বঙ্গবন্ধু সেতুতে একদিনেই সোয়া দুই কোটি টাকা টোল আদায়
jugantor
বঙ্গবন্ধু সেতুতে একদিনেই সোয়া দুই কোটি টাকা টোল আদায়

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি  

১৩ এপ্রিল ২০২১, ১৮:০০:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কঠোর লকডাউন ঘোষণার পর থেকে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। এজন্য চাপ বেড়েছে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কেও। সোমবার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে রেকর্ডসংখ্যক ৩০ হাজারের অধিক যানবাহন পারাপার হয়েছে।

এতে টোল আদায় হয়েছে প্রায় সোয়া দুই কোটি টাকা; যা স্বাভাবিক সময়ের দ্বিগুণ। এছাড়া পণ্যপরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রো, ব্যক্তিগত কার ও মোটরসাইকেলের আধিক্য থাকলেও বিপুলসংখ্যক যাত্রীবাহী বাস পারাপার হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সেতু কর্তৃপক্ষের একাধিক সূত্র।

এদিকে সকাল থেকেই ঘরে ফেরা মানুষের চাপে মহাসড়কে বেড়েছে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ। মালবাহী ট্রাকসহ খোলা ট্রাকে, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়িতে গাদাগাদি করে বাড়িতে ফিরছেন যাত্রীরা। এদিকে ব্যক্তিগত গাড়িতে যাত্রী পরিবহন করায় মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। সংক্রমণ ঝুঁকি নিয়েই বাড়ি ফিরছেন তারা।

অন্যদিকে দূরপাল্লার গণপরিবহন চলাচল বন্ধের ঘোষণা থাকলেও মানছেন না অনেক পরিবহন চালক।

এ বিষয়ে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ওসি ইয়াসির আরাফাত বলেন, যে সমস্ত বাস মহাসড়কে আটকা পড়েছিল তারা নিজ নিজ ডিপো বা টার্মিনালে পার্কিং করার জন্য যাচ্ছে। এসব বাসে কোনো যাত্রী পরিবহন করতে পারবে না। মহাসড়ক থেকে কোনো প্রকার যাত্রী যেন পরিবহন না করতে পারে সেজন্য মোড়ে মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এরপরও কিছু বাস গভীর রাতে চুরি করে চলাচল করার চেষ্টা করেছে; তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু সেতুতে একদিনেই সোয়া দুই কোটি টাকা টোল আদায়

 টাঙ্গাইল প্রতিনিধি 
১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৬:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কঠোর লকডাউন ঘোষণার পর থেকে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। এজন্য চাপ বেড়েছে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কেও। সোমবার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে রেকর্ডসংখ্যক ৩০ হাজারের অধিক যানবাহন পারাপার হয়েছে।

এতে টোল আদায় হয়েছে প্রায় সোয়া দুই কোটি টাকা; যা স্বাভাবিক সময়ের দ্বিগুণ। এছাড়া পণ্যপরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রো, ব্যক্তিগত কার ও মোটরসাইকেলের আধিক্য থাকলেও বিপুলসংখ্যক যাত্রীবাহী বাস পারাপার হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সেতু কর্তৃপক্ষের একাধিক সূত্র।

এদিকে সকাল থেকেই ঘরে ফেরা মানুষের চাপে মহাসড়কে বেড়েছে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ। মালবাহী ট্রাকসহ খোলা ট্রাকে, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়িতে গাদাগাদি করে বাড়িতে ফিরছেন যাত্রীরা। এদিকে ব্যক্তিগত গাড়িতে যাত্রী পরিবহন করায় মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। সংক্রমণ ঝুঁকি নিয়েই বাড়ি ফিরছেন তারা।

অন্যদিকে দূরপাল্লার গণপরিবহন চলাচল বন্ধের ঘোষণা থাকলেও মানছেন না অনেক পরিবহন চালক।

এ বিষয়ে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ওসি ইয়াসির আরাফাত বলেন, যে সমস্ত বাস মহাসড়কে আটকা পড়েছিল তারা নিজ নিজ ডিপো বা টার্মিনালে পার্কিং করার জন্য যাচ্ছে। এসব বাসে কোনো যাত্রী পরিবহন করতে পারবে না। মহাসড়ক থেকে কোনো প্রকার যাত্রী যেন পরিবহন না করতে পারে সেজন্য মোড়ে মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এরপরও কিছু বাস গভীর রাতে চুরি করে চলাচল করার চেষ্টা করেছে; তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন