৫০ শতাংশ জনবলে কাজ করার নির্দেশনা কি আদৌ বাস্তবায়িত হচ্ছে?
jugantor
৫০ শতাংশ জনবলে কাজ করার নির্দেশনা কি আদৌ বাস্তবায়িত হচ্ছে?

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৭ এপ্রিল ২০২১, ১৪:২৯:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে বিএনপি। দলটির দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পদক এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, একদিকে সরকার বলছে-লকডাউন/নিষেধাজ্ঞায় মিল-কলকারখানা, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি খোলা থাকবে এবং গণপরিবহন, মার্কেট, শপিং মল বন্ধ থাকবে। আবার এর দু’দিন পর সরকার বলছে-শুধু সিটি কর্পোরেশনের ভেতরে গণপরিবহন চলবে, কিন্তু দুরপাল্লা ও উপজেলা থেকে জেলা শহরে গণপরিবহন চলবে না। তাহলে প্রশ্ন-সরকারের ঘোষনানুযায়ী চালু থাকা মিল-কারখানায় শ্রমিক-কর্মচারীরা কিভাবে যাবেন? তাছাড়া সেখানে কি সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থবিধি মেনে কাজ করা সম্ভব? শ্রমিক-কর্মচারীদের কি করোনা ঝুঁকিতে পড়ার সম্ভাবনা নেই ? অফিস-আদালতে ৫০ শতাংশ লোকবল দিয়ে কাজ করার নির্দেশনা কি আদৌ বাস্তবায়িত হচ্ছে ?

বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রিন্স বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে-সরকারি অব্যবস্থাপনায় লকডাউন বা নিষেধাজ্ঞা কোনটাই মাঠ পর্যায়ে কার্যকর হচ্ছে না, বরং সরকারের পরস্পরবিরোধী পদক্ষেপে মানুষ করোনা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। সর্বত্রই লেজেগুবরে অবস্থা। নানা দুর্ভোগে রয়েছেন জনগণ। সরকারের যারা এ ধরনের সিদ্ধান্ত দিচ্ছে, তাদেরকে বেতন-ভাতা কিংবা সুযোগ সুবিধা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না, কিন্তু তাদের সিদ্ধান্তে জনগণকে পড়তে হয় বিপাকে। আয়-রোজগার, সংসার চালানো কিংবা ভবিষ্যতের চিন্তায় জনগণ আজ দিশেহারা। প্রস্তুতিহীন লকডাউন বা নিষেধাজ্ঞা কোনটাই যে কার্যকর হচ্ছে না, তার প্রমাণ-সড়ক মহাসড়কে দীর্ঘ যানযট। শহরের বিভিন্ন স্থানে পরিবহনের জন্য মানুষের দীর্ঘ অপেক্ষা। মূলতঃ সবকিছুই চলছে আগের মতোই।

৫০ শতাংশ জনবলে কাজ করার নির্দেশনা কি আদৌ বাস্তবায়িত হচ্ছে?

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৭ এপ্রিল ২০২১, ০২:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে বিএনপি।  দলটির দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পদক এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, একদিকে সরকার বলছে-লকডাউন/নিষেধাজ্ঞায় মিল-কলকারখানা, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি খোলা থাকবে এবং গণপরিবহন, মার্কেট, শপিং মল বন্ধ থাকবে। আবার এর দু’দিন পর সরকার বলছে-শুধু সিটি কর্পোরেশনের ভেতরে গণপরিবহন চলবে, কিন্তু দুরপাল্লা ও উপজেলা থেকে জেলা শহরে গণপরিবহন চলবে না। তাহলে প্রশ্ন-সরকারের ঘোষনানুযায়ী চালু থাকা মিল-কারখানায় শ্রমিক-কর্মচারীরা কিভাবে যাবেন? তাছাড়া সেখানে কি সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থবিধি মেনে কাজ করা সম্ভব? শ্রমিক-কর্মচারীদের কি করোনা ঝুঁকিতে পড়ার সম্ভাবনা নেই ? অফিস-আদালতে ৫০ শতাংশ লোকবল দিয়ে কাজ করার নির্দেশনা কি আদৌ বাস্তবায়িত হচ্ছে ?

বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রিন্স বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে-সরকারি অব্যবস্থাপনায় লকডাউন বা নিষেধাজ্ঞা কোনটাই মাঠ পর্যায়ে কার্যকর হচ্ছে না, বরং সরকারের পরস্পরবিরোধী পদক্ষেপে মানুষ করোনা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। সর্বত্রই লেজেগুবরে অবস্থা। নানা দুর্ভোগে রয়েছেন জনগণ। সরকারের যারা এ ধরনের সিদ্ধান্ত দিচ্ছে, তাদেরকে বেতন-ভাতা কিংবা সুযোগ সুবিধা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না, কিন্তু তাদের সিদ্ধান্তে জনগণকে পড়তে হয় বিপাকে। আয়-রোজগার, সংসার চালানো কিংবা ভবিষ্যতের চিন্তায় জনগণ আজ দিশেহারা। প্রস্তুতিহীন লকডাউন বা নিষেধাজ্ঞা কোনটাই যে কার্যকর হচ্ছে না, তার প্রমাণ-সড়ক মহাসড়কে দীর্ঘ যানযট। শহরের বিভিন্ন স্থানে পরিবহনের জন্য মানুষের দীর্ঘ অপেক্ষা। মূলতঃ সবকিছুই চলছে আগের মতোই।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন