্গ তৈরি হওয়া থামিয়ে দেবে বলে আত্মবিশ্বাসী তিনি। সব ঠিক থাকলে এ বছরের শেষ নাগাদ ও আগামী বছরের শুরুতে ভ্যাকসিনের সরবরাহ শুরু হবে।

‘আমাদের লক্ষ্য আগামী এপ্রিলের মধ্যে সারা বিশ্বে ৩০ কোটি ডোজের বেশি টিকা ডেলিভারি দেওয়া। শুধুমাত্র সেক্ষেত্রেই হয়ত মহামারী নির্মূলে কাজ শুরুর মত পরিস্থিতি তৈরি হবে।’

‘তবে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে আগামী বছর শরৎ বা শীতের আগে অনেক বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া। শরতের আগেই সব টিকাদান প্রকল্পের কাজ শেষ করা।‘

শাহিন জানান, করোনার টিকা সংক্রমণের হার কমাবে বলে তিনি শতভাগ আস্থাশীল। টিকার একটি বড় প্রভাব হচ্ছে সংক্রমণের হার অর্ধেকে নামিয়ে আনা।

তুর্কি বংশোদ্ভূত জার্মান এই বিজ্ঞানী আরও বলেছেন, এ পর্যন্ত ভ্যাকসিনের বড় ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বলতে যা দেখা গেছে, তা হলো টিকা দেয়ার স্থানে হালকা ও মাঝারি মাত্রার ব্যথা। কিছু মানুষের সামান্য সময়ের জন্য হালকা ও মাঝারি মাত্রার জ্বর হতে দেখা গেছে। এর বাইরে আর কোনো গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস