যেসব শিশু করোনায় আক্রান্ত হলে ঝুঁকি বেশি
jugantor
যেসব শিশু করোনায় আক্রান্ত হলে ঝুঁকি বেশি

  লাইফস্টাইল ডেস্ক  

২৩ এপ্রিল ২০২১, ১৭:৪৯:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতীকী ছবি

করোনাভাইরাসে সাধারণত যেসব শিশুরা আক্রান্ত হয় তাদের ৮০-৯০ শতাংশ উপসর্গ পাওয়া যায় না বলে জানিয়েছেন দেশের প্রখ্যাত শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা।

তিনি বলেন, যেসব বাচ্চাদের জন্মগতভাবে হার্টের সমস্যা আছে, যেসব বাচ্চাদের শরীর অনেক মোটা, যাদের ডায়াবেটিস আছে, যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তারা সবাই রিস্ক গ্রুপের মধ্যে পড়ে যায়। এসব বাচ্চারা আগে থেকেই একটা অসুস্থতা আছে এর ওপর আবার করোনায় আক্রান্ত হয় তাহলে অতি অল্পতে ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এক্ষেত্রে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে।

স্বাস্থ্য বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ডক্টর টিভির এক টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা বলেন, করোনাভাইরাসে সাধারণত যেসব শিশুরা আক্রান্ত হয় তাদের ৮০-৯০ শতাংশ উপসর্গ পাওয়া যায় না। করোনার প্রভাবে জ্বর একটা প্রধান উপসর্গ। এর সাথে কাশি থাকে গলায় ব্যাথা থাকে। এর বাইরে অন্য উপসর্গও থাকে। যেমন- অনেক সময় বাচ্চাদের পাতলা পায়খানা হয়, মুখের স্বাদ থাকে না, নাকে গন্ধ পাওয়া যায় না। কখনো তাদের নাক দিয়ে পানি আসে, নাক গন্ধ হয়ে যায়, শরীর দূর্বল হয়ে যায়, সমস্ত শরীরে ব্যাথা হয়। কখনো কখনো তার শ্বাসকষ্ট হতে পারে আর এখানে আমাদের বেশি খেয়াল করতে হবে।

এই উপসর্গটা আগেও ছিল এবং এখনও কিন্তু আছে। এখন কোনো বাচ্চা যদি করোনায় আক্রান্ত হয় তাদের একটা জটিলতা দেখা যায় যেখানে ওই বাচ্চার শরীরের বিভিন্ন অর্গান আক্রান্ত হয়ে যায়। অর্গান আক্রান্ত হয়ে গেলে পরে দেখা যায় যে, বাচ্চা খুব অসুস্থ হয়ে যায়।

যেসব শিশু করোনায় আক্রান্ত হলে ঝুঁকি বেশি

 লাইফস্টাইল ডেস্ক 
২৩ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

করোনাভাইরাসে সাধারণত যেসব শিশুরা আক্রান্ত হয় তাদের ৮০-৯০ শতাংশ উপসর্গ পাওয়া যায় না বলে জানিয়েছেন দেশের প্রখ্যাত শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা।

তিনি বলেন, যেসব বাচ্চাদের জন্মগতভাবে হার্টের সমস্যা আছে, যেসব বাচ্চাদের শরীর অনেক মোটা, যাদের ডায়াবেটিস আছে, যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তারা সবাই রিস্ক গ্রুপের মধ্যে পড়ে যায়।  এসব বাচ্চারা আগে থেকেই একটা অসুস্থতা আছে এর ওপর আবার করোনায় আক্রান্ত হয় তাহলে অতি অল্পতে ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এক্ষেত্রে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে।

স্বাস্থ্য বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ডক্টর টিভির এক টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা বলেন, করোনাভাইরাসে সাধারণত যেসব শিশুরা আক্রান্ত হয় তাদের ৮০-৯০ শতাংশ উপসর্গ পাওয়া যায় না।  করোনার প্রভাবে জ্বর একটা প্রধান উপসর্গ। এর সাথে কাশি থাকে গলায় ব্যাথা থাকে। এর বাইরে অন্য উপসর্গও থাকে।  যেমন- অনেক সময় বাচ্চাদের পাতলা পায়খানা হয়, মুখের স্বাদ থাকে না, নাকে গন্ধ পাওয়া যায় না। কখনো তাদের নাক দিয়ে পানি আসে, নাক গন্ধ হয়ে যায়, শরীর দূর্বল হয়ে যায়, সমস্ত শরীরে ব্যাথা হয়।  কখনো কখনো তার শ্বাসকষ্ট হতে পারে আর এখানে আমাদের বেশি খেয়াল করতে হবে।  

এই উপসর্গটা আগেও ছিল এবং এখনও কিন্তু আছে। এখন কোনো বাচ্চা যদি করোনায় আক্রান্ত হয় তাদের একটা জটিলতা দেখা যায় যেখানে ওই বাচ্চার শরীরের বিভিন্ন অর্গান আক্রান্ত হয়ে যায়। অর্গান আক্রান্ত হয়ে গেলে পরে দেখা যায় যে, বাচ্চা খুব অসুস্থ হয়ে যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন