স্ত্রীর পর স্বামীর লাশও দাফন করলেন 'করোনা বীর' খোরশেদ
jugantor
স্ত্রীর পর স্বামীর লাশও দাফন করলেন 'করোনা বীর' খোরশেদ

  হোসেন চিশতী সিপলু, সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) থেকে  

২২ এপ্রিল ২০২১, ২৩:৪৬:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনায় মৃতদের দাফন ও সৎকার করে দেশে-বিদেশে আলোচিত নারায়ণগঞ্জের কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের টিম গত বছর যে গৃহবধূর মরদেহ দাফন করেছিল এবার দাফন করলো তার স্বামীর লাশ।

বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকার বাসিন্দা লাল মিয়া (৬৮) করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় তার পরিবার ‘টিম খোরশেদকে’ লাশ দাফনের আহ্বান জানায়।

খবর পেয়ে কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ ও তার টিম বুধবার দিবাগত রাতে মরহুমের গোসল ও জানাজা সম্পন্ন করে ফজরের নামাজের পর সিদ্ধিরগঞ্জের পাঠানটুলি কবরস্থানে লাশ দাফন করেন।

এসময় কাউন্সিলর খোরশেদ ও তার টিমের হাফেজ শিব্বির, হাফেজ রিয়াদ, রানা, নাহিদ, কামরুজ্জামান, নাহিদ, শহীদ, আশরাফুল, নীরব, সুমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গত বছর তার (লাল মিয়া) স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর লাশ দাফন করে 'টিম খোরশেদ।

এ নিয়ে মোট ১৯০ জন করোনায় আক্রান্ত মানুষের মরদেহ দাফন ও সৎকার করল টিম খোরশেদ। এর মধ্যে শুধু সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩টি মরদেহ দাফন করল ‘টিম খোরশেদ’।

উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণের পর গত বছর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মানুষের মরদেহ দাফন বা সৎকার নিয়ে ভীতির সৃষ্টি হয়েছিল। ভয়ে স্বজন ও প্রতিবেশীরা অনেকেই করোনায় মৃতদের মরদেহ দাফনে এগিয়ে আসেননি।

এমন পরিস্থিতিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মরদেহ দাফন বা সৎকারে এগিয়ে আসেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। সহযোগীদের নিয়ে গঠন করেন ‘টিম খোরশেদ’।

দেশের গণ্ডি পেড়িয়ে ভারতসহ বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমে প্রশংসিত ও আলোচিত খোরশেদ পান ‘করোনা বীর’ উপাধিও।এভাবে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে একপর্যায়ে সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত হন কাউন্সিলর খোরশেদ। তবে সুস্থ হয়ে আবারও কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মৃতদের মরদেহ দাফন ও সৎকারের কাজে নামেন খোরশেদ।

স্ত্রীর পর স্বামীর লাশও দাফন করলেন 'করোনা বীর' খোরশেদ

 হোসেন চিশতী সিপলু, সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) থেকে 
২২ এপ্রিল ২০২১, ১১:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনায় মৃতদের দাফন ও সৎকার করে দেশে-বিদেশে আলোচিত নারায়ণগঞ্জের কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের টিম গত বছর যে গৃহবধূর মরদেহ দাফন করেছিল এবার দাফন করলো তার স্বামীর লাশ।  

বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকার বাসিন্দা লাল মিয়া (৬৮) করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় তার পরিবার ‘টিম খোরশেদকে’ লাশ দাফনের আহ্বান জানায়।

খবর পেয়ে কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ ও তার টিম বুধবার দিবাগত রাতে মরহুমের গোসল ও জানাজা সম্পন্ন করে ফজরের নামাজের পর সিদ্ধিরগঞ্জের পাঠানটুলি কবরস্থানে লাশ দাফন করেন।

এসময় কাউন্সিলর খোরশেদ ও তার টিমের হাফেজ শিব্বির, হাফেজ রিয়াদ, রানা, নাহিদ, কামরুজ্জামান, নাহিদ, শহীদ, আশরাফুল, নীরব, সুমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 গত বছর তার (লাল মিয়া) স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর লাশ দাফন করে 'টিম খোরশেদ।

এ নিয়ে মোট ১৯০ জন করোনায় আক্রান্ত মানুষের মরদেহ দাফন ও সৎকার করল টিম খোরশেদ। এর মধ্যে শুধু সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩টি মরদেহ দাফন করল ‘টিম খোরশেদ’।

উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণের পর গত বছর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মানুষের মরদেহ দাফন বা সৎকার নিয়ে ভীতির সৃষ্টি হয়েছিল। ভয়ে স্বজন ও প্রতিবেশীরা অনেকেই করোনায় মৃতদের মরদেহ দাফনে এগিয়ে আসেননি।

এমন পরিস্থিতিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মরদেহ দাফন বা সৎকারে এগিয়ে আসেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। সহযোগীদের নিয়ে গঠন করেন ‘টিম খোরশেদ’।
 

দেশের গণ্ডি পেড়িয়ে ভারতসহ বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমে প্রশংসিত ও আলোচিত খোরশেদ পান ‘করোনা বীর’ উপাধিও।এভাবে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে একপর্যায়ে সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত হন কাউন্সিলর খোরশেদ। তবে সুস্থ হয়ে আবারও কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মৃতদের মরদেহ দাফন ও সৎকারের কাজে নামেন খোরশেদ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন