কুর্মিটোলা হাসপাতালে প্রথম দেওয়া হবে করোনা টিকা
jugantor
কুর্মিটোলা হাসপাতালে প্রথম দেওয়া হবে করোনা টিকা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২০ জানুয়ারি ২০২১, ১৮:৩২:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

কুর্মিটোলা হাসপাতাল

ঢাকার চারটি হাসপাতালে প্রথম দফায় করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হবে। টিকার কার্যক্রম শুরু হবে ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতাল থেকে।

বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুল মান্নান সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন।

এরপরে ঢাকার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কোভিড-১৯ টিকা দেওয়া হবে।

প্রথম দিন কুর্মিটোলা হাসপাতালে ফ্রন্টলাইনারসহ ২৫ জনকে দেওয়া হবে টিকা। তাদের মধ্যে ফ্রন্টলাইনে যারা কাজ করছেন তারা ছাড়াও শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা, সেনাবাহিনী, পুলিশ, সিভিল প্রশাসন ও গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতিনিধি থাকবেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তৃতা দেবেন।

হাসপাতালের বাইরে কেন্দ্র হবে না জানিয়ে মো. আবদুল মান্নান বলেন, হাসপাতালের বাইরে কোনো কেন্দ্র হবে না, কারণ সবাইকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ভ্যাকসিন নেওয়া সবাই টেলিমেডিসিনের আওতায় থাকবে।

তিনি বলেন, প্রতিদিন ভ্যাকসিন বুলেটিন প্রচার করা হবে। প্রতি টিমে দুজন ভ্যাকসিনেটর ও চারজন স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন, যাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে তাদের টেলিমেডিসিন সুবিধা দেওয়া হবে। রাখা হবে ফলোআপে।

এদিকে সোমবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে জাহিদ মালেক বলেছিলেন, বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি ও টিকাদানের ব্যবস্থা রাখা হবে। সেক্ষেত্রে টিকার দাম সরকার নির্ধারণ করে দেবে। এর নীতিমালাও তৈরির প্রক্রিয়া চলছে।

কুর্মিটোলা হাসপাতালে প্রথম দেওয়া হবে করোনা টিকা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২০ জানুয়ারি ২০২১, ০৬:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কুর্মিটোলা হাসপাতাল
কুর্মিটোলা হাসপাতাল। ফাইল ছবি

ঢাকার চারটি হাসপাতালে প্রথম দফায় করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হবে। টিকার কার্যক্রম শুরু হবে ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতাল থেকে।

বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুল মান্নান সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন।

এরপরে ঢাকার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কোভিড-১৯ টিকা দেওয়া হবে।

প্রথম দিন কুর্মিটোলা হাসপাতালে ফ্রন্টলাইনারসহ ২৫ জনকে দেওয়া হবে টিকা। তাদের মধ্যে ফ্রন্টলাইনে যারা কাজ করছেন তারা ছাড়াও শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা, সেনাবাহিনী, পুলিশ, সিভিল প্রশাসন ও গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতিনিধি থাকবেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তৃতা দেবেন।

হাসপাতালের বাইরে কেন্দ্র হবে না জানিয়ে মো. আবদুল মান্নান বলেন, হাসপাতালের বাইরে কোনো কেন্দ্র হবে না, কারণ সবাইকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ভ্যাকসিন নেওয়া সবাই টেলিমেডিসিনের আওতায় থাকবে।

তিনি বলেন, প্রতিদিন ভ্যাকসিন বুলেটিন প্রচার করা হবে। প্রতি টিমে দুজন ভ্যাকসিনেটর ও চারজন স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন, যাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে তাদের টেলিমেডিসিন সুবিধা দেওয়া হবে। রাখা হবে ফলোআপে।

এদিকে সোমবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে জাহিদ মালেক বলেছিলেন, বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি ও টিকাদানের ব্যবস্থা রাখা হবে। সেক্ষেত্রে টিকার দাম সরকার নির্ধারণ করে দেবে। এর নীতিমালাও তৈরির প্রক্রিয়া চলছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস