করোনা ইউনিটে ভোগান্তি, যমুনা টিভির ক্যামেরাপারসন লাঞ্ছিত
jugantor
করোনা ইউনিটে ভোগান্তি, যমুনা টিভির ক্যামেরাপারসন লাঞ্ছিত

  বরিশাল ব্যুরো  

১৩ এপ্রিল ২০২১, ২২:১৯:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভির ক্যামেরাপারসনকে লাঞ্ছিত এবং ক্যামেরা ও বুম আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের করোনা ইউনিটে জনবল সংকটে ভোগান্তির চিত্র ধারণ করতে গিয়ে লাঞ্ছিত হন যমুনা টেলিভিশনের বরিশাল ব্যুরোর ক্যামেরাপারসন আনিসুর রহমান।

এ সময় তার সঙ্গে থাকা ক্যামেরা ও যমুনা টিভির বুমও ছিনিয়ে নেয়া হয়। খবর শুনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে এটিএন বাংলার ক্যামেরাপারসন আলাউদ্দিন এবং মোহনা টিভির ক্যামেরাপারসন মো. সুজনকে ধাওয়া করে সেখানকার কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে করোনা ইউনিটের তৃতীয়তলায় এ ঘটনা ঘটে।

যমুনা টিভির ক্যামেরাপারসন আনিসুর রহমান বলেন, করোনা ইউনিটে রোগীদের নানা ভোগান্তিসহ চিকিৎসক নার্সদের যে সমস্যা হচ্ছে সেই সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন তৈরির জন্য যমুনা টিভির বরিশাল ব্যুরোপ্রধান কাওছার হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে করোনা ইউনিটে যাই দুপুরে। নিচতলা এবং দ্বিতীয়তলার ভিডিও করা শেষে তৃতীয়তলায় কাজ করার সময় সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক এএইচএম আতাউল্লাহ ভিডিও করতে বারন করলে ভিডিও ধারণ অফ রাখা হয়। তারপরও তিনি আমাকে লাঞ্ছিত করেন এবং একপর্যায়ে বুম ও ক্যামেরা রেখে দেন।

এটিএন বাংলার ক্যামেরাপারসন আলাউদ্দিন ও মোহনা টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসন সুজন বলেন, আনিসুর রহমানকে লাঞ্ছিত করার খবর শুনে আমরা ঘটনাস্থলে গেলে ওই চিকিৎসক স্টাফদের নিয়ে করোনা ইউনিটের নিচে এসে আমাদেরসহ আরও কয়েকজন সহকর্মীকে ধাওয়া করে মারধরের জন্য। ওই ডাক্তার মানসিক বিকারগ্রস্ত। তার হাতে রোগীও তো নিরাপদ নয়।

যমুনা টিভির বরিশাল ব্যুরোপ্রধান কাওছার হোসেন বলেন, করোনা ইউনিটে মূলত আমরা শুধু রোগীদের নয়, চিকিৎসক এবং নার্সদের যে ভোগান্তি হচ্ছে সেই সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করেই ওই চিকিৎসক ক্যামেরা ছিনিয়ে নেন। ক্যামেরা ও বুম ফেরৎ পেয়েছি তবে ক্যামেরার সাথে থাকা মেমোরি কার্ডটি খোয়া গেছে। হাসপাতালের পরিচালক আশ্বাস দিয়েছেন সেটি ফিরিয়ে দেয়ার।

হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, গণমাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে রোগীদের ভোগান্তির চিত্র সংবলিত রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ায় স্থানীয় সাংসদ ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম কড়া ভাষায় সতর্ক করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। সেই ক্ষোভ থেকেই ঘটেছে এমন ঘটনা।

হাসপাতালের পরিচালক সাইফুল ইসলাম জানান, ভুল বোঝাবুঝি থেকে ঘটনাটি ঘটেছে। আমরা এ ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

করোনা ইউনিটে ভোগান্তি, যমুনা টিভির ক্যামেরাপারসন লাঞ্ছিত

 বরিশাল ব্যুরো 
১৩ এপ্রিল ২০২১, ১০:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভির ক্যামেরাপারসনকে লাঞ্ছিত এবং ক্যামেরা ও বুম আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের করোনা ইউনিটে জনবল সংকটে ভোগান্তির চিত্র ধারণ করতে গিয়ে লাঞ্ছিত হন যমুনা টেলিভিশনের বরিশাল ব্যুরোর ক্যামেরাপারসন আনিসুর রহমান।

এ সময় তার সঙ্গে থাকা ক্যামেরা ও যমুনা টিভির বুমও ছিনিয়ে নেয়া হয়। খবর শুনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে এটিএন বাংলার ক্যামেরাপারসন আলাউদ্দিন এবং মোহনা টিভির ক্যামেরাপারসন মো. সুজনকে ধাওয়া করে সেখানকার কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে করোনা ইউনিটের তৃতীয়তলায় এ ঘটনা ঘটে।

যমুনা টিভির ক্যামেরাপারসন আনিসুর রহমান বলেন, করোনা ইউনিটে রোগীদের নানা ভোগান্তিসহ চিকিৎসক নার্সদের যে সমস্যা হচ্ছে সেই সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন তৈরির জন্য যমুনা টিভির বরিশাল ব্যুরোপ্রধান কাওছার হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে করোনা ইউনিটে যাই দুপুরে। নিচতলা এবং দ্বিতীয়তলার ভিডিও করা শেষে তৃতীয়তলায় কাজ করার সময় সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক এএইচএম আতাউল্লাহ ভিডিও করতে বারন করলে ভিডিও ধারণ অফ রাখা হয়। তারপরও তিনি আমাকে লাঞ্ছিত করেন এবং একপর্যায়ে বুম ও ক্যামেরা রেখে দেন।

এটিএন বাংলার ক্যামেরাপারসন আলাউদ্দিন ও মোহনা টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসন সুজন বলেন, আনিসুর রহমানকে লাঞ্ছিত করার খবর শুনে আমরা ঘটনাস্থলে গেলে ওই চিকিৎসক স্টাফদের নিয়ে করোনা ইউনিটের নিচে এসে আমাদেরসহ আরও কয়েকজন সহকর্মীকে ধাওয়া করে মারধরের জন্য। ওই ডাক্তার মানসিক বিকারগ্রস্ত। তার হাতে রোগীও তো নিরাপদ নয়।

যমুনা টিভির বরিশাল ব্যুরোপ্রধান কাওছার হোসেন বলেন, করোনা ইউনিটে মূলত আমরা শুধু রোগীদের নয়, চিকিৎসক এবং নার্সদের যে ভোগান্তি হচ্ছে সেই সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করেই ওই চিকিৎসক ক্যামেরা ছিনিয়ে নেন। ক্যামেরা ও বুম ফেরৎ পেয়েছি তবে ক্যামেরার সাথে থাকা মেমোরি কার্ডটি খোয়া গেছে। হাসপাতালের পরিচালক আশ্বাস দিয়েছেন সেটি ফিরিয়ে দেয়ার।

হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, গণমাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে রোগীদের ভোগান্তির চিত্র সংবলিত রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ায় স্থানীয় সাংসদ ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম কড়া ভাষায় সতর্ক করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। সেই ক্ষোভ থেকেই ঘটেছে এমন ঘটনা।

হাসপাতালের পরিচালক সাইফুল ইসলাম জানান, ভুল বোঝাবুঝি থেকে ঘটনাটি ঘটেছে। আমরা এ ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস