খালেদা জিয়া কোভিডমুক্ত : মির্জা ফখরুল
jugantor
খালেদা জিয়া কোভিডমুক্ত : মির্জা ফখরুল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৯ মে ২০২১, ১৩:৪২:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কোভিড-১৯ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার দুপুরে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশবাসীর দোয়ায় আল্লাহর রহমতে দেশনেত্রী করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। তৃতীয় পরীক্ষায় তার করোনা নেগেটিভ ধরা পড়ে। তার করোনা পরবর্তী চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে।

১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। তার বাসভবন ফিরোজার আরও আটজন ব্যক্তিগত স্টাফও আক্রান্ত হন।

এরপর ২৪ এপ্রিল তার দ্বিতীয় করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসার কথা জানান তার চিকিৎসক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

২৭ এপ্রিল আবার সিটি স্ক্যানসহ প্রয়োজনীয় কিছু পরীক্ষার জন্য খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। সেই রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এরপর ৩ মে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। সেদিন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাত দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছিলেন, খালেদা জিয়ার ফুসফুসে পানি জমেছে। বেলা ৩টার পর তাকে সিসিইউতে নেয়া হয়।

খালেদা জিয়ার পরিবার তাকে বিদেশ নিয়ে উন্নত চিকিকৎসা দিতে চায়। সেই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

খালেদা জিয়া কোভিডমুক্ত : মির্জা ফখরুল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৯ মে ২০২১, ০১:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কোভিড-১৯ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার দুপুরে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশবাসীর দোয়ায় আল্লাহর রহমতে দেশনেত্রী করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। তৃতীয় পরীক্ষায় তার করোনা নেগেটিভ ধরা পড়ে। তার করোনা পরবর্তী চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। 
 
১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। তার বাসভবন ফিরোজার আরও আটজন ব্যক্তিগত স্টাফও আক্রান্ত হন। 

এরপর ২৪ এপ্রিল তার দ্বিতীয় করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসার কথা জানান তার চিকিৎসক ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

২৭ এপ্রিল আবার সিটি স্ক্যানসহ প্রয়োজনীয় কিছু পরীক্ষার জন্য খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। সেই রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এরপর ৩ মে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। সেদিন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাত দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছিলেন, খালেদা জিয়ার ফুসফুসে পানি জমেছে। বেলা ৩টার পর তাকে সিসিইউতে নেয়া হয়।

খালেদা জিয়ার পরিবার তাকে বিদেশ নিয়ে উন্নত চিকিকৎসা দিতে চায়। সেই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস