করোনার অসম টিকা বিতরণ নীতির সমালোচনায় ডব্লিউএইচও
jugantor
করোনার অসম টিকা বিতরণ নীতির সমালোচনায় ডব্লিউএইচও

  অনলাইন ডেস্ক  

১৯ জানুয়ারি ২০২১, ১২:৪৯:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনার অসম টিকা বিতরণ নীতির সমালোচনায় ডব্লিউএইচও

অসম করোনা টিকা নীতির কারণে বিশ্ব এক ‘বিপর্যয়কর নৈতিক ব্যর্থতার’ মুখোমুখি বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেবরিয়াসুস।

তিনি বলেন, দরিদ্র দেশগুলোর ঝুঁকিতে থাকা অধিবাসীদের তুলনায় ধনী দেশগুলোর তরুণ ও স্বাস্থ্যবানরা আগাম টিকা নিচ্ছেন, যা একেবারেই ন্যায়সঙ্গত হচ্ছে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেন, ৪৯টি ধনী দেশকে তিন কোটি ৯০ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু একটি গরিব দেশ মাত্র ২৫ ডোজ দিয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি প্যানেলের তৈরি করা এক অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন দেখিয়েছে, ধারণার ভুল, পরিকল্পনার ত্রুটি এবং পদক্ষেপ নিতে বিলম্ব– এমনকি খোদ ডব্লিউএইচওর ভুল পদক্ষেপ কীভাবে মহামারীর বিস্তার ঠেকানোর চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়েছে, কেড়ে নিয়েছে ২০ লাখের বেশি মানুষের প্রাণ।

মহামারী মোকাবেলার প্রস্তুতি ও সাড়াদান বিষয়ে সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে গঠিত স্বাধীন প্যানেল তাদের প্রতিবেদনে বলেছে– সামগ্রিকভাবে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। মানুষের জন্য একটি সুরক্ষাবলয় তৈরি করার জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে চেষ্টা করতে পারিনি।

এখন পর্যন্ত চীন, ভারত, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র করোনার টিকা উদ্ভাবন করেছে। আর এসব দেশে তাদের নিজেদের নাগরিকদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

সোমবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্বাহী বোর্ডে দেওয়া বক্তৃতায় টেড্রোস বলেন, আজ আমাকে স্পষ্টভাষী হওয়া দরকার– বিশ্ব এখন বিপর্যয়কর নৈতিক ব্যর্থতার মুখোমুখি। আর এই ব্যর্থতার খেসারত দিতে হবে বিশ্বের গরিব দেশগুলোর জীবন ও জীবিকার বিনিময়ে।

তিনি বলেন, ‘আমিই প্রথম’ নীতি আত্মপরাজয়ের শামিল। এতে মূল্য বেড়ে যাবে ও মজুদে উৎসাহিত করা হবে। এতে মহামারী দীর্ঘায়িত হবে, মানুষের অর্থনৈতিক দুর্ভোগকে প্রলম্বিত করবে। করোনার নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধের দরকার আছে।

করোনার অসম টিকা বিতরণ নীতির সমালোচনায় ডব্লিউএইচও

 অনলাইন ডেস্ক 
১৯ জানুয়ারি ২০২১, ১২:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
করোনার অসম টিকা বিতরণ নীতির সমালোচনায় ডব্লিউএইচও
ছবি: সংগৃহীত

অসম করোনা টিকা নীতির কারণে বিশ্ব এক ‘বিপর্যয়কর নৈতিক ব্যর্থতার’ মুখোমুখি বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেবরিয়াসুস। 

তিনি বলেন, দরিদ্র দেশগুলোর ঝুঁকিতে থাকা অধিবাসীদের তুলনায় ধনী দেশগুলোর তরুণ ও স্বাস্থ্যবানরা আগাম টিকা নিচ্ছেন, যা একেবারেই ন্যায়সঙ্গত হচ্ছে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেন, ৪৯টি ধনী দেশকে তিন কোটি ৯০ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু একটি গরিব দেশ মাত্র ২৫ ডোজ দিয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি প্যানেলের তৈরি করা এক অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন দেখিয়েছে, ধারণার ভুল, পরিকল্পনার ত্রুটি এবং পদক্ষেপ নিতে বিলম্ব– এমনকি খোদ ডব্লিউএইচওর ভুল পদক্ষেপ কীভাবে মহামারীর বিস্তার ঠেকানোর চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়েছে, কেড়ে নিয়েছে ২০ লাখের বেশি মানুষের প্রাণ। 

মহামারী মোকাবেলার প্রস্তুতি ও সাড়াদান বিষয়ে সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে গঠিত স্বাধীন প্যানেল তাদের প্রতিবেদনে বলেছে– সামগ্রিকভাবে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। মানুষের জন্য একটি সুরক্ষাবলয় তৈরি করার জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে চেষ্টা করতে পারিনি।

এখন পর্যন্ত চীন, ভারত, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র করোনার টিকা উদ্ভাবন করেছে। আর এসব দেশে তাদের নিজেদের নাগরিকদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

সোমবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্বাহী বোর্ডে দেওয়া বক্তৃতায় টেড্রোস বলেন, আজ আমাকে স্পষ্টভাষী হওয়া দরকার– বিশ্ব এখন বিপর্যয়কর নৈতিক ব্যর্থতার মুখোমুখি। আর এই ব্যর্থতার খেসারত দিতে হবে বিশ্বের গরিব দেশগুলোর জীবন ও জীবিকার বিনিময়ে।

তিনি বলেন, ‘আমিই প্রথম’ নীতি আত্মপরাজয়ের শামিল। এতে মূল্য বেড়ে যাবে ও মজুদে উৎসাহিত করা হবে। এতে মহামারী দীর্ঘায়িত হবে, মানুষের অর্থনৈতিক দুর্ভোগকে প্রলম্বিত করবে। করোনার নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধের দরকার আছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১