শিক্ষিকা থেকে মুদি দোকানি, সেই চন্দনা পেলেন সহায়তা
jugantor
শিক্ষিকা থেকে মুদি দোকানি, সেই চন্দনা পেলেন সহায়তা

  আসাদুল ইসলাম বাবুল, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল)  

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৭:০১:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশের বহুল প্রচারিত যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর সেই মুদি দোকানি শিক্ষিকা চন্দনা সাহাকে নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছেন এক ব্যক্তি। বুধবার দুপুরে দৈনিক যুগান্তরের ভূঞাপুর প্রতিনিধি আসাদুল ইসলাম বাবুলের মাধ্যমে চট্টগ্রাম থেকে পাঠানো নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তির নগদ টাকা ওই শিক্ষিকাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার যুগান্তর অনলাইনে ‘শিক্ষিকা এখন মুদি-দোকানি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি চট্টগ্রামের এক ব্যক্তির নজরে আসে। এতে তিনি ওই শিক্ষিকাকে নগদ সহায়তা করার জন্য যুগান্তরের প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

পরে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষিকা চন্দনা সাহাকে আর্থিক সহায়তা হিসেবে ১০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দেন। এছাড়া পরবর্তীতে তার সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

শিক্ষিকা চন্দনা সাহা বলেন, দোকান চালিয়ে কোনোরকমে সংসার চালাতে গিয়ে ব্যবসার মূল পুঁজি কমে গেছে। ওই ব্যক্তি টাকা পেয়ে ব্যবসা আরও ভালোভাবে করতে পারব বলে আশা করছি।

উল্লেখ্য, চন্দনা সাহা জেলার ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ভালকুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেনে চাকরি করতেন। একদিকে করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ অন্যদিকে তার স্বামী অসুস্থ থাকায় দুই সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি।

শিক্ষিকা থেকে মুদি দোকানি, সেই চন্দনা পেলেন সহায়তা

 আসাদুল ইসলাম বাবুল, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) 
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৫:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশের বহুল প্রচারিত যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর সেই মুদি দোকানি শিক্ষিকা চন্দনা সাহাকে নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছেন এক ব্যক্তি। বুধবার দুপুরে দৈনিক যুগান্তরের ভূঞাপুর প্রতিনিধি আসাদুল ইসলাম বাবুলের মাধ্যমে চট্টগ্রাম থেকে পাঠানো নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তির নগদ টাকা ওই শিক্ষিকাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।
 
মঙ্গলবার যুগান্তর অনলাইনে ‘শিক্ষিকা এখন মুদি-দোকানি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি চট্টগ্রামের এক ব্যক্তির নজরে আসে। এতে তিনি ওই শিক্ষিকাকে নগদ সহায়তা করার জন্য যুগান্তরের প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

পরে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষিকা চন্দনা সাহাকে আর্থিক সহায়তা হিসেবে ১০ হাজার টাকা পাঠিয়ে দেন। এছাড়া পরবর্তীতে তার সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

শিক্ষিকা চন্দনা সাহা বলেন, দোকান চালিয়ে কোনোরকমে সংসার চালাতে গিয়ে ব্যবসার মূল পুঁজি কমে গেছে। ওই ব্যক্তি টাকা পেয়ে ব্যবসা আরও ভালোভাবে করতে পারব বলে আশা করছি। 

উল্লেখ্য, চন্দনা সাহা জেলার ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ভালকুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেনে চাকরি করতেন। একদিকে করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ অন্যদিকে তার স্বামী অসুস্থ থাকায় দুই সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস