প্রতিটি হাসপাতালে সোয়া ৪ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন রাখতে পারবে
jugantor
প্রতিটি হাসপাতালে সোয়া ৪ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন রাখতে পারবে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৪ জানুয়ারি ২০২১, ১৮:০৫:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ফাইল ছবি

দেশের সরকারি হাসপাতালথেকেই ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। জেলা পর্যায়ের প্রতিটি হাসপাতালে সংরক্ষিত কোল্ড রুমে প্রায় ৪ লাখ ২৫ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, প্রতিটি হাসপাতালে ৫-১০টি আইস ফ্রিজার আছে যেখানে অন্তত ৭১ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন রাখা যাবে। প্রাথমিকভাবে সারা দেশে বর্তমানে ৭,৩৪৪টি টিম ভ্যাকসিন প্রদানে যুক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি টিমে ৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী কাজ করবেন।

বৃহস্পতিবার বিকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের ভ্যাকসিন প্রয়োগ ও বিতরণ সংক্রান্ত একটি সভা শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথাবলেন।

তিনি বলেন, দেশে অন্তত ১৪-১৫ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ রাখার ব্যবস্থা সরকারের হাতে রয়েছে। কাজেই দেশে ৪-৫কোটি ভ্যাকসিন চলে এলে সেগুলি সঠিকভাবে প্রয়োগে কোন সমস্যা হবে না।

ভ্যাকসিন প্রদানে কোন অনিয়ম যাতে না হয় সেজন্য দেশের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কঠোরভাবে মনিটরিং করবে। ভ্যাকসিন সংক্রান্ত সকল তথ্য যেন মানুষ দ্রুত জানতে পারে সেজন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে নিয়মিত ভ্যাকসিন বুলেটিন প্রচার করা হবে বলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

এদের পাশাপাশি, ভ্যাকসিন প্রদানে প্রায় ৪২ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ভ্যাকসিন প্রদান সংক্রান্ত একটি অ্যাপস আইসিটি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তৈরি প্রায় চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক, এমপি।

একই সঙ্গে সরকারিভাবে টিকা প্রদান শুরু করার পর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দেশের বড় বড় বেসরকারি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলিও শর্ত সাপেক্ষে ভ্যাকসিন প্রদান করতে পারবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

ব্রিফিংকালে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিটি হাসপাতালে সোয়া ৪ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন রাখতে পারবে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৪ জানুয়ারি ২০২১, ০৬:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

দেশের সরকারি হাসপাতাল থেকেই ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। জেলা পর্যায়ের প্রতিটি হাসপাতালে সংরক্ষিত কোল্ড রুমে প্রায় ৪ লাখ ২৫ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।  এর পাশাপাশি, প্রতিটি হাসপাতালে ৫-১০টি আইস ফ্রিজার আছে যেখানে অন্তত ৭১ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন রাখা যাবে। প্রাথমিকভাবে সারা দেশে বর্তমানে ৭,৩৪৪টি টিম ভ্যাকসিন প্রদানে যুক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি টিমে ৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী কাজ করবেন।

বৃহস্পতিবার বিকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের ভ্যাকসিন প্রয়োগ ও বিতরণ সংক্রান্ত একটি সভা শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, দেশে অন্তত ১৪-১৫ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ রাখার ব্যবস্থা সরকারের হাতে রয়েছে। কাজেই দেশে ৪-৫কোটি ভ্যাকসিন চলে এলে সেগুলি সঠিকভাবে প্রয়োগে কোন সমস্যা হবে না।

ভ্যাকসিন প্রদানে কোন অনিয়ম যাতে না হয় সেজন্য দেশের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কঠোরভাবে মনিটরিং করবে। ভ্যাকসিন সংক্রান্ত সকল তথ্য যেন মানুষ দ্রুত জানতে পারে সেজন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে নিয়মিত ভ্যাকসিন বুলেটিন প্রচার করা হবে বলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

এদের পাশাপাশি, ভ্যাকসিন প্রদানে প্রায় ৪২ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ভ্যাকসিন প্রদান সংক্রান্ত একটি অ্যাপস আইসিটি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তৈরি প্রায় চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক, এমপি।

একই সঙ্গে সরকারিভাবে টিকা প্রদান শুরু করার পর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দেশের বড় বড় বেসরকারি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলিও শর্ত সাপেক্ষে ভ্যাকসিন প্রদান করতে পারবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

ব্রিফিংকালে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।