অবশেষে করোনার টিকার মেধাস্বত্ব ছাড়তে রাজি যুক্তরাষ্ট্র
jugantor
অবশেষে করোনার টিকার মেধাস্বত্ব ছাড়তে রাজি যুক্তরাষ্ট্র

  অনলাইন ডেস্ক  

০৬ মে ২০২১, ১৪:১০:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন (ডব্লিউটিও) এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দাবির মুখে অবশেষে করোনার টিকার মেধাস্বত্ব মওকুফে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম এমন আলোচনা তোলে। দেশ দুটি বলছে— টিকার মেধাস্বত্ব এবং পেটেন্ট উন্মুক্ত করলে ভ্যাকসিনের উৎপাদন বাড়বে।খবর বিবিসির।

যুক্তরাষ্ট্র বুধবার জানিয়েছে, ডব্লিউটিও যদি এটি উন্মুক্ত করতে চায়, তা হলে এতে তাদের কোনো সমস্যা নেই।

কিন্তু ওষুধ প্রস্ততকারক কোম্পানিগুলোর যুক্তি— এতে প্রত্যাশানুযায়ী ফল নাও মিলতে পারে।

বিল গেটস কয়েক দিন আগে বলেছেন, পেটেন্ট উন্মুক্ত করলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর বেনামি অনেক প্রতিষ্ঠান অর্থ হাতিয়ে নিতে সংকটকে পুঁজি করে যাচ্ছেতাইভাবে টিকা তৈরিতে নামতে পারে। তাতে হিতে বিপরীত হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি ক্যাথরিন তেই বলেছেন, কঠিন এই সময় বড় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।

ডব্লিউটিওকে সতর্ক করে তিনি বলেছেন, সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে অনেক সময় লাগতে পারে।

ভ্যাকসিনের পেটেন্ট উন্মুক্ত করতে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার পাশাপাশি আরও ৫৮ দেশের একটি গ্রুপ কয়েক মাস ধরে সোচ্চার।

কিন্তু তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাজ্য এবং ইইউর বিরোধিতা করছিলেন।

তবে জো বাইডেন এসে বিষয়টি সমর্থন করলেন। নির্বাচনী প্রচারের সময়ই তিনি এ বিষয়ে নিজের সমর্থনের কথা জানান। গত বুধবারও সেটি স্মরণ করিয়ে দেন।

মেধাস্বত্ব মওকুফ হলে তুলনামূলক গরিব দেশগুলোতেও ভ্যাকসিন উৎপাদন সম্ভব হবে। অনেক উন্নয়নশীল দেশ বলছে, মেধাস্বত্ব থাকার কারণে তারা ভ্যাকসিনের ফর্মুলা পাচ্ছে না।

অবশেষে করোনার টিকার মেধাস্বত্ব ছাড়তে রাজি যুক্তরাষ্ট্র

 অনলাইন ডেস্ক 
০৬ মে ২০২১, ০২:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন (ডব্লিউটিও) এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দাবির মুখে অবশেষে করোনার টিকার মেধাস্বত্ব মওকুফে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম এমন আলোচনা তোলে। দেশ দুটি বলছে—  টিকার মেধাস্বত্ব এবং পেটেন্ট উন্মুক্ত করলে ভ্যাকসিনের উৎপাদন বাড়বে।খবর বিবিসির।

যুক্তরাষ্ট্র বুধবার জানিয়েছে, ডব্লিউটিও যদি এটি উন্মুক্ত করতে চায়, তা হলে এতে তাদের কোনো সমস্যা নেই।

কিন্তু ওষুধ প্রস্ততকারক কোম্পানিগুলোর যুক্তি— এতে প্রত্যাশানুযায়ী ফল নাও মিলতে পারে।

বিল গেটস কয়েক দিন আগে বলেছেন, পেটেন্ট উন্মুক্ত করলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর বেনামি অনেক প্রতিষ্ঠান অর্থ হাতিয়ে নিতে সংকটকে পুঁজি করে যাচ্ছেতাইভাবে টিকা তৈরিতে নামতে পারে। তাতে হিতে বিপরীত হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি ক্যাথরিন তেই বলেছেন, কঠিন এই সময় বড় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।

ডব্লিউটিওকে সতর্ক করে তিনি বলেছেন, সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে অনেক সময় লাগতে পারে।

ভ্যাকসিনের পেটেন্ট উন্মুক্ত করতে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার পাশাপাশি আরও ৫৮ দেশের একটি গ্রুপ কয়েক মাস ধরে সোচ্চার।

কিন্তু তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাজ্য এবং ইইউর বিরোধিতা করছিলেন।

তবে জো বাইডেন এসে বিষয়টি সমর্থন করলেন। নির্বাচনী প্রচারের সময়ই তিনি এ বিষয়ে নিজের সমর্থনের কথা জানান।  গত বুধবারও সেটি স্মরণ করিয়ে দেন।

মেধাস্বত্ব মওকুফ হলে তুলনামূলক গরিব দেশগুলোতেও ভ্যাকসিন উৎপাদন সম্ভব হবে। অনেক উন্নয়নশীল দেশ বলছে, মেধাস্বত্ব থাকার কারণে তারা ভ্যাকসিনের ফর্মুলা পাচ্ছে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস