করোনাকে ‘যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি’ বিবেচনা করছেন বাইডেন 
jugantor
করোনাকে ‘যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি’ বিবেচনা করছেন বাইডেন 

  যুগান্তর ডেস্ক  

২২ জানুয়ারি ২০২১, ১৩:০৬:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

আগামী মাসেই যুক্তরাষ্ট্রে নভেল করোনাভাইরাসে মোট মৃত্যু পাঁচ লাখ ছাড়ানোর আশঙ্কা করছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তাই দেশটির কোভিড বাস্তবতাকে ‘যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি বলে বিবেচনা করা হচ্ছে’ বলে জানিয়েছেন নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণহানি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ১০টি নির্বাহী আদেশে সই করার পর এক ভাষণে বাইডেন এসব কথা বলেন। খবর বিবিসির।

জো বাইডেন বলেন, কোভিডকে যুদ্ধাবস্থার মতো পরিস্থিতি বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও এই মহামারীতে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই মহামারী রুখতে হয়তো কয়েক মাস লেগে যাবে। তবে নির্দেশনা অনুযায়ী আমেরিকানরা সবাই বুঝে চললে পরিত্রাণ মিলতে পারে।

আগামী ১০০ দিনের মধ্যে স্কুল খোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এই সময়ের মধ্যে অন্তত ১০ কোটি মানুষকে দেওয়া হবে করোনার টিকা। এজন্য স্টেডিয়াম ও কমিউনিটি কেন্দ্রগুলোকে টিকাদান কেন্দ্র বানানো হবে।

আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে যেতে করোনা নেগেটিভ সনদ লাগবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকেই দুই সপ্তাহ কোয়ারেন্টিন পালন করতে হবে।

১০ নির্বাহী আদেশ ঘোষণার সময় জো বাইডেন আশা প্রকাশ করেন যে, এসব বিধিনিষেধ মেনে চললে এবং জনগণ যদি ঐকমত্য হয়, তবে এই মহামারী কয়েক মাসের মধ্যেই মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।

১০টি উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে– করোনার ভ্যাকসিনের ব্যবহার বাড়ানো, করোনার চিকিৎসা সামগ্রীর উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মাস্কের ব্যবহারে আরও কড়াকড়ি আরোপ করা।

সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে– পূর্বঘোষিত মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্বের নীতিকে। বিমানবন্দর, ট্রেন, বাস স্টেশনে ও সব সরকারি স্থাপনা এবং প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে মুখ ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক হচ্ছে।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, আজ পর্যন্ত মহামারী করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে চার লাখ ছয় হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্ত হয়েছেন দুই কোটি ৪৫ লাখেরও বেশি মানুষ।

করোনাকে ‘যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি’ বিবেচনা করছেন বাইডেন 

 যুগান্তর ডেস্ক 
২২ জানুয়ারি ২০২১, ০১:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আগামী মাসেই যুক্তরাষ্ট্রে নভেল করোনাভাইরাসে মোট মৃত্যু পাঁচ লাখ ছাড়ানোর আশঙ্কা করছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তাই দেশটির কোভিড বাস্তবতাকে ‘যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি বলে বিবেচনা করা হচ্ছে’ বলে জানিয়েছেন নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।  করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণহানি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি। 

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ১০টি নির্বাহী আদেশে সই করার পর এক ভাষণে বাইডেন এসব কথা বলেন।  খবর বিবিসির।

জো বাইডেন বলেন, কোভিডকে যুদ্ধাবস্থার মতো পরিস্থিতি বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও এই মহামারীতে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই মহামারী রুখতে হয়তো কয়েক মাস লেগে যাবে। তবে নির্দেশনা অনুযায়ী আমেরিকানরা সবাই বুঝে চললে পরিত্রাণ মিলতে পারে। 

আগামী ১০০ দিনের মধ্যে স্কুল খোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এই সময়ের মধ্যে অন্তত ১০ কোটি মানুষকে দেওয়া হবে করোনার টিকা। এজন্য স্টেডিয়াম ও কমিউনিটি কেন্দ্রগুলোকে টিকাদান কেন্দ্র বানানো হবে।

আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে যেতে করোনা নেগেটিভ সনদ লাগবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকেই দুই সপ্তাহ কোয়ারেন্টিন পালন করতে হবে।

১০ নির্বাহী আদেশ ঘোষণার সময় জো বাইডেন আশা প্রকাশ করেন যে, এসব বিধিনিষেধ মেনে চললে এবং জনগণ যদি ঐকমত্য হয়, তবে এই মহামারী কয়েক মাসের মধ্যেই মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।

১০টি উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে– করোনার ভ্যাকসিনের ব্যবহার বাড়ানো, করোনার চিকিৎসা সামগ্রীর উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মাস্কের ব্যবহারে আরও কড়াকড়ি আরোপ করা। 

সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে– পূর্বঘোষিত মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্বের নীতিকে। বিমানবন্দর, ট্রেন, বাস স্টেশনে ও সব সরকারি স্থাপনা এবং প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে মুখ ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক হচ্ছে।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, আজ পর্যন্ত মহামারী করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে চার লাখ ছয় হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্ত হয়েছেন দুই কোটি ৪৫ লাখেরও বেশি মানুষ।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১