করোনা ঠেকাতে ক্যালিফোর্নিয়ায় কারফিউ 
jugantor
করোনা ঠেকাতে ক্যালিফোর্নিয়ায় কারফিউ 

  যুগান্তর ডেস্ক  

২২ নভেম্বর ২০২০, ১৫:০৩:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা ঠেকাতে ক্যালিফোর্নিয়ায় কারফিউ 

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে ক্রমবর্ধমান মৃত্যু ও আক্রান্ত রোগীর লাগাম টানতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় রাত্রিকালীন কারফিউ শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জারি করা এ কারফিউ স্থানীয় সময় শনিবার থেকে কার্যকর হয়েছে। শনিবার থেকে আগামী ২১ ডিসেম্বর রোজ রাত ১০টা থেকে পর দিন ভোর ৫টা পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ থাকবে; প্রয়োজন হলে কারফিউর মেয়াদ আরও বাড়বে।

পশ্চিমাঞ্চলীয় এ রাজ্যটিতে আগস্টে সংক্রমণের মাত্রা যে চূড়ায় উঠেছিল, পরিস্থিতি এখন তার চেয়েও ভয়াবহ বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস।

ক্যালিফোর্নিয়া গত সপ্তাহেই ১০ লাখ শনাক্ত রোগীর মাইলফলক অতিক্রম করেছে। রাজ্যটির ৫৮ কাউন্টির ৪১টিতেই ঘরে থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে কিছু কিছু কাউন্টিতে আরও কঠোর লকডাউন দেয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

রাজ্যের গভর্নর গ্যাভিন নিউসম বলেছেন, কোভিড-১৯ এখন যে গতিতে অগ্রসর হচ্ছে তা মহামারী শুরুর পর আর দেখা যায়নি। সংক্রমণ রোধে সামনের দিন ও সপ্তাহগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

‘আমরা সতর্কবার্তা পাচ্ছি। সামনে কঠিন সময়। হাসপাতালের চাপ কমাতে হলে কারফিউ ছাড়া উপায় নেই।’

টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের নির্দেশের চেয়ে এখনকার রাত্রিকালীন নিয়মে বেশি শর্ত দেয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ রাতে বেশি চলাফেরা এবং অবসর সময় কাটান বলে কোনো রেস্টুরেন্ট ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সময়ে খোলা যাবে না।

আগের নির্দেশ অনুযায়ী, সাধারণ মানুষ বাড়ির বাইরে হাঁটতে যেতে পারতেন। কিন্তু এখন সেটিও করা যাবে না।

মে মাসের পর এবারই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন কোভিড-১৯ সংক্রান্ত কারণে গড়ে দুই হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

দেশটিতে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১ লাখ ৮৭ হাজার নতুন আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে বলে শুক্রবার কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্যে দেখা গেছে।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় বেশ কয়েকটি রাজ্য বাধ্যতামূলক মাস্ক পরার নির্দেশনাসহ নানান ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। টেক্সাসের এলপাসো শহরে মর্গের কার্যক্রম পরিচালনায় ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয়েছে।

ব্রাজিল-ভারতে করোনা মারাত্মক আকার ধারণ করলেও এতটা খারাপ পরিস্থিতি হয়নি।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যমতে, করোনায় বিশ্বে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ২০ লাখ ৮৫ হাজার ৩৮৯ জন। মারা গেছেন ২ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৩ জন।

আর কোভিড ১৯-এ মৃত্যু ও আক্রান্তের পরিসংখ্যান রাখা আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারসের তথ্যমতে, রোববার বেলা দেড়টা পর্যন্ত করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে ১ কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার ৬৬৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৯০ জনের। আর আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৪ লাখ ৩ হাজার ৮৪৭ জন।


করোনা ঠেকাতে ক্যালিফোর্নিয়ায় কারফিউ 

 যুগান্তর ডেস্ক 
২২ নভেম্বর ২০২০, ০৩:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
করোনা ঠেকাতে ক্যালিফোর্নিয়ায় কারফিউ 
ফাইল ছবি

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে ক্রমবর্ধমান মৃত্যু ও আক্রান্ত রোগীর লাগাম টানতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় রাত্রিকালীন কারফিউ শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জারি করা এ কারফিউ স্থানীয় সময় শনিবার থেকে কার্যকর হয়েছে। শনিবার থেকে আগামী ২১ ডিসেম্বর রোজ রাত ১০টা থেকে পর দিন ভোর ৫টা পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ থাকবে; প্রয়োজন হলে কারফিউর মেয়াদ আরও বাড়বে।

পশ্চিমাঞ্চলীয় এ রাজ্যটিতে আগস্টে সংক্রমণের মাত্রা যে চূড়ায় উঠেছিল, পরিস্থিতি এখন তার চেয়েও ভয়াবহ বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। 

ক্যালিফোর্নিয়া গত সপ্তাহেই ১০ লাখ শনাক্ত রোগীর মাইলফলক অতিক্রম করেছে। রাজ্যটির ৫৮ কাউন্টির ৪১টিতেই ঘরে থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে কিছু কিছু কাউন্টিতে আরও কঠোর লকডাউন দেয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

রাজ্যের গভর্নর গ্যাভিন নিউসম বলেছেন, কোভিড-১৯ এখন যে গতিতে অগ্রসর হচ্ছে তা মহামারী শুরুর পর আর দেখা যায়নি। সংক্রমণ রোধে সামনের দিন ও সপ্তাহগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

‘আমরা সতর্কবার্তা পাচ্ছি। সামনে কঠিন সময়। হাসপাতালের চাপ কমাতে হলে কারফিউ ছাড়া উপায় নেই।’

টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের নির্দেশের চেয়ে এখনকার রাত্রিকালীন নিয়মে বেশি শর্ত দেয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ রাতে বেশি চলাফেরা এবং অবসর সময় কাটান বলে কোনো রেস্টুরেন্ট ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সময়ে খোলা যাবে না।

আগের নির্দেশ অনুযায়ী, সাধারণ মানুষ বাড়ির বাইরে হাঁটতে যেতে পারতেন। কিন্তু এখন সেটিও করা যাবে না।

মে মাসের পর এবারই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন কোভিড-১৯ সংক্রান্ত কারণে গড়ে দুই হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

দেশটিতে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১ লাখ ৮৭ হাজার নতুন আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে বলে শুক্রবার কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্যে দেখা গেছে।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় বেশ কয়েকটি রাজ্য বাধ্যতামূলক মাস্ক পরার নির্দেশনাসহ নানান ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। টেক্সাসের এলপাসো শহরে মর্গের কার্যক্রম পরিচালনায় ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয়েছে।

ব্রাজিল-ভারতে করোনা মারাত্মক আকার ধারণ করলেও এতটা খারাপ পরিস্থিতি হয়নি।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যমতে, করোনায় বিশ্বে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ২০ লাখ ৮৫ হাজার ৩৮৯ জন। মারা গেছেন ২ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৩ জন।

আর কোভিড ১৯-এ মৃত্যু ও আক্রান্তের পরিসংখ্যান রাখা আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারসের তথ্যমতে, রোববার বেলা দেড়টা পর্যন্ত করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে ১ কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার ৬৬৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৯০ জনের।  আর আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৪ লাখ ৩ হাজার ৮৪৭ জন।


 

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস