চীনে বিদেশিদের পায়ুপথে করোনা পরীক্ষা, থামাতে বলল জাপান
jugantor
চীনে বিদেশিদের পায়ুপথে করোনা পরীক্ষা, থামাতে বলল জাপান

  যুগান্তর ডেস্ক  

০২ মার্চ ২০২১, ১৭:৫৩:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

চীনে বিদেশিদের পায়ুপথে করোনা পরীক্ষা, থামাতে বলল জাপান

নাক ও মুখের মধ্যদিয়ে করোনা পরীক্ষার পাশাপাশি পায়ুপথেও করোনা পরীক্ষা করছে চীন।

অদ্ভুত এই পরীক্ষাকে অ্যানাল সোয়াব টেস্ট বলা হচ্ছে। মূলত বেড়াতে আসা বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।

তবে নিজেদের নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই পরীক্ষাকে ‘অমর্যাদা ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ অভিহিত করে এখনই তা বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছে জাপান। খবর জাপান টাইমসের।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে চীনে। মোকাবেলায় কয়েকদিনের মধ্যে সবগুলো বড় শহর লকাডাউন করা হয়। শুরু হয় ব্যাপক হারে করোনা পরীক্ষা।
প্রথমদিকে প্রায় এক বছর ধরে সংক্রমণ শনাক্তের জন্য নাক ও মুখের লালা পরীক্ষা করা হয়।

কোনো প্রশ্ন ছাড়াই দলে দলে বাধ্যতামূলক এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে চীনা জনগণও। এখন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে দেশটির করোনা পরিস্থিতি।

কিন্তু এরপর চলতি বছরের শুরুর দিকে করোনা পরীক্ষায় যোগ হয় অ্যানাল সোয়াব টেস্ট তথা পায়ুপথ করোনা পরীক্ষা। তবে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠীর ক্ষেত্রেই বিশেষ করে করোনার উচ্চ ঝুকিতে থাকা ও কোয়ারেন্টিনে থাকা মানুষের বেলাতেই এটা করা হচ্ছে।

এর মধ্যে বিদেশ থেকে দেশে ফেরা চীনা নাগরিক ও বিদেশী দর্শণার্থীদের ক্ষেত্রে এই পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কষ্টকর ও অসুবিধাজনক হওয়াও এই পরীক্ষা সীমিত হওয়ার আরেক কারণ।

এই পরীক্ষায় প্রধানত পায়খানা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা করা হয়। পায়খানা পাওয়া গেলে স্যালাইনে ভেজানো ১-২ ইঞ্চির কটোন সোয়াব পায়ুপথে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। এরপর সেই সোয়াব টেস্ট করা হয়।

কিন্তু এই পরীক্ষায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন ও মর্যাদাহানিকর হওয়ায় শুরু থেকেই এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। গত সপ্তাহেই এই প্রক্রিয়ায় করোনা পরীক্ষা সম্পর্কে কিছু অভিযোগ করেছে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো।

খবরে বলা হয়, চীনে প্রবেশের আগে পায়ুপথ করোনা পরীক্ষার মধ্যদিয়ে যেতে হয়েছে বলে অভিযোগ খোদ একদল মার্কিন কূটনীতিক। কিন্তু চীনের পক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।

এবার জাপানের পক্ষ থেকেও একই অভিযোগ উঠেছে। সেই সঙ্গে এটা বন্ধ করারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জাপানের মন্ত্রিপরিষদ সচিব ক্যাটসুনোবু কাটো বলেছেন, আমাদের কাছে জাপানিক কিছু নাগরিক চীনে জাপানের দূতাবাসে জানিয়েছে, এ ধরনের পরীক্ষা ‘মানসিকভাবে পীড়াদায়ক। তবে ঠিক কতজন জাপানি এই পরীক্ষা করেছেন তা এখনও জানা যায়নি।

তিনি আরও বলেন, জাপান সরকার বেইজিংয়ের দূতাবাসের মাধ্যমে এই অনুরোধ জানিয়েছে। তবে চীন এখনও পর্যন্ত এই অনুরোধের প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

চীনে বিদেশিদের পায়ুপথে করোনা পরীক্ষা, থামাতে বলল জাপান

 যুগান্তর ডেস্ক 
০২ মার্চ ২০২১, ০৫:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চীনে বিদেশিদের পায়ুপথে করোনা পরীক্ষা, থামাতে বলল জাপান
ছবি: সংগৃহীত

নাক ও মুখের মধ্যদিয়ে করোনা পরীক্ষার পাশাপাশি পায়ুপথেও করোনা পরীক্ষা করছে চীন। 

অদ্ভুত এই পরীক্ষাকে অ্যানাল সোয়াব টেস্ট বলা হচ্ছে। মূলত বেড়াতে আসা বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। 

তবে নিজেদের নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই পরীক্ষাকে ‘অমর্যাদা ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর’ অভিহিত করে এখনই তা বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছে জাপান। খবর জাপান টাইমসের।  

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে চীনে। মোকাবেলায় কয়েকদিনের মধ্যে সবগুলো বড় শহর লকাডাউন করা হয়। শুরু হয় ব্যাপক হারে করোনা পরীক্ষা। 
প্রথমদিকে প্রায় এক বছর ধরে সংক্রমণ শনাক্তের জন্য নাক ও মুখের লালা পরীক্ষা করা হয়। 

কোনো প্রশ্ন ছাড়াই দলে দলে বাধ্যতামূলক এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে চীনা জনগণও। এখন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে দেশটির করোনা পরিস্থিতি।

কিন্তু এরপর চলতি বছরের শুরুর দিকে করোনা পরীক্ষায় যোগ হয় অ্যানাল সোয়াব টেস্ট তথা পায়ুপথ করোনা পরীক্ষা। তবে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠীর ক্ষেত্রেই বিশেষ করে করোনার উচ্চ ঝুকিতে থাকা ও কোয়ারেন্টিনে থাকা মানুষের বেলাতেই এটা করা হচ্ছে। 

এর মধ্যে বিদেশ থেকে দেশে ফেরা চীনা নাগরিক ও বিদেশী দর্শণার্থীদের ক্ষেত্রে এই পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কষ্টকর ও অসুবিধাজনক হওয়াও এই পরীক্ষা সীমিত হওয়ার আরেক কারণ। 

এই পরীক্ষায় প্রধানত পায়খানা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা করা হয়। পায়খানা পাওয়া গেলে স্যালাইনে ভেজানো ১-২ ইঞ্চির কটোন সোয়াব পায়ুপথে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। এরপর সেই সোয়াব টেস্ট করা হয়।  

কিন্তু এই পরীক্ষায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন ও মর্যাদাহানিকর হওয়ায় শুরু থেকেই এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। গত সপ্তাহেই এই প্রক্রিয়ায় করোনা পরীক্ষা সম্পর্কে কিছু অভিযোগ করেছে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো। 

খবরে বলা হয়, চীনে প্রবেশের আগে পায়ুপথ করোনা পরীক্ষার মধ্যদিয়ে যেতে হয়েছে বলে অভিযোগ খোদ একদল মার্কিন কূটনীতিক। কিন্তু চীনের পক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। 

এবার জাপানের পক্ষ থেকেও একই অভিযোগ উঠেছে। সেই সঙ্গে এটা বন্ধ করারও অনুরোধ জানানো হয়েছে। 

জাপানের মন্ত্রিপরিষদ সচিব ক্যাটসুনোবু কাটো বলেছেন, আমাদের কাছে জাপানিক কিছু নাগরিক চীনে জাপানের দূতাবাসে জানিয়েছে, এ ধরনের পরীক্ষা ‘মানসিকভাবে পীড়াদায়ক। তবে ঠিক কতজন জাপানি এই পরীক্ষা করেছেন তা এখনও জানা যায়নি। 

তিনি আরও বলেন, জাপান সরকার বেইজিংয়ের দূতাবাসের মাধ্যমে এই অনুরোধ জানিয়েছে। তবে চীন এখনও পর্যন্ত এই অনুরোধের প্রতিক্রিয়া জানায়নি। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস